যেই নামেতে ডাকি তোমায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
আল্লাহ ঈশ্বর ভগবান
যেই নামেতে ডাকি তাহারে
স্মরণ হয়রে স্রস্টার নাম
আল্লাহ মহান ইশ্বর মহান মহান ভগবান।।
কে সুন্দর এই ভুবনে কে তুমি ম্রস্টা
কে তুমি বিরাজমান গগনে গগনে
আজো জানিনা নিশ্চিত
কি তোমারী আসল নাম
দয়াল বলে ডাকে কেহ কেউ ডাকে রহমান ।।
জগতপতি বলে কেউ তাহারে
আশ্রয় চায় তার বারেবারে
অনন্ত দুরদেশে নির্জনতায়
শতরূপে মিশে আছো নিসর্গ নীলিমায়
কার ইশারায় চলে অনন্ত এই জাহান ।।
আকাশ দিগন্ত মস্তক লুকায়
আমার অনন্ত বাংলায়
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
হিমালয় থেকে মেঘালয়
সুন্দরবন থেকে বান্দরবান
সোনারগাঁও ফকরুদ্দিন মুবারক শাহ
তুমি আমার বাংলাদেশ
গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ
শহীদ তিতুমীর বাঁশের কেল্লা
আমার বাংলাদেশ
কর্ণফুলীর মোহনায় যেখানে
হাজার জাহাজের ভিড়ে
দূরদেশী বার্তা বহন করে যায়
যেখানে অনন্ত স্বপ্নরা
কক্সবাজারের উদাসী হাওয়ায়
ছড়িয়ে দূর সীমানায়
সেটাই আমার স্বদেশ আমার বাংলাদেশ
তুমি কি কভু দেখেছ মানচিত্রের ঠিকানা
তুমি কি দেখেছ কভু
আমার মাতৃভূমির মুখ
শালবনের গুহার মাঝেই
ময়নামতির গল্পগুলো
অথবা অভিমানী নদী ভাঙতে ভাঙতে
সুদূর সীমা ছাড়িয়ে যায় যেথায়
উদাসী সমীরণে সোনালী স্বপ্ন
ধানের শীষে দোল খাই
প্রকৃতির দোলনায়
সেই আমার বাংলাদেশ আমার স্বদেশ
তুমি কি দেখেছো শুভলং পাহাড় থেকে
কাচালং পাহাড় কত দূর
কাপ্তাই নদী কত মহান স্মৃতির সাজ
আমাকে বিমোহিত করে চলেছে অনন্ত
সেই আমার স্বদেশ আমার বাংলাদেশ
যদি কোনদিন পদ্মার তীরে দাঁড়িয়ে
আরিয়ালখা আলিঙ্গন করে যায়
নব যুবতী পদ্মায়
আমার বাংলাদেশ
আমার মানচিত্র তাকেই বলা যায়
আকাশ দিগন্ত মস্তক লুকায়
আমার অনন্ত বাংলায় ।
আজব দুনিয়া
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কি কারখানা খুলিলেগো তুমি
আজব দুনিয়া
কত্ত রকম রঙ্গলীলা তুমি
দিয়েছো খুলিয়া
আজব দুনিয়া ।।
কেউ হাসেগো সুখের তরে
কারো দুখে অশ্রু ঝরে
কি লীলাগো খুলিয়াছো তুমি
মানুষ সৃস্টি করিয়া ।।
এখন আছে এখন যে নাই
ভবের ঠিকানায় এই ভবের ঠিকানায়
কত রুপে সাজাইলেগো তুমি
আলো আধার বানাইয়া ।।
তিতা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
তিতা তিতা মহা তিতা
তিতার বাড়ী ঘর
অতি তিতা করলে তবে
আপন হয়রে পর ।।
খাওয়ার তিতা সহ্য হয়রে
কথার তিতে সয়না
কথার তিতায় তিতে হইলে
আপন কেহ রয়না
কথার তিতের মহা ঝড়ে
ভাঙ্গে মনের ঘর ।।
তিতা কথায় পিতা হারায়
হারায় পুত্রধন
তিতে কথার যাতনাতে
ক্ষত সারাক্ষন
তিতে কথায় ভয় লাগে
লাগে মহা ডর ।।
কবিতা খেয়ে ফ্যালে কবি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কবিতা খেয়ে ফ্যালে কবি
মেঘ গিলে ফেলে রবি
কারো কারো তৃষিত নয়ন
ক্ষুধিত করে তোলে যৌবন
ক্লান্তি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
হাটিতে হাটিতে তব ইচ্ছেগুলো যদি ক্লান্ত হয়ে যায়
তবে জিরিয়ে নিও ক্ষনিক কারো হৃদয় ছায়ায়
যদি মায়া মমতার অনটনে
জীবনের স্বাদগুলো যায় বিসর্জনে
তবে সমুদ্রকে দোসর করে জলধীর ভীড়ে
ইচ্ছেগুলো বিলিয়ে দিও সিন্ধুর তীরে
কারো অবহেলায় যদি জীবনে নামে আধার
কোন কালো হাত যদি করে দেয় সব ছারখার
বিবর্ন ইচ্ছে গুলো ভাবনার অন্তরীপে
পরিনত হয়ে যায় ভয়ার্ত সরীসিপে
পৃথিবীর সুন্দরগুলো অসুন্দরের যবনিকায়
অনন্ত তিমিরে যদি হারিয়ে যায়
অবিরাম কোলাহলে টলমল
বিন্দু বিষাদ গুলো সিন্ধুতে হয়ে যায় জল
মানুষ অমানুষ হলে
সর্বনাশী তরঙ্গ তবে সমুদ্র তলে।
পূর্ণতা দিওনা আমায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
আমার সমগ্র সুখের নাম শূন্যতা
আমার সব প্রাপ্তির নাম শূন্যতা
আমার সকল সৃষ্টির নাম শূন্যতা
এই প্রিয় শূন্যতা কে মুছে দিয়ে মমতায়
কেহ ভরে দিওনা আমায় পূর্নতায়
তাহলে হারিয়ে ফেলব প্রিয়তম সব
শূন্যতাই আমার সৃষ্টির মহা উৎসব
যদি কেহ অতি প্রশংসায়
ভরে দাও মোকে পূর্নতায়
তবে সেজন
মোর প্রিয়তম দুশমন
অনন্ত শূন্যনীলে যে আকাশ চমকায়
অশেষ ভরালে যেই সমুদ্র কুলখায়
বুঝে নিও সেও আছে
কোন না কোন শূন্যতায়
আমি কোনদিন পূর্ণতা চাইনি
শূন্যতার দাহন সদা মম প্রিয়তম
শাওনের বারিকনায় খুজে পেয়েছি
আমি যত স্বজন
এখনো আশা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
এখনো হামায় আশা যোগায়
তব মুখের হাসি
সেই হাসিতে নীরব কথন
ভালোবাসি ভালোবাসি ।
এখনো আকাশ মেঘের কোলে
মৃদু আলো ছড়ায়
কাজল কালো আকাশ থেকে
অশ্রু মায়া জড়ায়।
এখনো নদী একুল ভেঙ্গে
ওকুলটা ফের ভরে
নয়নাকাশে কারো কারো
বৃস্টি আজো ঝরে ।
আর্ত চিৎকার
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মাঝে মাঝে ঘুমন্ত তিমিরে ভয়ার্ত আর্ত চিৎকার
বিভীষিকাময় পৃথিবী অনন্ত অন্ধকার
অনল প্রপাত অনন্ত জ্বলছে
তিমির হৃদয় গ্রহে
যেইগ্রহের উপসর্গ গুলো এখনো অচেনা
সমগ্রতে অশান্ত অনলকনা
মঙ্গল গ্রহের মত কেহকেহ পাথফাইন্ডার পাঠায়
লক্ষ নক্ষত্র কৃষ্ণ গহ্বর গিলে খায়
এখনো জানিনা নিরাপদ আবাস কোথায়
প্রানের গ্রহে শতবর্ষ পরপর যে মহামারি ছড়ায়
সেথায় আর্ত চিৎকারে কি হবে আর
ভয়াল স্বপনে চিৎকার করিলেও বারবার
কে শুনিবে কার কথা
,আমার সমগ্র গ্রহে আঁধারের নিরবতা।
এসো ভাই হিটলার
মাহমুদুল হাসান নিজামী
এসো ভাই মহাবীর হিটলার এসে যাও আবার
এসে যাও আবার।
বাকি যা বেঁচে আছে ইহুদির বাচ্চা
বিনাশটা করে দাও -সমূলে করে দাও ছারখার।
ঐ দেখো আকসার মিনারে শিশুদের চিৎকার।
ঐ দেখো রমনীর ক্রন্দন বিধবার হাহাকার।
কোথায় আজ ওমরের সাওয়ার,
কোথা তুমি প্রিয়তম হিটলার?
সবাই আজ এসে যাও হয়ে একাকার
ইহুদির বংশ করে দাও ধংস করে দাও ছারখার। অসাহায় মানুষের ক্রন্দনে
রক্তের বন্যা বইছে কেনানে।
ঈসা মুসা নবীজি মুহাম্মাদ
সেই তো আকসার প্রিয়তম সম্পদ।
ইতিহাস কত কথা কয়ে যায় বারবার
আসমানে লেগেছে আকসার মিনার।
বিশ্বটা কাদছে ইহুদির হিংসায়
বিশ্ব বিবেকটা তুমি আজ কেথায়?
এসে যাও প্রিয়তম ভাই, এসে যাও হিটলার
রুখে দাও ইহুদীর যত জুলমত -রুখো অত্যাচার ।
বেলা যায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বেলা যায়রে বেলা যায়রে
বেলা চলিয়া যায়
টিক টিক টিক ঘড়ির কাঁটা
সেই কথাটি বলিয়া যায়।।
সকাল গেলো ঘুমের ঘোরে
বিকেল কাটে আডডাতে
পরনিন্দা খুজে খুজে
বেলা যায়রে সাথে
কি পাইলাম আর কি পাইলামনা
মিছে দুনিয়ায়।।
যেই সময়টা চলিয়া গেলো
আসিবেনা আর ফিরে
হায়াত তোমার যায় চলে যায়
সদা ধীরে ধীরে
এমন কিছু যাও করে যাও
অমর স্মৃতি পাতায় ।।
মেঘভরা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মেঘেভরা আকাশে রংধনু হাসে
বাদলা বিকেলে নব অনুপ্রাসে
বিদ্যুৎ চমকায় মেঘে কর্ষন
ছটফট করছে বিরহী মন।।
দূরন্ত বৈশাখে
উড়ন্ত মেঘ এসে
দোলা দেয় মন
সে এখন আছে কেমন
সে হয়তো ভাল আছে
আকাশটা ভাল নেই
অবিরাম বজ্রের ঘর্ষন ।।
ঝড় যদি এসে যায় অবেলায়
বৈশাখী দমকা হাওয়ায়
আলো আধারে খেলা করে
বাদলা দিনে একা প্রহরে
মনটা করে কেন ছনছন
অধরা অনুভবে কেমনজানি
লাগছে আজিকে কেমন কেমন।।
রঙ্গিলা পাখি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ওরে মন রঙ্গিলা পাখি
হারের খাচায় অন্ধকারে
কেমনে তোরে রাখিরে
কেমনে তোরে রাখি ।।
হঠাৎ পাখি পালিয়ে যায়
উড়িয়া উড়িয়া কোথায় যায়
আখিরে দেয় ফাকি
ওরে মন রঙ্গিলা পাখি ।।
মন পাখিটা উড়িয়া উড়িয়া
দুনিয়া দেখে ঘুড়িয়া ঘুড়িয়া
একলা আমি থাকি
পালিয়ে যায় রে সাকি ।।
অভাব অনটনে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অভাব আর অনটনে
মানুষ হলে সন্তান
রাখিবে স্মরনে
পিতা মাতার অবদান
কতোকি সমস্যায়
রেখেছেন বলে তাই
সর্বদা মানুষে
মনে রাখে স্রস্টায় ।
কে তুমি ডাকছো
মাহমুদুল হাসান নিজামী
চঞ্চলা কেনো গো তাহারো লাগিয়া সদা নির্জনে
কে তুমি ডাকছো উতালা করিয়া দখিনা সমীরনে ।।
কে তুমি কে তুমি কে
অধীর করে তোল নিরবে ডেকে ডেকে
দাওনিতো দেখা তবে কভু
চঞ্চলা কেনোগো রূপেতে তব আমি যে তবু
অধরা কে যেন সদা ডাকিছে দখিনা বাতায়নে ।।
ভালো লাগে কেনোগো একা থাকিতে
খুজে পাই তারে সদা নির্জনতাতে
নীলের ঐ নীলিমায় নির্জনতায়
প্রিয়তম তাহাকে যেন খোজে পাই-
মউজের গর্জনে অরন্য বনে ।।
ভালোবাসা বিচ্ছেদ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
একজনে যদি করে জেদ-অভিমান
বেড়ে যায় ভালোবাসা চঞ্চলা প্রান
দুই জনই করে যদি অভিমান জেদ
তাইতে ভালোবাসা হবে বিচ্ছেদ
কালো মানিক
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বাবু পাড়ার কালো মানিক কৃষ্ণ সুন্দর অনন্যা
ফরিদা ইয়াসমিন সুমনা
অনুপমা চপল কর্ম চৌকসে
কালো গোলাপ হাসে
কালো না থাকিলে আলোর নাহি মুল্যায়ন
কালোতে আলো হাসে দন্ত কিরন
শীতলক্ষার জল করে টলমল অনন্ত অনুপ্রাসে
আমাদের সুমনা হাসে
সৃস্টির উচ্চাসে কবিতার প্রসব বেদনায়
কালো গোলাব বিষাদ বিষন্নতায়
নদী আর নীলিমা তাহার মত
সৃস্টি উপসর্গ অনন্ত অবিরত
ফতুল্লা হতে বন্দর ঘাটে
ক্লান্ত পায়ে আমাদের কবিতা সুমনা হাটে
সোনার গাও এর সুমনা প্রিয় সুহাসিনী
সোনা বিবির নব পতাকা কবিতার নবরানী
দলকানা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নির্বোধ বিবেকহীন সর্বদা দলকানা
পরমত সহেনা উন্মাদ ষোলোআনা
দলচেয়ে দেশ বড় মানুষের তরে দেশ
দেশ ভালো থাকেনা ছড়ালে বিদ্বেষ
মানুষের খোলসে সেই এক জানোয়ার
বিবেকহীন দলকানা দেশকরে ছারখার।
দলকানা 2
মাহমুদুল হাসান নিজামী
আজ আছে এই দল
হয়তো কাল থাকবেনা
নির্বোধ বিবেকহীন
হোও কেনো দলকানা
আজ কর যেই দল
হয়তো কাল করবানা
আজ তোর যেই মত
কালকে তা রইবেনা
আবেগ আর উচ্চাস
সত্যটা বুঝেনা
মিথ্যা তাড়নায়
কারো ক্ষতি করোনা ।
মিথ্যে কথা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কে বলেছে সব শেষ হয়ে গেছে
মিথ্যে কথা - শেষের ও শেষ আছে
যদিও জীবন হয়ে যায় অবসান
তবুও কতো রয়ে যায় নমুনা নিশান
যেথায় দিগন্ত সীমা হয়ে যায় শেষ
সেথা হয়ে যায় অন্যকোন গ্রহের প্রবেশ
শক্তিমানের কতো নিঠুর নির্মমতা
ধারন করেছে সব কাগজের পাতা
শেষ হয়েও কতকিছু অশেষ রয়ে যায়
অশেষ ইতিকথা ঘৃনিত অথবা নন্দিত অধ্যায়
প্রহরীহীন কবরে একাই অত্যাচারী কতো মহারাজ
কোথা জালিমের সাজ সামন্ত আজ
শেষের পর ও অশেষ রয়ে যায় অভিশম্পাত
অশেষ অন্ধকার অনন্ত কালো রাত।
ও ভাই পুলিশ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ও ভাই পুলিশ
পুলিশতো পুলিশ নেই হয়ে গেছে গুলিশ
কারো দেব নালিশ
ট্রীগারটি টেনে টেনে করে দেয় সালিশ
স্রোতের গতি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
স্রোতের গতি বন্ধ নয়
ঘুরিয়ে দিতে হয়
নইলে তবে লোহার বাধও
ভাঙ্গার থাকে ভয়
বদলে যায় জীবন
কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী
ভিজলে কাপড় জলেতে
বদলাতে হয় বসন
ভিজলে শরীর ঘামেতে
বদলে যায়রে জীবন।
পরিশ্রমে আনে ধন
সততায় সুখ
দেহের ঘাম মুছে দেয়
মনের যত দুখ।
স্রষ্টার খোজ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
আল্লাহ ইশ্বর খুজিস তোরা
মসজিদ আর মন্দিরে
সৃষ্টির প্রতি বিন্দু কনায়
দেখেছি আমি স্রস্টারে
স্রষ্টা পেতে ন্যাংটা কেহ
কেহ জঙ্গী মাতাল খুনি
জোয়ার ভাটার মাতাল স্রোতে
হামি স্রষ্টার কন্ঠ শুনি
অমত হইলে তোদের মতের
ফতোয়া ছাড়িস ইচ্ছে মত
দুই মুহারাত
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ভাগ্যের রজনী দুই
মহারাত
শবে ক্বদর আর
শবে বরাত।।
আজি যাহা কিছু চাওয়ার আছে চেয়ে নাও
মনখুলে
আল্লাহ তোমাদের নিকটে চাও -
দু হাত তুলে
চাওয়ার মত যদি চাইতে পারো-
কবুল হয়ে যাবে দুই হাত।।
রহমত ঝরছে তোমাদের লাগিয়া
আজি সবদিক
বছরের লাগিয়া বন্টন হইবে
তোমার রিযিক
আল্লাহ তোমাদের আর্জি শুনিবেন
আজ সারারাত।।
এবং
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কতো প্রিয় আমাতে ঐ অমাবস্যা রাত
খুঁজে পাব হয়তো সেথা জোনাকীর সাক্ষাত
জোছনা রাতটি আহা কতো বিব্রতকর
নক্ষত্ররা হয়ে যায় আসমান মম পর
ভাঙতে ভাঙতে পরিশুদ্ধ হয়ে যায় মোর মন
চুরমার হই তাইতো হামিপ্রতি প্রহরে প্রতিক্ষন
এবং সকলে ভেঙ্গে দাও
আরো যত পারো আমাতে/?
ভাঙ্গনের চিৎকারে গর্হিত হই রোজই মধ্যরাতে
চোখকোনা করি হেতি কিল্লায় চায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ভাবীগো ভাবী হেতি এইচ্চা করি চোখ কোনা করি কিল্লায় চায়
হেতি এইচ্চা করি ধারাইল্লা চোখে চাইলে
আর কইল্লাখান আচমকা মুছড়ায়
হেতির চোখের মধ্যে যাদু আছে
এই চৌকদি হেতি আরে হরানে মাচ্চে
ভাজিগো ভাজী আর হরান খাইল্লা
ছটহট করের হেতিল্লায়
আই এখন কি করমু গো ভাবী
কোন হথ ন হায়
এরে হুড়াকুয়াইল্লা আই তোর
এতো ছুন্দর ভাবী থাইকতে কালিল্লায়
হাগল অইছোছ কিল্লায়?
আয় আয় আর কাছে আয়
তোর বেগ্গিন স্বাদ দিমু মিটায়
নাগো ভাবী ,হেতি কালা অইলেও
হেতির চোক দুইখান
যেন্ বিহেশতের মুক্তা মারজান
হেতি একবার কোনাচোকে
আর মিইক্কা তাকাই চাইলে
চান সূর্য যেন্ হাতে মিলে
নারে বোকা না, বেগ্গিন এক হমান
বাত্তি নিভাইলে আনধারে
আয় আয় বেগ্গিন বুজাই দিমু
আতে কলমে তোরে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন