মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪

শ্রেষ্ঠ বাংলাদেশর কবিতা

সুন্দর মানে ২০২৪ /৩

 মনের ধর্ষণ গুরুতর
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

মনে সবে বহুগামী মনটা ঘুরে সবার
উপরেতে সাদা খো

ভালো বউ ভালো বই
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

ভালো বউ ভালো বই
পাল্টে দেবে জীবন
অন্য রকম সুখেতে
 আপন হবে ভুবন ।

ঘুম 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিলো
দিবসে যাহারা অর্ধদিন
কেমনে দেখিবে স্বপ্ন তাহারা
দুখেতে জীবন হয় মলিন। 


হ্যাপি বার্থডে 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

হ্যাপি বার্থডে মে লং লাইফ ব্লুমিং
 শুভ হোক শুভ হোক  তব জন্মদিন 
আনন্দ উচ্ছাস সারা জীবনে 
থাকুক থাকুক তব অমলিন
হ্যাপি বার্থডে মে লং লাইফ ব্লুমিং
শুভ হোক শুভ হোক তব জন্মদিন ।।

অতীতের যত আছে ক্লান্তি
মুছে যাক মুছে যাক সব শ্রান্তি 
আগামীর স্বপ্নটা বর্ণিল হোক
সারাটি জীবন হোক রঙিন।। 

আজকের স্মৃতিটা অনন্ত হোক
 আগামীটা হোক তবে ক্লান্তিহীন
সুখ আর শান্তিতে ভরে যাক
জীবনের প্রতিটি দিন ।। 

তেল
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

তেল দিলে তেল পায়
ফাঁকা মাথায় তেল
তেলটা কোথা দেব
      চাচাজীর মাথাতো
      পুরাটাই বেল ।


বুদ্ধিজীবী 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

বুদ্ধির প্রেশারে বেল হলো মাথাটা
তেলবাজী করে তিনি পেয়ে যান ভাতাটা
একটু ঢলঢলে পান্জাবীর হাতাটা
ব্রোকারী করে পান অন্যের ছাতাটা।
পাচকে সাত করেন ,সাতকে নয়
তেলবাজী করে নেন যতসব  জয়
বুদ্ধিজীবী তিনি হামারী দেশটায়
তিলকে তাল করে মেতে থাকেন বেশটায়। 


ভাব বাজী
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

সস্তারা সস্তা ভাবে
দামী ভাবে দামী
ভাববাজী জানেনা 
কবি নিজামী

বাংলাদেশ
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

লঙ্কা ছিল না ভারত ছিল না ছিলো না পাকিস্তান তখনো আমার দেশটা ছিল ইতিহাসে অম্লান
 বঙ্গদেশ আমার বাংলাদেশ ।।

হাজার বছর সাত হাজারে ইতিহাসের পাতা
 গৌরবের বাংলাদেশের সেই সে কত কথা 
গৌর ছিল রাজধানী শত বছর ধরে 
 ইতিহাসের সেই কাহিনী ভুলবো কেমন করে যশোধর্মনের বঙ্গদেশ প্রথম স্বাধীনতা 
গৌরবের কত কথা
 রাজধানী সোনারগাঁ 
ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ 
দুইশো বছর স্বাধীন ছিল 
দ্বিতীয় বাংলাদেশ সুবর্ণ অশেষ ।। 

জাহান জাহাঙ্গীরনগর মুর্শিদাবাদ 
আমার রাজধানী 
সুভাষ বসু শহীদ তিতু 
শরীয়ত উল্লাহ শওকত আলী 
শেরেবাংলা সরওয়ার্দী প্রিয় ভাসানী 
মোদের যত গৌরব সব তোমাদেরী
নতুন করে জাগালে গো ঘুমন্ত মোর হিয়া 
ইতিহাসের নব নায়ক মুজিব এবংজিয়া 
এনেছিলে স্বাধীনতা তোমরা সর্বশেষ ।।

অবিশ্বাসী মন
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

যখন যার কাছে যায়
রমনী হয়ে যায় তার
সুন্দর স্বপ্ন গুলো 
করে দেয় ছারখার। 
তেল পেলে তৈলায়িত
বোধের শূন্যতায়
অবিশ্বাসী মন কায়ায় কায়ায়
নয়নে নয়ন দোল খায়। 



শত্রুতার জবাবে
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

যেইসব সফলতায়
শত্রুরা বেশী জ্বলে
সেই সব বেশী করো
মুখে কথা না বলে। 

শত্রুতা জবাবে
শত্রুতা কভু নয়
মূল্যবান  সময়টা 
অযথা হবে ক্ষয়। 

সেরা
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

সেরা চিনতে লাগে সদা
সেরা একটি জন
জ্ঞানে আর গুনে ভরা
বোধের দুই নয়ন। 


বই ও বউ
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

বই সদা খোলা রাখো
বউ রাখো ঢেকে
অন্যথা পালাবে
তোমাকে রেখে। 

বোকা
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

যাহার কাছে আসল নকল 
চেনার নাহি বোধোদয় 
তাহার কাছে চকচকে সব 
আসল বলে মনে হয় ।
এদের বলে বোকা
পথে পথে খায়রে ধোকা। 

দুই টি ভাষার দিন
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

উনিশ মে ভাষা দিবস
বরাক বরাক বরাক
শিলচরের রক্ত আগুন
ভারতবর্ষে ছড়াক ।
আসামের শিলচরে
বাংলা ভাষা খুনকরে
 ভারতীয় মিশিনগান
ঝরলো আমার বর্নমালা
এগারোটি তাজা প্রান। 
আটই ফাগুন ভাষা দিবস
ফেব্রুয়ারী একুশে 
রক্তনদী সৃজন করে
পাক হানাদার পুলিশে।
পাক -ভারত দুই  হানাদার
দুই দুশমন বাংলা ভাষার 
আটই ফাগুন উনিশে মে
দুই টি ভাষার দিন
বজ্র মিছিল শোধ করিবে
আমার ভাইয়ের রক্ত ঋণ। 

আত্মসাত
মাহমুদুল হাসান নিজামী

ডাইনী আমার সব একাই আত্মসাত করতে চায়
আমার শরীর আমার ইচ্ছে আমার শুক্রাণু 
সব সে একাই আত্মসাত করতে চায়
 একজন কবি গনমাল অবোধ জানেনা সে কথা
কবির দশ হাজার কোটি তন্তীকোষে
দশ হাজার কোটি ভালোবাসার বসবাস
একজন কবি দশহাজার কোটি ডিম্বাণুর খোরাক। 
কবির শুক্রাণু   কোটি ডিম্বাণু খোঁজে সদা সর্বদায় 
অতৃপ্ত আত্মায়।
রাত আসে রাত ফুরিয়ে  যায়
দিন আসে,দিন ফুরিয়ে যায়
চরিত্রহীন শুক্রাণু নিত্য নতুন ডিম্বাণু খোঁজে
অবোধ অন্ধ চোখ বুজে। 
সঞ্চয় 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

সাশ্রয়ী না হলে
হইবেনা সঞ্চয় 
দুঃখটা বয়ে আনে
অযথা অপচয়। 


দুশমনি 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

 থাকে যদি সুন্দরী 
আর মেধা-ধন
তার পিছে লেগে থাকে
সদা দুশমন । 

সন্দ্বীপ
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

আমার সকল আবেগ -প্রীতি হৃদয়ে অন্তরীপ 
সাগর কন্যা তাহার কোলে দুলছে গো সন্দ্বীপ হুদ্রাখালির উদীচী বহে মেঝো ফুফির বাড়ি 
অচিন পুরের দূর সমীরণ দেয়গো আমায় নাড়ি কাজিরখিলের কাজি বাড়ি এখন কোথায় ভাই বুকের ভিতর ঝড় বহেছে স্মৃতির মিনারায় বাটাজোড়া-তেলিরহাট 
সাহেবানী মসজিদ ঘাট 
বুকের অনল স্মৃতি 
সেইতো মম জন্মভূমি লক্ষ হাজার প্রীতি 
কাঁদায় শুধু স্মৃতি মমে 
সাগর ডাকে জন্ম ভূমে
সতাল খালের বাঁশের সেতু কোথা পাবে ভাই 
আগের কিছু এখনতো আর আগের মতো নাই।



অভিমান 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

অতি বেশী ভালোবাসা
 যার কাছে চায়
তার সাথে অভিমান 
কথায় কথায়। 
সব মান অভিমান 
যত আবদার 
যার কাছে ভালবাসা 
তার কাছে তার। 


স্পর্শের অনুভবে 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

স্পর্শের অনুভবে যদি ধরে কম্পন
ইচ্ছের আরাধনায় হাসিবে নব স্বপন
যদি বসন্তের ধূসর গোধূলি বেলায়
রক্ত আকাশ বর্ণিল প্রহর ছুঁয়ে যায়
হালের ছবি শিহরিত করে দুই নয়ন
আঁধারে জোনাক ভাবনার অনু চিত্রন
হিয়ায় পুলকিত ক্ষন কে যেন আসে 
মায়াবী ছোঁয়ায় নব কবিতা নব অনুপ্রাসে
ছুঁয়ে দিও প্রিয়তম মমতার হাত
কেটে যাবে রাত হাসিবে নব প্রভাত। 


নদীর চিৎকার
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

কষ্টগুলো অন্যগ্রহে জমা রাখবো
বিষাদের অলংকারগুলো
 যেন কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে
নস্টগুলো ইচ্ছের ডাস্টবিনে 
যেন সৃষ্টির জমিনে উর্বরতা আনে
যদি কোন তিমিরে শংকিত মন 
দিয়ে যায় প্রলাপের স্বকথন
নস্টপ্রহরগুলো একাকীত্বের গ্রহে
আধারের দোসর হয়ে যায় 
রাতের শেষে নদীর চিৎকার
তনিমা সুন্দরে অন্যরকম চমৎকার
কোন কোন চিৎকার শিল্পীর উপকরন
সৃষ্টির উর্বরতা এনে দেয়
কোন কোন ক্রন্দন। 
কোন কোন হাসি
খুব সর্বনাশী। 


 
চুপ চুপ চুপ 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

চুপ চুপ চুপ 
তালা মারো মুখ
কথা কম কাজ বেশী 
পাইবে সুখ ।।

কথা থেকে কথা আসে
আজেবাজে কথা
কথা থেকে সুখ আসে
কথা থেকে ব্যথা
কোনো কথা বয়ে আনে
যত সব দুখ।। 

 বেশী কথা বলিলে
ভুল কথা বের  হয়
এক কথা ভুলেতে
ইজ্জত হয় ক্ষয় 
সংযত থাকে সদা
জ্ঞানীদের মুখ।। 




সেরা চিনতে
মাহমুদুল হাসান নিজামী

সেরা বোধটা থাকা চাই 
সেরাটা চিনতে
রুচিবোধটা থাকা  চাই 
ভালোটা কিনতে। 

 করিলে চকচক
সোনা কভু হয়না
মেকি আর আসলে
মিশে যায় গয়না। 

মুখোশটা খুলিলে 
আয়নায় দেখা যায়
আসল আর নকলের
ব্যবধানটা কোথায়। 


রমজান
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

আসসালামু আসসালাম
মানে রমজান। 
যেই মাসেতে নাজিল হলো
মানবতার ত্রান
নবধারার জাগলো ধরা
এলোরে কুরআন। 
সাধনারী শুদ্ধতায়
আসমানী ফরমান
হেরার মাঝে নব হেরা
রাসুলে আকরাম। 
হাজার রাতের সেরা
এই লাইলাতুল ক্বদর
বেহেশতেরী সওগাতে
আলোকিত প্রহর। 



রাস্ট্র আমি তোমাকে ট্যাক্স দেব না 
-  মাহমুদুল হাসান নিজামী 

রাষ্ট্র আমি তোমাকে ট্যাক্স দেব না
 তুমি আমায় রক্ষা করতে পারছ না 
সকাল ছয়টায় আগুন লাগে বঙ্গ বাজারে
 আর রাত আটটা পর্যন্ত রাস্ট্র তুমি আগুন
 নিভাতে পারছ না
 আমার জান মাল রক্ষা করতে পারছ না
 রাষ্ট্রের ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করলাম 
আমি জনতা আর এই ভারগুলোকে
 পালন করতে পারবনা 
      রানা প্লাজায় আঠারো দিন ইট পাথরের নিচে
  আমি বাঁচার জন্য চিৎকার করে মরি 
রাষ্ট্র তুমি আমায় রক্ষা করতে পারনি
আমি তোমাকে ট্যাক্স দিবো না ।

তুমি রক্ষা করে চলেছ তোমার কর্মকর্তা-
কর্ম কর্মচারীদের অথচ তোমাকে লালনের
 সব অর্থ আমি দিয়ে থাকি আমি জনতা 
আমাকে তুমি রক্ষা করতে পারছ না 
অথবা করছ না 
কারণ আমার হাতে বন্দুক নেই
 ফাইল আটকাবার ক্ষমতা আমার কাছে নেই
 ফাঁসি দেওয়ার ক্ষমতা আমার কাছে নেই 
সাজা দেওয়ার ক্ষমতা আমার কাছে নেই 
কারণ আমি জনতা আমি ক্ষমতাহীন 
রাষ্ট্রের প্রজা আমার প্রজাতন্ত্রে তুমি  কর্মচারী 
তুমি আমায় শোষণ করে চলেছ 
 তুমি আমায় রক্ষা করতে পারছ না 
রাস্ট্র আমি তোমাকে ট্যাক্স দেব না ।

বিশ ত্রিশ বছর ধর্ষিত হয় জনতার ফাইল
কোন সমাধান হয়না
আমি এমন কোন রাষ্ট্র মানি না 
আমি কোন হাতের শিকল মানি না 
কলমের খোঁচায় তুমি আমাকে শোষণ করবে 
আমি তা হতে দেব না
 আমি  জুলুমের যবনিকার মৃত্যু চাই 
শোষক রাষ্ট্রের পতন চাই 
আমি জনতা আমি রাষ্ট্রের মালিক 
অথচ তোমাকে আমার স্যার বলতে হবে
 আমি এই রাষ্ট্র এই রাষ্ট্রের কর্তা কাউকে 
লালন করতে আর ট্যাক্স দেব না।

গোলাম যখন প্রভু হতে চায়
 তখন  ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে হয়
 স্যার দাবিদার কর্তাদের  অফিস
 থেকে ঘাড় ধাক্কা মেরে বের কর
 অন্যথায় তোমাকে আমি ট্যাক্স দেব না ।

রাস্ট্র তুমি ফাইলের  অত্যাচার বন্ধ কর
প্রজাতন্ত্রের মালিক জনতায় 
তুমি রক্ষা করতে পারছ না 
আমি জনতা রাষ্ট্রের মালিক
 ঘুষখোর ব্যর্থ সব কর্মকর্তা কর্মচারীদের 
আমি জনতা বেতন বন্ধ করলাম।
 জয় হোক জনতার
রাষ্ট্র তুমি আমার রাষ্ট্র তুমি জনতার।




নব আলপনায় ভরে যাক 
  -  মাহমুদুল হাসান নিজামী 

ধুয়ে যাক সব পঙ্কিলতা তপ্ত রৌদ্র ঘামে
যদি ক্লান্ত বদনে বৈশাখী বৃষ্টি নামে 
নব সুন্দরে সাজুক নব প্রান
উড়ুক ঐ নতুনের নব নিশান
ওগো ও বৈশাখ 
অনন্ত শুভ্রতায় তব অনুরাগ
সুশীল সুন্দরে নব আলপনায়
স্বপ্নটা ভরে যাক কানায় কানায়  ।


কাল বোশেখী
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

গুড়ুম গুড়ুম আসমানী 
কালবৈশাখীর ঝড় তুফান
কখন জানি কি ঘটে যায়
থরথরে কাঁপছে প্রাণ ।

বাত্তিগুলো নিভু নিভু
আসমানীর ঐ বিজলীতে 
উড়ছে ডাল ঘরের চাল
কাল বোশেখীর ঘূর্নিতে। 

আম্মাজানে তসবি হাতে
আব্বাজানে মচল্লায়
প্রলয় শিখায় হঠাৎ করে
জানটা যেন নিয়া যায়। 


তেলবাজ অতিথি 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

তেলবাজ টাক সাহেব
তেল মেরে চলে
অপাত্রে তেল মারে
ফাও যারে তারে। 
তেল মারা অতিথি 
 পুজি তার তেল
কাধে এক থাকে ব্যাগ
মাথাটা বেল। 
 অযোগ্য অবোধে
তেল চায় ফাও
যোগ্যতা নাই যাহা
হতে চায় তাও। 
তৈলবাজ চামচা
ভিতরে খালি
তেলমেরে বোকাদের
কুড়ে নেয় তালি। 


পাপের পরিনতি 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

পাপের প্রথম পরিনতি 
অস্থিরতা অশান্তি 
ছটফট  মন
করে সারাক্ষণ। 


মৌলবাদ 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

ধর্মের নামে মানুষে মানুষে 
বিভেদ যাহারা ছড়ায়
রাজনীতির ভিন্ন মতে
ঘৃনা বিদ্বেষ পড়ায়
মানুষের মঙ্গল চায়না তাহারা
উভয় দলই নরাধম
উন্মাদনার বাক্যবানে
ছড়ায় বিদ্বেষ চরম। 
রাজনীতির হিংস্রবাদী
ধর্মীয় মৌলবাদ
আমি বলিবো মানুষ বাঁচুক 
হিংসুকেরা নিপাত যাক। 


প্রিয়তম এই ছবিটা
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

 হৃদয় সুরে  বাশি ওরে  অন্তপুরে মারে টান 
কোন বিরহী ডাকে মোরে সুপ্ত হিয়া জায়গায় প্রাণ ইচ্ছে গুলো আকর্ষনে অন্যরকম অনুচাষ
জোয়াল কাধে স্বপ্নগুলো নিসর্গের ঐ অনুপ্রাস
জল থইথই শিং কৈ উজান স্রোতে  উজানে
 বৃষ্টি গুলো ওহীপুরে মূষলধারায় নামে
নদীর নাম ইলুরিয়া যমুনার ঐ পাশে
 রাঙা গোলাপ অবয়বে ইচ্ছে গুলো হাসে
প্রিয়তম এই ছবিটা আমার বাংলাদেশ 
বৃক্ষ রাশি অবিনাশী রঙ্গের অতিবেশ ।





মিছিল
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

অন্য রকম শুদ্ধচাষে 
রক্তকনা পিছিল
বজ্র নিনাদ ক্ষুদ্ধ স্বরে
 মিছিল এলো মিছিল।
আমজনতার নামলো জোয়ার
অধিকারের স্লোগান 
তিতুমীরের বাশের লাঠি
করলো আমায় ত্রান। 
অধিকারের দাবী আমার 
           জাগলো মতিঝিল 
মানিনা মানবোনা
মিছিল এলো মিছিল। 
মিছিল মানে সমস্বরে
জাগলো হাজার মুখ
মিছিল মানে ভয়ে কাপে
অপরাধীর বুক।
মিছিল এলো মিছিল 
মিছিল এলো মিছিল।



যদি খাঁটি হয় প্রণয় 
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

যদি খাঁটি হয় প্রণয় 
প্রিয়তমের সকল দোষ লুকিয়ে রয় 
যদি ভালোবাসা হয় খাঁটি মমতাময়
তাহার কাছে অন্য সবি তুচ্ছ মনে হয়
মমতার অর্থ বুঝেনা হৃদয়হীন
কি বুঝিবে আহা! বেঅফা ভাবনার দীন
জ্ঞানের গহীনতা নাহি যাহার
তাহাকে ঘিরিয়া ধরিবে শুধু অহংকার ।
অহংকারের অন্ধকারে ভুল ও মনে হয় ঠিক 
অবোধ বুঝেনা কিছুই আপন ভাবনার বিপরীত। 


বেয়াদব
মাহমুদুল হাসান নিজামী 

অভদ্র বেয়াদব 
হারাবে সেসব
 বেয়াদবের দুর্গতি 
হবে না উন্নতি
থাকে যদি বিনয়
সবকিছু হবে জয়। 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন