কোমলতায় কোন হাত
মাহমুদুল হাসান নিজামী
খরাতপ্ত দুর্ভাবনার হৃদয় ধামে
যদি কাহারো ভরসার বাদল নামে
কহিয়ো তাহাকে গোকুলপুরের ধানের মাঠে
অথবা লালবিবির গোরস্তান সমর দিঘীর ঘাটে
যেন প্রতীক্ষার প্রহর গোনে যায়
প্রিয়তমের ছন্দরেখায়
তোমাদের ইচ্ছেগুলো হেসে উঠুক নব অালপনায়
হিজলতলীর গ্রামে ঝিরিঝিরি হিমেল হাওয়ায়
নামাপাড়ার বাশ বাগানে
হাজারো শ্নেত বগ যদি মুখরিত হয় সুরাঙ্গনে
বাসনার নব নকশায় নব নব গানে
কোমল মমতায় পুবালীরা দোলা দেয় কারো প্রানে
ছুঁয়ে দেয় নিসর্গ কোমলতায় কোন হাত
নবসূর্য হাসিবে বর্নিল নব প্রভাত।
বাতায়ন খুলে রাখি
অনন্ত সেই সে প্রত্যাশায় ।।
মাহমুদুল হাসান নিজামী
তাহার কায়ার ছোঁয়া এক চিলতে
হিমেল হাওয়া যদি
কখনো অামায় ছুঁয়ে যায়
অামি বাতায়ন খুলে রাখি সদা সর্বদা
অনন্ত সেই সে প্রত্যাশায়।।
যদি কখনো কোন স্মৃতির পাতা
খুলে দেয় নব হালখাতা
অামি অধীর হয়ে চেয়ে থাকি তাই
দুর দিগন্ত নীলিমায়।
অামি মনে মনে খুজি সদা যাহারে
অামি দুরের শীতল হাওয়ায়
সর্বদা খুজে যেন পাই তাহারে
অনুভবের অনন্ত অনু ছোঁয়ায়।
নেই পরাজয়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মানুষের সাধনার
নেই কোন পরাজয়
হেরে গেলে শেখা হয়
জিতে গেলে
হয় জয়।
মন বুঝেনা সে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
উম্মাদের দেহে নেই ভালোবাসা
শুধু কামনার অাশা
কয়ফোটা ঘনজল ঢেলে দিলে
সে পরিতৃপ্তি গিলে
উম্মাদের সব চাওয়া
ইচ্ছে মতো লুপে নেওয়া।
ভালোবাসা খুঁজেনা কভু হৃদয়হীন
শুধু ভালো ঘর খুঁজে রঙিন
মন বুঝেনা সে -রঙ নেই যেই মনে
সুন্দর খুঁজে সে শুধুই অাবরনে।
মেনে নিলে সহজে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ঘটুক না যাহা কিছু
মেনে নিলে সহজে
জটিলতা থাকেনা
অাগামীর কাজে
কতকিছু ঘটে যায়
জীবনের বাঁকে
মুছে যায় স্মৃতি থেকে
কে খোঁজ রাখে।
অাফসোস করে শুধু
কি লাভ অার
অনন্ত ভেবে শুধু
মনকরে ভার।
শান্তি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
হও যদি তৃপ্ত
যা পাও তাতে
মনেতে শান্তি
পাবে সাথে সাথে।
অতি লোভ যন্ত্রণা
হিংসার মন
পরশ্রী দেখে সদা
করে জ্বালাতন।
শাদীয়ে মুবারক
মাহমুদুল হাসান নিজামী
দুই অর্ধাঙ্গ মিলে এক পূর্নতায়
হয়ে গেলো একাকার
শূন্যতায় পূর্নতার চাদ
অাকাশে এলো কার
সৃস্টি সব জোড়ায় জোড়ায়
স্রস্টার বিধান তা
দোসর মায়ায় তামিমবাগে
স্বপ্নের নব বার্তা
ডাকলো যখন শুক্রবারে
নব ভোরে নব অাজান
বিয়ের পিড়ি তাহিরপুরে
মধুর সুরে নবীন তান
পুষ্প শোভা শুভ্রতাতে
মারহাবা মারহাবা
স্বপ্নগুলো শোভিত হোক
তামিম সাদী লুবাবা
কোকিল যখন ডাক দিয়ে যায়
কেউনা কেহ শুনতে পায়
দুর মিনারের সুরের তানে
অবচেতন ভেঙ্গে যায়।
অাগামীটা স্বপ্নীল হোক
জীবন প্রহর হোক অাভা
মুফতি মহান তামিম সাদী
শাদীয়ে মুবারক ক্বারীয়া লুবাবা।
সর্বনাশ সাহিত্যে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
তেলবাজ টাকমামা
তেলবাজ চামছা
তেলবাজী দালালী
মাথাতে গামছা
পদকের বানিজ্যে
তেলমারে ভাড়াতে
সর্বনাশ এনেছে
সাহিত্যের পাড়াতে।
নকল ফাঁদে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
চোখ থাকিলেই সকল কিছু চেনা যায়না নয়নে
অন্তমিলের গন্তব্য বিবেকবোধের যাপনে
দেখলে শুধু হয়না দেখা রহস্য টা ভিতরে
অাসল নকল চিনতে গিয়ে গুলিয়ে ফেলে হিতরে
অবোধকে বোধ দেবে কে মরীচিকার বালুকায়
অাসলটাকে হারিয়ে সে কপাল পিটায় হায় হায়
চক চক করলে শুধু হয়না কভু সোনারে
মেকিসোনার ফাঁদে পরে অাফসোসে বোনারে
নকল ফাঁদে পা দিলিরে বোধের শূন্যতায়
ধন্যজীবন বন্য হয়ে গতরে পরলি হায়।
একা অযুত বচন
মাহমুদুল হাসান নিজামী
হাজারো মানুষের ভীড়েও কেহ কেহ খুব একা
ক্লান্ত বিকেল জোসনা রজনী স্মৃতির দোসর রেখা
কি হয়েছে কি ভেবেছো নদীর কিনারায়
কেহ ভাবে একা অামি হামিতো স্মৃতির দোসরতায়
মানুষের কাছে বলা যায়না কভু যে সব কথা
প্রকৃতির কাছে বিতরন করি অযুত বচন তথা।
একাাকীত্ব
মাহমুদুল হাসান নিজামী
একাকীত্ব হারাতে পারেনি কখনো কভু অামায়
তবে তখনি নিসর্গ প্রকৃতি মম দোসর হয়ে যায়
কতবার ছুয়ে ছুঁয়ে নির্জনতার কায়া
অধরা নন্দন জড়িয়ে মোরে দিয়েছে কত মায়া
ভেবেছো হামি একাকী প্রহরগুলো কেমনে করি পার
সবুজবন হিমেলী সমীরণ একাকীত্ব মুছে হামার
কতো সুখ কতো শান্তি একাকীত্ব নির্জনতায়
অপবাদ অপমান ছলনা দেবেনা কভু তোমায়।
প্রতিদান
মাহমুদুল হাসান নিজামী
একটি নির্বোধ প্রানীও
মমতার মায়া বুঝে
শুধু মানুষ মায়ার প্রতিদানে
ক্ষতি করেও স্বার্থ খুঁজে।
মায়া মমতায় বিনিময়ে
পশুরা পোষ মেনে যায়
ভালোবাসার বিনিময়ে শুধু
মানুষ মানুষে ঠকায়।
সুরের ঝর্না
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মম সৃষ্টির সুর ললিতা নব সুরঙ্গনা
নিজামীর লতাজী স্বর্না বড়ুয়া স্বর্না
হাজারো সৃস্টিতে এনেছো নব সুর মোর গানে
সুরের বাতায়ন খুলেছে অাজ নব জাগরনে
কতো সুর কতো বানী কতো ছন্দের কারুকাজ
তাহারী কন্ঠে শিল্পকলায় পেলো নব সাজ
পরম মূল্যমানে নব নব গানে মম সুরের তান
অাজি জাগিয়ে দিলো নব পুষ্পে মম গুলিস্তান
নব সুরের জলসায় হিয়াতে মোর
তাহারী কন্ঠে বাজে অাজ মম সৃষ্টি মধুর
সুরের তারায় নব ধারায় কে অানিলেগো নব প্রান
অামাকে অামায় দিয়েছো নব ঠাই ছন্দের গুলশান
স্বর্না বড়ুয়া স্বর্না
সেতো নিজামীর সুরের ঝর্না।
টাক মামা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বেল মাথায় তেল মেখে
টাকমামার ঘুরাঘুরি
চেয়ারটা কেড়ে নিেতে
মঞ্চে কাড়াকাড়ি
মাইক পেলে মঞ্চে
চাপা অার তেল
ক্রিমিনাল চোখটা
মাথাটা বেল।
চাপা তার তেজারতি
চাপা তার ধন
তেল মেরে ভিক্ষাতে
অতিথি হন।
গোধূলী বেলায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
চক্ষুলাজে মনের কারুকাজে দেখা হয়নি তখন তারে
দেখা হলে ফের মনভরে তবে দেখিব বারেবারে
প্রথম দর্শনে হৃদয় বরনে করেছি যারে ধারন
তাহারী মুখ হাসে বারেবার অপরূপ শিহরন
যদি কোন প্রহরে সম্মুখে তবে মুখোমুখি হয়ে যায়
মনভরে তারে দেখিব বারেবারে হিয়ায় হিয়ায়
প্রথম স্বরে কে যেন বারেবারে স্বপনের রঙ্গপুরে
প্রতীক্ষা প্রহর গোনিছে অাজও সেই হৈমন্তী ভোরে
হৃদয় সিতারে নিঃশব্দ বাজে কেন নববীণার সুর
গোধূলী বেলায় কে যেন অাসে যায় প্রিয় গোকুলপুর।
কর্ম সাধনায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
সকাল কাটে ঘুমের ঘোরে
দুপুরে যাদের প্রভাত হয়
জীবন কাটিবে দুর্ভোগে তার
সুখ শান্তির পরাজয়
সকাল বেলায় অর্জন করে
বিকেল বেলায় বিসর্জন
সকাল বেলায় সতেজ সবি
বিকেলেতে ক্লান্ত ক্ষন
হেলায় খেলায় অপচয় নয়
জীবনের সকাল বেলা
অাধার স্বপন কর্ম সাধনায়
বাস্তবে হয় উজালা।
স্বপ্নভরা প্রভাত
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কাত কাত কাত
রাত পোহালো প্রাত
রোজ সকালে অাড়াল ভরে
এলো মানিক তোমার ঘরে
হাজার হাঁসে ডিম পেড়েছে
অন্ড সোনায় ঘর ভরেছে
স্বপ্নভরা প্রভাত
কাটলো তিমির রাত।
ছায়া
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অধরা কালো হাত
যদি সৃজন করে নব ধারাপাত
ইচ্ছের কাছে সমর্পিত মন
অাধারে হয়ে যায় অধিগ্রহন
ছায়ায় ছায়া কায়ায় কায়া
স্পর্শের ছোয়ায় যত সুখ মায়া
অদেখা হাত
অাধারে সুখের প্রপাত।
বিস্বাদেও স্বাদ অাছে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অতৃপ্তির বিষাদ
সেতো পূর্ন প্রাপ্তির প্রত্যাশার ফাঁদ
কোন কোন পূর্নতায়
সব স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়।
অর্ধেক প্রাপ্তি অর্ধেক অসমাপ্তি
সচল রাখে পরিসমাপ্তির গতি
অতৃপ্তির বিষাদ
সদা অধীরে পরিতৃপ্তির স্বাদ
বিস্বাদেও স্বাদ অাছে
যে অতৃপ্ত তার কাছে।
ঘুষখোর মাননীয় স্যার
সব চোর মাননীয় মহাশয়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
হত্যা ও অাত্মহত্যার ব্যাবধানটা
শুধু অাত্মমর্যাদার
হত্যা করে কাপুুরুষ
অাত্মহত্যা করে বীর
মহাবীর গাদ্দাফী অার বীর সাদ্দাম কে
হত্যা করেছিলো সন্রাসী কাপুরুষ
অার বিশ্ববিজয়ী মহাবীর
মাননীয় হিটলার মহাশয়
অাত্মহত্যা করে দিযেছিলেন
অাত্মসম্মানের পরিচয়
চোর অার ডাকাতের ব্যাবধান
চোর গোপনে ডাকাত খুন করে প্রস্থান
ঘুষখোর অার চোরের ব্যাধান কোথায়
না কোনই ব্যবধান নাই
চোর চুরি করে গোপনে
ঘুষখোর অদেখা ভয়ে অাত্ম কম্পনে
ঘুষখোর কর্তাকে যদি স্যার বলা হয়
পৃথিবীর সবচোর ও মাননীয় মহাশয়।
সমব্যথা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ব্যথা না পেয়েও কারো ব্যথায়
উচ্চারনে ব্যথিত হলে
অনুভবে মহান মহৎ প্রাণ
সমব্যথা তাকে বলে
ব্যথিত হয়না মানুষের ব্যথায়
যে সব মানুষজন
মানুষ নহে অমানুষ তারা
হৃদয় বিহীন বিভীষণ।
নিজের প্রয়োজনে
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
সকল কর্ম করে মানুষ
নিজের প্রয়োজনে
নিজের মনে সুখ পেতে
ভালোবাসে অন্যজনে
মুখোশ পরে সাজে অাপন
মিঠাতে তার প্রয়োজন
স্বার্থসিদ্ধি হয়ে গেলে
কেটে পড়ে ছলেবলে
হায়রে ভবের খেলা
ঘুমের ঘোরে কতজনের
কেটে যায়রে বেলা।
বিরহী বিষাদ অশ্রু
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নির্জনতার অাকাশে
যখন কালোমেঘ ভাসে
নিরব ক্রন্দনে অধরা হৃদয়
বিরহী বিষাদ অনুপ্রাসে
কোন মন যখনি যখন
নিরবে ক্রন্দন করে যায়
কালো মেঘ তখনি প্রিয়তমের
বিরহী বিষাদ অশ্রু হয়ে উড়ে বেড়ায়।
অাবদুল হালীম বোখারী
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ইলমের জাহাজ ঈমানের সাওয়ারী
উম্মতের রাহবর অাবদুল হালীম বোখারী
নিয়মিত বনটনে খোদায়ী নেয়ামত
মরেও অমরে কিয়ামত তক
সত্যের তরবারী সত্যের রাহবর
অাল্লাহর বন্ধু নাস্তিকের ডর
অালোর ঐ জ্যোতিটা নিভে গেলো তাই
অনন্ত জনতা কাঁদে হায় হায়।
খাওয়া
মাহমুদুল হাসান নিজামী
খাওয়ার তরে বাচেনাতো
বাঁচার তরে খায়
এক প্লেট তিনে খেলে
কোন ক্ষতি নাই ।
অতি খেলে ক্ষতি হয়
ভরাপেটৈ ঝুকি রয়।
অর্ধ পেট খালি রেখে
অর্ধতে খাওয়া
অসুখের বালাই থেকে
সদা রক্ষা পাওয়া।
কৃষ্ণ গহবর -
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কৃষ্ণ গহবর -
অসীম নক্ষত্রের দেশে তিমির সরোবর
নির্জন গহীনে ভাবনার অাধার
স্মৃতির বিষাদে ডাকে বারবার
মহাশূন্যে অসীম নক্ষত্রের দেশে
সৌর মন্ডলে কেন অন্ধকার গ্রাসে
বিষন্নতায় কাঁদে মন অধরা তিমিরে
শূন্য এবং মহাশূন্যে শুধু অাধারের ভীড়ে
এক টুকরো ভরসার অালো ভাসিয়ে যায়
সীমাহীন ইচ্ছের সাগরে অনন্ত বাসনায়
কবিতা বেগম অস্ফুটে হাসে
নব ছন্দের অনুপ্রাসে।
চুনোপুটির বদনাম
মাহমুদুল হাসান নিজামী
জগত সভায় বিশ্বসেরা অশেষ যিনি মহান
কি অাসে যায় তাহার তাতে চুনোপুঁটির বদনাম
শত্রুমিত্র সবার কাছে তিনি প্রিয় প্রাণ
ন্যায়পরায়ন সততায় অাল অামীন সম্মান।
যাহার কাছে দীনধনী সকলেই সমান
প্রিয়রাসুল নবীজি অাসমানী জয়গান
বাকবচনে নিন্দাতে করলে নবীর অপমান
কমবেনারে নবীর শান নিন্দুকের যাইবে মান।
সব দোষ মনের
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
অামার কোন দোষ নেই
সব দোষ মনের
কোন পথে ছুটে যায় কোথা যায়
অধরা ঠিকানায় সম্মোহনের।
মানেনা বাঁধন উপোসী মন
যেথা মন চায়
অনন্ত ছুটে সব বাধা টুটে
ইচ্ছের নিরালায়।
অনুমতি বিহীন যদি কোন মন
চলে যায় কাহারো কাছে
ক্ষিপ্ত হলে হতেই পারো
অামার করার কিবা অাছে?
অাকর্ষন
মাহমুদুল হাসান নিজামী
থাকলে দুরে
পিছে ঘুরে
হতে অতি অাপন
কাছে ঘেষলে
অাগের মতো
থাকেনারে অাকর্ষন।
এ্যাটাক
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
নীল গোলাপের মতো তব নিরব হাসি
অামার বুকে চরম এ্যাটাক
না না -হার্ট এট্যাক নয়
লাভ এ্যাটাক লাভ এ্যাটাক
তোমার নয়নের অতল কৃষ্ণ গতরে
অামি পতিত হয়ে
অামার সপ্তগ্রহ নিরুদ্দেশ হয়ে যায়
যদি কখনো অাবার স্মৃতির কোষে
যদি কোন বসন্ত অাবার অাসে
পড়ন্ত প্রহরে গোধূলী বেলায় অথবা
চন্দ্র মাসের চোদ্দ তারিখে পূর্নিমা চাঁদ হাসে মাহজাবীনের লিচুতলায়
একদা এক বিকেলে স্বপ্নরা হাতছানি দেয়
নিরবে কেহ ডাকে কোন অধরা হাত
ঘুম ভেঙে দেয় হঠাৎ হঠাৎ মধ্য রাত
স্বপনেও মম বুকেতে তাহার হাসির এ্যাটাক
না না হার্ট এট্যাক নয় -
লাভ এ্যাটাক লাভ এ্যাটাক।
স্বর্গীয় হুর বেহেশতী ফুল
মাহমুদুল হাসান নিজামী
তব রূপের অাভায় পূর্নচন্দ্র হয়ে যায় ম্লান
দৃস্টিরা নব উল্লাসে গেয়ে যায় সৃস্টির জয়গান
হুরের অবয়বে কে করিলে গো এই মহা সৃজন
এই যেন মহা তরিৎ চুম্বক তাহারী দুই নয়ন
কপোলে জোছনা হাসে
অসীম নীলে চাঁদ ভাসে
শিল্প তুলি যেন অঙ্গুলি তার
মায়াবী কায়ায় দেখে থাকি বারবার
তাহারী অনুপম অপরূপে স্বপ্নেরা রঙ্গিন
স্বর্গীয় হুর অদূরে হাসে সেতো মেহজাবিন
অনুক্ত অারাধনায় নব ঝংকারে মধুসুর বাজে
তাহারী অপরূপ সাজে
ধন্য ধরনী তোমারী জন্য ধন্য রমনীকুল
দ্যুতিময় করিলে তিমিরে ওগো বেহেশতী ফুল।।।
মায়ারাজ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
জোসনা হাসে মধ্য রাতে চন্দ্র ঘুমায় দিবসে
তারন্য কায়ায় পুষ্পরা বসন্ত অনুচাষে
বৃস্টি ছুঁয়ে দিলে যৌবন জোয়ার মৃত্তিকায়
নিসর্গ নিতম্বে নব উচ্ছাস ইচ্ছের অারাধনায়
সূর্য অাসিলে প্রভাত অাসে চন্দ্র অাসিলে রাত
হাসি কান্নার সমরেখায় অনুভবের অনুপাত
পুষ্প নিতম্বে ফলন্ত কায়ায় কতো কারুকাজ
সুন্দর লীলায় অধরা ইশারায় ডাকে কোন মায়ারাজ
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন