কেদোনা ,কাদে কাপুরুষ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কেদোনা ---- সুরুস,
কাদে কাপুরুষ
ক্ষেপে ওঠো দীপ্র তেজে
ঢেলে দাও প্রিয়ার হিংস্র কায়ায়
বারুদের বীর্য্য তাহার
অনিবার্য কাম উগ্রতায়
তাহার কামরসে
ত্রিশঘন্টা চষে
লিপসুর মন
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অর্থ লিপ্সুর মন
সদা সর্বদা নির্মম
সে যদি হয় আইন বনিক
মুখোশে বন্ধু হবে তব ক্ষনিক
অর্থ লিপ্সুর ভালোবাসা
কৃত্রিম খোলসে চিন্ময় হাসা
আকাশ কাদে নীরবতায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নিস্তব্ধতা আকাশ কাঁদে নীরবতায়
সমগ্র রজনী নিস্তব্ধতায়
বিষাদের ভার বুকে ধারণ করে
প্রতীক্ষায় প্রহর গোনে কাহার তরে আকাশ নিস্তব্ধ নীরবে কেঁদে যায়
এই পৃথিবীও একদিন থেমে যাবে হায়
এই আকাশ একদিন বৃদ্ধ হয়ে যাবে
এই নীরবতা একদিন অনন্ত হবে
কোন কোন বিষাদের সুর
শুনিবে বহুদুর
নিস্তব্ধতায় কাঁদিবে নিরব পৃথিবী
রয়ে যাবে কেবল প্রিয়ার স্মৃতি
গতকাল কথা বলিবে বিষাদের
নিস্তব্ধতা কথা বলে তবে বিরহের
কয়েক সেকেন্ড আগে ও মহা প্রলয়ের
যদি প্রিয়াকে পাই পৃথিবীতে ক্ষনিকের
এই সুন্দরের অববাহিকায়
মুক্তো হাসির মাঝেই উচ্ছাসিত ধরায়
স্মৃতি রোমাঞ্চিত করে খুজে পাই
আমার নদী প্রিয়ার স্মৃতির প্রতিস্বরে
অনন্তকালের তরে
ধন্য পৃথিবী তবে তাহারো কোমল স্বরে
হিয়ার মাঝে অনন্ত প্রহরে
চাষাবাদ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ইচ্ছের উর্বরতায় রমনী কায়ায়
যদি হয় চাষাবাদ
শুক্রানুগুলি ডিম্বানুর অনিচ্ছায়
যদি হয়ে যায় বরবাদ
নারীর দেহে প্রতিমাসে স্রাবের আবর্জনা
সেতো অতিলাজের লাঞ্ছনা
মানবীয় ফসলের ক্ষেতে অবাধ্য রমনী
এক মুঠি সুখ দিতে পারেনি
অভাব
মাহমুদুল হাসান নিজামী
প্রাপ্তির অাশায় থাকাই অভাব
সেতো অর্থনীতির ভাষায়
যেজন হাজার বর্ষকাটে অাশায় অাশায়
তাকে কি দেবে তুমি খাব
হিয়ার দুনিয়ায় বেহায়া মন
মমতার অভাবে কাঁদে সারাক্ষন
অনন্ত অভাবে পরিশূন্য দুনিয়া
দুটি কোমল স্বরে ভরে যায় অসীম হিয়া
বদমেজাজী নিজামীকে চিনিস?
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বদ মেজাজী এক কবি
নিজামীকে চিনিস?
মনটা তাহার মধুভরা
মুখে তাহার বিষ
কতো বসন্ত শ্বেত হেমন্ত
জীবনটাতে হইলো পার
শত্রু অাছে হাজার বিশেক
স্বজন কেহ নাইরে তার
হাসি পেলে বোকা কবি
শত্রু মিত্র ভুলে যায়
সাদা মনে কাদা ঢেলে
অমানুষে পালিয়ে ধায় ।
ভীড়ে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যদি কোন দিন হারিয়ে যাই আমি
তব স্বজনের ভীড়ে
অন্যকেহ যদি ঢুকে যায়
তব হৃদয়ের নীড়ে
তবে হয় যেনো গোএই পৃথিবী
আমারী তরে শেষ দিন।।
লাজ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
এতো কেন লাজ
খুলে দাও হাসির কারুকাজ
সবাই বিস্ময়ে দেখুক বারবার
এই সুন্দরী আমার
খুলে দাও মুখের পর্দাখানি
মায়াবী কোমলতায় শরত রানী
প্রণয়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
সব দিয়ে দিলেও প্রিতমের লাগি
কিছু সংরক্ষিত রেখে দেয় অনুরাগী
দুটি ঠোট অথবা কাজল নয়ন আখি কখনো চায় যদি প্রিয়তম সাকী
আসল প্রণয়ে থাকে না কোনো খুঁত অনুভবে সুন্দরম পবিত্র পূত
অধরা অনুভবে সদা হার্ষময়
ছুঁয়ে দিলে খুয়ে যায় স্বপ্নীল প্রণয়
কখনো ছুইওনাকো প্রনয় কায়া
তবে বর্ণিল রবে সদা ভাবনার ছায়া
নম্রতা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
থাকে যদি সর্বদা তবমুখে হাসি
সকলেই হয়ে যাবে তব দাসদাসী
কোমলতা অাচরনে নম্রতায় স্বর
সকলের হৃদয়ে বেধে যাবে ঘর
মাথা নিচু রাখলেই মাথা উচু হয়
হবে সদা বিজয়ী হবে সদা জয়
অভদ্র মানুষে সদা লাগে ভয়
নম্রতে ভালোবাসা সর্বদা রয়
অবাধ্য সাহস
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অবাধ্য সাহস যদি ছুয়ে দেয়
অদম্য মমতায়
কারো ইশারায়
শৈল্পিক নিতম্ব কায়
তাতে নেই কোন কবির দায়
শিহরিত করিলে কেন প্রিয়তায়।।
চোখের জলে
মাহমুদুল হাসান নিজাম
সেই ছবি তবে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যেন মরুঝড় এলোমেলো মনঘর নার্গিস বনে
কার হাতছানি চপলা মনখানি দুর বাতায়নে
তারুণ্য প্রভাতে নব উচ্ছলতায় বিনম্র অবয়বে
সুচিত্রা বনলতা বলে কত কথা সেই ছবি তবে
কোন কোন ছবি বানায় কবি স্বপ্নীল ভুবন
ইচ্ছের প্রপাত নব ঝর্না তিমিরে দ্যুতির উদগীরন
আশার প্রদীপ জেগে ওঠে নবীন কারুকাজে
প্রিয়তম মোর কবিতা নদী স্বপ্নীল কায়ার ভাঁজে
চুলের সিঁথি জাগায় প্রীতি মোর প্রিয়তমে
কে যেন ডাকে নিসর্গ অরন্যে সদা আলিঙ্গনে
কতো যে রূপ -সাজ অপরূপ তব কায়ায়
এতো সুন্দর কিভাবে ছড়ালে কবির মায়ায় ।
২৩/১১/২০২১
কবিতা আমার অবজ্ঞা
আর অবহেলর প্রতিধ্বনি
উদাসী বাতায়ন অধরা সমীরন
শূন্য হিয়ার শব্দ গাথুনী ।
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
বদনাম
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যেইজন পেয়েছিলো
তব উপকার
বদনাম করিবে
না পাইলে বারবার ।
মানুষ বড় নির্মম
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মুখোশপরা মানুষগুলো
চেনা বড়ো দায়
অাসল নকল চিনতে গেলে
মুখোশ অন্তরায়
এই দুনিয়ার হিসেব নিকেশ
সবি অন্যরকম
মানুষ গুলো এমন কেন,
কেনরে এমন ।।
মরীচিকার দুনিয়াতে
সবি অভিনয়
যা দেখা যায় বাহিরেতে
ভিতরে তা নয়
অাজকে যেজন শত্রু চরম
কালযে ছিল অাপন।।
প্রয়োজন অার স্বার্থের তরে
সাজে প্রিয়জন
বিপদ এলে কেটে পড়ে
মানুষ বড় নির্মম
সরলতার সুযোগ নিয়ে
সবি করবে হরন ।।
তারার ফুল
মাহমুদুল হাসান নিজামী
রাতের জমিনে জ্যোসনা নামে
আকাশে তারার ফুল
মধ্যরাতে বেঁকে গেলে
সাঁঝের বেলায় কবুল কবুল ।
হস্তে গয়না কন্ঠে ময়না
কতো স্বপন করলে বপন
নীরবে নিশিথে ছুঁয়ে দিলে
ইচ্ছে সোহাগ বিলিয়ে যতন ।
সাঁঝের বেলায় মেহেদী ফুল
তিমিরে রজনী গন্ধা
অধরা ঐ সুরে মাতাল
নীলের নিরব ছন্দা ।
কে তুমি গো দুরের দেশে
শোনাও সুরের বানী
তুমিগো কাহার ছন্দে নাচো
হামিগো তাহা জানি।
ভুলে ভুলে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ভুলে ভুলে পার হৈলো
জীবনের আধাবেলা
ওরে বোকা জীবন নিয়া
আজো করিস খেলা
মানুষ চেনা বড় দায়
স্বার্থের তরে বদলে যায়
সরল মানুষ সাদা মানুষ
যিনি অতি মহান
নিজের মতো ভাবেন তিনি
অন্যজনে সমান ।
স্বাক্ষর
মাহমুদুল হাসান নিজামী
স্বরের প্রতিটি প্রতীক আমার একেকটি অক্ষর
অক্ষরের মিলিত বাসরে প্রসব হয়ে যায় স্বাক্ষর
দুটো স্বাক্ষরে হয়ে যায় আমাদের নিরাপদ চুক্তি
জজ সাহেবর স্বাক্ষরে হয়তো সাজা নয়তো মুক্তি
স্মৃতির স্বাক্ষরে লেখা ছিল যেই নাম
গোকুলপু্রের ধানক্ষতে দোলা দেয় অবিরাম
যেই রং ছুঁয়েছিল অধরা অক্ষরে
হৃদয় পাতায় শর্তবিহীন চুক্তির স্বাক্ষরে
শরত অথবা হেমন্তের সাঝের বেলায়
কালের সাক্ষী একটি নদী আর নীলিমায়
কবির চুক্তির শর্তগুলো মমতার কাছে হয় সমর্পন
হৃদয় চুক্তির নেই কোন নবায়ন
কেদোনা ,কাদে কাপুরুষ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কেদোনা ---- সুরুস,
কাদে কাপুরুষ
ক্ষেপে ওঠো দীপ্র তেজে
ঢেলে দাও প্রিয়ার হিংস্র কায়ায়
বারুদের বীর্য্য তাহার
অনিবার্য কাম উগ্রতায়
তাহার কামরসে
ত্রিশঘন্টা চষে
লিপসুর মন
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অর্থ লিপ্সুর মন
সদা সর্বদা নির্মম
সে যদি হয় আইন বনিক
মুখোশে বন্ধু হবে তব ক্ষনিক
অর্থ লিপ্সুর ভালোবাসা
কৃত্রিম খোলসে চিন্ময় হাসা
আকাশ কাদে নীরবতায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নিস্তব্ধতা আকাশ কাঁদে নীরবতায়
সমগ্র রজনী নিস্তব্ধতায়
বিষাদের ভার বুকে ধারণ করে
প্রতীক্ষায় প্রহর গোনে কাহার তরে আকাশ নিস্তব্ধ নীরবে কেঁদে যায়
এই পৃথিবীও একদিন থেমে যাবে হায়
এই আকাশ একদিন বৃদ্ধ হয়ে যাবে
এই নীরবতা একদিন অনন্ত হবে
কোন কোন বিষাদের সুর
শুনিবে বহুদুর
নিস্তব্ধতায় কাঁদিবে নিরব পৃথিবী
রয়ে যাবে কেবল প্রিয়ার স্মৃতি
গতকাল কথা বলিবে বিষাদের
নিস্তব্ধতা কথা বলে তবে বিরহের
কয়েক সেকেন্ড আগে ও মহা প্রলয়ের
যদি প্রিয়াকে পাই পৃথিবীতে ক্ষনিকের
এই সুন্দরের অববাহিকায়
মুক্তো হাসির মাঝেই উচ্ছাসিত ধরায়
স্মৃতি রোমাঞ্চিত করে খুজে পাই
আমার নদী প্রিয়ার স্মৃতির প্রতিস্বরে
অনন্তকালের তরে
ধন্য পৃথিবী তবে তাহারো কোমল স্বরে
হিয়ার মাঝে অনন্ত প্রহরে
চাষাবাদ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ইচ্ছের উর্বরতায় রমনী কায়ায়
যদি হয় চাষাবাদ
শুক্রানুগুলি ডিম্বানুর অনিচ্ছায়
যদি হয়ে যায় বরবাদ
নারীর দেহে প্রতিমাসে স্রাবের আবর্জনা
সেতো অতিলাজের লাঞ্ছনা
মানবীয় ফসলের ক্ষেতে অবাধ্য রমনী
এক মুঠি সুখ দিতে পারেনি
অভাব
মাহমুদুল হাসান নিজামী
প্রাপ্তির অাশায় থাকাই অভাব
সেতো অর্থনীতির ভাষায়
যেজন হাজার বর্ষকাটে অাশায় অাশায়
তাকে কি দেবে তুমি খাব
হিয়ার দুনিয়ায় বেহায়া মন
মমতার অভাবে কাঁদে সারাক্ষন
অনন্ত অভাবে পরিশূন্য দুনিয়া
দুটি কোমল স্বরে ভরে যায় অসীম হিয়া
বদমেজাজী নিজামীকে চিনিস?
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বদ মেজাজী এক কবি
নিজামীকে চিনিস?
মনটা তাহার মধুভরা
মুখে তাহার বিষ
কতো বসন্ত শ্বেত হেমন্ত
জীবনটাতে হইলো পার
শত্রু অাছে হাজার বিশেক
স্বজন কেহ নাইরে তার
হাসি পেলে বোকা কবি
শত্রু মিত্র ভুলে যায়
সাদা মনে কাদা ঢেলে
অমানুষে পালিয়ে ধায় ।
ভীড়ে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যদি কোন দিন হারিয়ে যাই আমি
তব স্বজনের ভীড়ে
অন্যকেহ যদি ঢুকে যায়
তব হৃদয়ের নীড়ে
তবে হয় যেনো গোএই পৃথিবী
আমারী তরে শেষ দিন।।
লাজ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
এতো কেন লাজ
খুলে দাও হাসির কারুকাজ
সবাই বিস্ময়ে দেখুক বারবার
এই সুন্দরী আমার
খুলে দাও মুখের পর্দাখানি
মায়াবী কোমলতায় শরত রানী
প্রণয়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
সব দিয়ে দিলেও প্রিতমের লাগি
কিছু সংরক্ষিত রেখে দেয় অনুরাগী
দুটি ঠোট অথবা কাজল নয়ন আখি কখনো চায় যদি প্রিয়তম সাকী
আসল প্রণয়ে থাকে না কোনো খুঁত অনুভবে সুন্দরম পবিত্র পূত
অধরা অনুভবে সদা হার্ষময়
ছুঁয়ে দিলে খুয়ে যায় স্বপ্নীল প্রণয়
কখনো ছুইওনাকো প্রনয় কায়া
তবে বর্ণিল রবে সদা ভাবনার ছায়া
নম্রতা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
থাকে যদি সর্বদা তবমুখে হাসি
সকলেই হয়ে যাবে তব দাসদাসী
কোমলতা অাচরনে নম্রতায় স্বর
সকলের হৃদয়ে বেধে যাবে ঘর
মাথা নিচু রাখলেই মাথা উচু হয়
হবে সদা বিজয়ী হবে সদা জয়
অভদ্র মানুষে সদা লাগে ভয়
নম্রতে ভালোবাসা সর্বদা রয়
অবাধ্য সাহস
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অবাধ্য সাহস যদি ছুয়ে দেয়
অদম্য মমতায়
কারো ইশারায়
শৈল্পিক নিতম্ব কায়
তাতে নেই কোন কবির দায়
শিহরিত করিলে কেন প্রিয়তায়।।
চোখের জলে
মাহমুদুল হাসান নিজাম
সেই ছবি তবে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যেন মরুঝড় এলোমেলো মনঘর নার্গিস বনে
কার হাতছানি চপলা মনখানি দুর বাতায়নে
তারুণ্য প্রভাতে নব উচ্ছলতায় বিনম্র অবয়বে
সুচিত্রা বনলতা বলে কত কথা সেই ছবি তবে
কোন কোন ছবি বানায় কবি স্বপ্নীল ভুবন
ইচ্ছের প্রপাত নব ঝর্না তিমিরে দ্যুতির উদগীরন
আশার প্রদীপ জেগে ওঠে নবীন কারুকাজে
প্রিয়তম মোর কবিতা নদী স্বপ্নীল কায়ার ভাঁজে
চুলের সিঁথি জাগায় প্রীতি মোর প্রিয়তমে
কে যেন ডাকে নিসর্গ অরন্যে সদা আলিঙ্গনে
কতো যে রূপ -সাজ অপরূপ তব কায়ায়
এতো সুন্দর কিভাবে ছড়ালে কবির মায়ায় ।
২৩/১১/২০২১
কবিতা আমার অবজ্ঞা
আর অবহেলর প্রতিধ্বনি
উদাসী বাতায়ন অধরা সমীরন
শূন্য হিয়ার শব্দ গাথুনী ।
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
বদনাম
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যেইজন পেয়েছিলো
তব উপকার
বদনাম করিবে
না পাইলে বারবার ।
মানুষ বড় নির্মম
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মুখোশপরা মানুষগুলো
চেনা বড়ো দায়
অাসল নকল চিনতে গেলে
মুখোশ অন্তরায়
এই দুনিয়ার হিসেব নিকেশ
সবি অন্যরকম
মানুষ গুলো এমন কেন,
কেনরে এমন ।।
মরীচিকার দুনিয়াতে
সবি অভিনয়
যা দেখা যায় বাহিরেতে
ভিতরে তা নয়
অাজকে যেজন শত্রু চরম
কালযে ছিল অাপন।।
প্রয়োজন অার স্বার্থের তরে
সাজে প্রিয়জন
বিপদ এলে কেটে পড়ে
মানুষ বড় নির্মম
সরলতার সুযোগ নিয়ে
সবি করবে হরন ।।
তারার ফুল
মাহমুদুল হাসান নিজামী
রাতের জমিনে জ্যোসনা নামে
আকাশে তারার ফুল
মধ্যরাতে বেঁকে গেলে
সাঁঝের বেলায় কবুল কবুল ।
হস্তে গয়না কন্ঠে ময়না
কতো স্বপন করলে বপন
নীরবে নিশিথে ছুঁয়ে দিলে
ইচ্ছে সোহাগ বিলিয়ে যতন ।
সাঁঝের বেলায় মেহেদী ফুল
তিমিরে রজনী গন্ধা
অধরা ঐ সুরে মাতাল
নীলের নিরব ছন্দা ।
কে তুমি গো দুরের দেশে
শোনাও সুরের বানী
তুমিগো কাহার ছন্দে নাচো
হামিগো তাহা জানি।
ভুলে ভুলে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ভুলে ভুলে পার হৈলো
জীবনের আধাবেলা
ওরে বোকা জীবন নিয়া
আজো করিস খেলা
মানুষ চেনা বড় দায়
স্বার্থের তরে বদলে যায়
সরল মানুষ সাদা মানুষ
যিনি অতি মহান
নিজের মতো ভাবেন তিনি
অন্যজনে সমান ।
স্বাক্ষর
মাহমুদুল হাসান নিজামী
স্বরের প্রতিটি প্রতীক আমার একেকটি অক্ষর
অক্ষরের মিলিত বাসরে প্রসব হয়ে যায় স্বাক্ষর
দুটো স্বাক্ষরে হয়ে যায় আমাদের
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন