শুক্রবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৪
বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৪
তেল
তেল
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নিজেতে শূন্যতা
খালি যেইজনে
অন্যতে তেল মারে
কিছু আহরনে।
উপহার
উপহার
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বিনয়ী ব্যবহার
ছোট এক উপহার
বেঁধে ফেলে মনটা
মায়াতে মমতার।
নগন্য উপহার
টেনে নেবে বারবার
যদি থাকে মন
হয়ে যাবে আপন।
মঙ্গলবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৪
শুক্রবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৪
বৃহস্পতিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৪
বিখ্যাত বাংলা কবিদের কবিতা
যে যেভাবে ভালো থাকে
থাকতে দাও তাকে
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
যে যেভাবে ভালো থাকে
থাকতে দাও তাকে
সবাইতো নিজের মতো
স্বপ্নগুলো আকেঁ।
মনের ভেতর মন রেখে
মনের মতো চলে
ইচ্ছেগুলো কাজের মাঝে
মনের কথা বলে।
যে যেভাবে চলতে চায়
চলুক তাহার মত
নিজের মতে নিজে চলায়
শান্তি অবিরত।
নিজের মতো নিজে চলা
মনের অভিলাষ
কারো মতে বাঁধা পেলে
অন্য পরিহাস।
বিখ্যাত বাংলা কবিতা
গুরুত্বহীন আমন্ত্রণ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
গুরুত্বহীন আমন্ত্রণ
করলে তবে অংশগ্রহন
কমে যাবে তব মান
মুল্যবানের অপমান।
যে বুঝেনা মানির মান
অবোধ সে নাদান
রক্ষা করতে নিজের শান
তাহার থেকে সরে যান।
মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল, ২০২৪
সেরা মানুষের জীবনী
একটিপরিচয়
কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী (বাংলাদেশ)
কবি , গবেষক ও সম্পাদক - দৈনিক দেশজগত । ২০২১ গ্রন্থমেলা পর্যন্ত প্রকাশিত গ্রন্থ- ১২০ টি । কবি নিজামীর লেখা ও প্রচারিত গানের সংখ্যা এক হাজারের ও বেশি। যা গুগলে মাহমুদুল হাসান নিজামী লিখে সার্চ দিলেই পাওয়া যায় । সাহিত্য -কবিতা- ছড়া ইতিহাস ও গবেষণা সহ বিশ্ব সাহিত্যের শেখ সাদী , ফরিদ উদ্দিন আত্তার ও ইমরুল কায়েসের কবিতাগুলাের বাংলা ভাষায় সর্ব প্রথম কাব্যানুবাদ মাহমুদুল হাসান নিজামীকে পরিচয় বিস্তারে অনন্য করে তুলেছে । ড . মুহাম্মদ শহীদউল্লাহর পর আরবী , ফার্সি , উর্দু , ইংরেজিসহ বহু ভাষা জানার মানুষ মাহমুদুল হাসান নিজামী ছাড়া দ্বিতীয়জন পাওয়া দুষ্কর । বহু ভাষার অলংকারে মাহমুদুল হাসান নিজামীর লেখা কবিতাগুলো বাংলা সাহিত্যে নবসংযোজন সৃষ্টি করেছে । জাতীয় কবিতা মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা- কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী বাংলা সাহিত্য ও বানান সংস্কারের নবধারা তৈরিতে অনিবার্য প্রাণপুরুষ । ইউটিউবে Mahmud Nizami লিখে সার্চ দিলেই সামনে এসে যাবে তার সৃষ্টি সমগ্র । মাহমুদুল হাসান নিজামী ১৯৭১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার কালাপানিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন । পিতা- মরহুম মাওলানা আবদুল্লাহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা , মাতা - মরহুমা মায়মুনা খাতুন ।
সেরা বাংলা বই
কাব্যরত্ন
কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী-
বাংলা সাহিত্যে নতুন
কালজয়ী সংযোজন -
ড. সাদিয়া আফরিন
------------------------------------------------------
মাহমুদুল হাসান নিজামী- কবি,গীতিকার,আবৃত্তিকার,ক্বারী .পিতা-মরহুম মাওলানা আব্দুল্লাহমাতা-মরহুমা-মায়মুনা খাতুন .জন্ম-১লা ফেব্রুয়ারী ১৯৭১. প্রকাশিত গ্রন্থ- ১২০ টি আবৃত্তি ও লেখা গানের সংখ্যা হাজরের অধিক। যা তার নামে খুজলে গুগলে পাওয়া যায় । .জন্মস্থান-কালাপানিয়া-সন্দ্বীপ-চট্টগ্রাম .স্থায়ী বসবাস-কাউখালী-রাঙামাটি.বর্তমান ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন .
তার আলোচিত সাহিত্য সম্ভার :
মহাকবি শেখ সাদীর বিশ্বজয়ী ”গুলিস্তা ও বোস্তা” বই দুটির এক হাজার বছর পর ”র প্রথম কাব্য অনুবাদ এবং আরবী সাহিতের ইমরুল কায়েস সহ বিশ্ব সমাদৃত সেরা দশ কবির সেরা ”আরবী সাহিত্যের সেরা প্রেমকাব্য মুয়াল্লাকাত” এর দেড়হাজার বছর পর পুরনো ঔকাব্য অনুবাদ এবং বাঙ্গালী জাতির সাত হাজার বছরের অমূল্য ইতিহাস “সাত হাজার বছরের বাঙ্গালী ও পনরো শ বছরের বাংলাদেশ” এবং সাহিতত্যের উপর সফল পুস্তক ”সাহিত্য পরিচয়” ও মানব সভ্যতার উথ্থান ও বিকাশ নিয়ে “সভ্যতার ইতিকথা” ও প্রাচীন মানব সভ্যতার ইতিহাস ; দেহ তত্ব ও মনএবং সৃষ্টি তত্ব নিয়ে “সৃষ্টি তত্বও বিজ্ঞান : পাশ্চাত্যের সাহিত্য তত্ব ; বিশ্বময় মুসলিম সম্রাজ্য বিস্তারের ইতিহাস ফরিদ উদ্দিন অঅাত্তারের পান্দনামা কাব্যানুবাদ নিজামীর নিজের লেখা চার হাজার কবিতার বই সমুহ লিখে বাংলা সাহিত্যে অমর কৃতিত্বের স্বাক্ষর করে ”বাংলা কাব্য পরিবার” ঘোষিত কাব্যরত্ন খেতাবে ভূষিত হয়েছেন- কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী
কর্মপরিধি
: মাহমুদুল হাসান নিজামী’র কর্ম পরিমন্ডল অনেক প্রসারিত । তিনি একাধারে কবি,গীতিকার,সুরকার আবৃত্তিকার ,কথাশিল্পী,চিত্রশিল্পী ,ক্বারী,ব্যবসায়ী , রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক ,শিক্ষক এবং গবেষক ।সম্পাদক দেশজগত পত্রিকা ও প্রতিষ্টাতা জাতীয় কবিতা মঞ্চ : এত গুনের সমন্বয় সত্যিই বিরল অবিশ্বাস্য । তাঁর সান্নিধ্যে না এলে তাকে চেনা যাবে না মোটেও ।বেশভ’শায় এত সাধরণ মানুষ অথচ এত গুনের ভারে নুয়ে আছে সমঝদার ছাড়া তাকে মূল্যয়ন বা খালি চোখে দেখার মাঝে আর তার গুনের গহীনে প্রবেশ তাকে সম্পুর্নর্ ভিন্নমাত্রায় পরিচয় করিয়ে দেবে কালজয়ী মানুষদের তালিকায় ।মাহমুদুল হাসান নিজামী প্রসঙ্গে এ সময়ের বাংলা সাহিত্যেও প্রধান কবি আল মাহমুদ বলেছেন-”তার শব্দ ও উপমা প্রয়োগ নতুনত্বের সমাহারআমার মত বয়োবৃদ্ধ কবিকেও পুলক সৃস্টিতে পারঙ্গম হয়েছে ।”
এছাড়া প্রখ্যাত কবি ও অনুবাদক জ্যোতির্ময় নন্দী মাহমুদুল হাসান নিজামীকে
প্রকৃতি ও প্রণয়ের কবি” অভিধায় ভুষিত করেছেন নিজামীকে নিয়ে লেখা তার সাহিত্য বিষয়ক প্রবন্ধে ।মাহমুদুল হাসান নিজামী’র লেখা ও সুরে যখন হামদ-নাত গুলো শোনাযায় যখন বিভিন্ন মিডিয়ায় তখন যেন নজরূলের পূর্নছায়াই তার মাঝে প্রতিবিম্ব হতে থাকে ।যেমন –
ওগো হাজী ভাই-
আমার একখান সালাম দিও হযরতের রওজায়”
অথবা
-নিসর্গ নীলিমায় চাঁদ হাসে-
আমার প্রণয় প্রিয়সী মিশে গেছে সবুজ দুর্বাঘাসে
নিজামীর এধরনের কবিতা গুলো পড়লে ইংরেজী সাহিত্যের কালজয়ী কবি কিটস এবং শেলীর প্রতিচ্ছবি ভেসে ওঠে ।জাতীয় কবিকে নিয়ে লেখা নিজামীর একটি কবিতা চট্টগ্রামের প্রধান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ডিসি হিল নজরূল স্কোয়ারের প্রধান ফটকে পূর্তমন্ত্রনালয় ম্যুরালে খুদায় করেছে ।
”বসতো না মন পড়া লেখায় বসতো না মন কাজে
– উদাস মনে অধীর হয়ে হাটতো সকাল সাঝে
আট লাইনের একটি কবিতায় একজন কালজয়ী সংগ্রামী কবি নজরুলের জীবনী এত নিখুত পরিপুর্ণতায় নিজামী চিত্রায়িত করেছেন অবাক হয়ে যাই ভেবে । যে কবিতা টি হাজার হাজার মানুষের কন্ঠস্থ হয়ে অমর সৃস্টির মর্যদায় ভুষিত হয়ে গেছে ।
কবি নিজামীর লেখা ও ডিজাইনে কোপারেঠিভ বুক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত পাখির মেলা ফুলের মেলা বই টির লেখা ও নিজামী’র চিত্রায়ণ দেখলে বুঝা যাবে নিজামী বড় মাপের কবি হয়েও কত বড় মাপের চিত্র শিল্পীর পরিচয়টি অজানা করে রেখেছেন নিজে স্বয়ং। তাছড়া কবি নিজামী ফেসবুক সাহিত্যে এক বিশাল নতুনত্ব এনেদিয়েছেন । ফেস বুকে যেখানেশধু আত্বভঙ্গিমা -চেহারা প্রচারের মহা উৎসব সেখানে নিজামী নিত্য নতুন কনসেপ্ট- নিত্য নতুন ডিজাইনে প্রতিদিন নতুন কবিতা ও ডিজাইন বাংলা সাহিত্যে কে ফেসবুক জগতে বিশ্বে নতুন মাত্রা এনে দিয়েছেন ।
কবি নিজামীর আধুনিক গান-
”হঠাৎ যদি কোন স্মৃতির টানে আমাকে মনে পড়ে যায়-
আমার দেখা খুঁজে পাবে তুমি ঐ আকাশের তারায় তারায়”
বিরহী মনকে কত নিখুত বেদনায় চিত্রায়িত করেছেন তিনি গানের কথায়
চট্টগ্রামে জাতীয় কবি কাজী নজরূল ইসলামের চট্টগ্রামের স্মৃতিগুলো সংরক্ষনে চট্টগ্রামের যে সব অঞ্চলে নজরুল পরিভ্রমন করেছেন প্রত্যেকটি স্থানকে স্মৃতিময় করে রাখার জন্য নিজামী পদক্ষেপ নিয়েছেন । চট্টগ্রাম শহরের প্রধান সাংস্কৃতিক অঙ্গন ডিসি হিলকে পরিনত করেছেন নজরুল স্কোয়ারে ।তাছড়া পতেঙ্গা সী বিচ ,সীতাকুন্ড ইকোপার্ক ,প্রতিটি নজরুল স্মৃতিধন্য স্থান কে অমর করার মাধ্যমে কবি নিজামী জাতীয় কবির প্রতি অনন্ত ভালোবাসার স্বক্ষর অশেষ স্মৃতির অঙ্গনে সাজিয়েছেন ।সামাজিকভাবেও কবি নিজামী একজন সফল পুরুষ । কাউখালী কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ।কাউখালী বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অন্যতম উদ্যোগ ,নাইল্যা ছড়ি হাইস্কুলের প্রতিষ্ঠা , ছিদ্দিকে আকবর মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার প্রথম উদ্যোগ ,কাউখালী প্রেস ক্লাব প্রতিষ্ঠা , কাউখালী যুব কল্যান পরিষদ সহ দশটি সামাজিক ক্লাবের প্রতিষ্ঠা কবি নিজামীর সফল সমাজ সেবকের প্রতিচ্ছবি হয়ে আছেন ।একজন কবি যে সামাজিকভাবে এত জনপ্রিয় হতেপাওে তার স্বক্ষর দুই হাজার আটের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্পূর্ন গায়ের জোরে বিজয় নিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ।তার পরেও কবি নিজামী ছিলেন স্বল্প ভোটে পরাজিত ।মাত্র সত্তর হাজার টাকা ব্যায় কওে তেত্রিশ হাজার মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন কবি নিজামী ।
কবি নিজামীর প্রথম আমি সন্ধান পাই ইউ টিউব এর মাধ্যমে । ইন্টারনেটে মাহমুদ নামে আমার এক বন্ধুর নাম সার্চ দিতেই চলে আসে একটি নাম –মাহমুদুল হাসান নিজামী’র গান ,কবিতা,আবৃত্তি স্লাইস কবিতা । এবং কবিতা গুলো মনোরম দৃস্টি নন্দন ডিজাইন দেখে কবিতা গুলো পড়া শুরু করলাম , কবি নিজামীর কবিতা গুলো পড়তে পড়তে নিজামীর সৃস্টিও বিশালতা এবং স্বাদ এর ভিতর ডুবে যাই । গুললে কবিতা পড়ে তার অন্য সৃস্টি গুলোতেও ডুব দিই । শুনতে থাকি তার লেখা গান আর কবিতার আবৃত্তি , হামদ-নাত ,চট্টগ্রামের আঞ্চলিক গান সহ সমুদয় সৃস্টি । অবাক হয়ে যাই এত বিশাল মান ইত্তীর্ণ সৃস্টি সম্ভার নিয়ে কেন নিবৃত বিনা জানা লোকচক্ষুর অন্তরালে ঢেকে আছেন তিনি । তার বিশাল সৃস্টি সম্ভার আমাদের সাহিত্য সংস্কৃতি অঙ্গন করে তুলবে শক্তিশালী তাহলে কেন আড়াল হয়ে আছেন ?
খুজা শুরু করলাম কবি নিজামীকে । মাঝে মাঝে বিভিন্ন সাহিত্য পাতায় তার লেখা দেখতে পাই । একদিন একটি বড় পত্রিকায় তার লেখা দেখে ভাবলাম হয়তো সে পত্রিকা থেকে ঠিকানা পাওয়া যাবে । ফোন দিলাম সে পত্রিকার সাহিত্য সম্পাদক কে । সাহিত্য সম্পাদক কে কবি নিজামী’র লেখার প্রশংসা করায় সাহিত্য সম্পাদক সাহেব ক্ষেপে যান । এবং বলেন-”’আমাদের লেখা গ্রলো এত ভালো সেটা চোখে দেখেন না”?
সে সাহিত্য সম্পদকের আচরন দেখে কবি নিজামীর ঠিকানা চাইতে আর সাহস হলোনা । পরে জানলাম সে সাহিত্য সম্পাদক ও একজন কথিত কবি ।এরপর এক বছর সে সাহিত্য পাতায় কবি নিজামীর আর লেখাই দেখলাম না । ভাবলাম হয়তো প্রতিহিংসার কারে সে সাহিত্য সম্পদক কথিত কবি নিজামীর লেখা ছাপা বন্ধ করে দিয়েছে ।
এর পর আরো এক বছর হঠাৎ ফেসবুকে সে ডিজাইনে শত শত কবিতা । ফেসবুকে ইনবক্স এ ম্যাসেজ দিলাম ,একবার, দুইবার কয়েকবাযর কোন সাড়া নেই .দেখি লাইনে আছে নওকিন্তু ইনবক্সে সাড়া নেই । হঠাৎ একদিনfreej সাড়া পেলাম এভাবেই প্রথম পরিচয়ের যাত্রা শুরু । চব্বিশ ঘন্টা থাকেন কবিতা নিয়ে ;শুধু কবিতা আর কবিতা । অনন্য শ্রদ্ধায় অবনত হয়ে গেলাম তার উপর ।উগ্র স্বভাবের এ কবির গহীনে এত কোমলতা-তার সাথে নিবিড় পর্যবেক্ষন না থাকলে তাকে ভুলও চিনতে পারেন ।
বই সমূহ
মাহমুদুল হাসান নিজামী র লেখা বই
1/ সৃষ্টি তত্ব ও বিজ্ঞান
2/ ধর্ম তত্ব ও ধর্ম বিশ্বাস প্রধান ধর্ম গুলোর ইতিহাস
3/ বাঙ্গালীর জাতি তত্ব ওদশ লক্ষবছরের
উৎপত্তি সূত্র
4/ ইবনে খালদুনের কাব্যতত্ব ও আরব
রোমাঞ্চ
5/ পারস্য কবি ফরিদুদ্দীন আত্তারের
পান্দেনামা কাব্যানুবাদ
6/ মহাকবি শেখ সাদীর গুলিস্তা কাব্যানুবাদ
7/ মহাকবি শেখ সাদীর বোস্তা কাব্যানুবাদ
8/ বিশ্বময় মুসলিম সাম্রাজ্য বিস্তারের ইতিহাস
9/ বাংলা প্রবাদ সংকলন
10 / বিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদ মুহাম্মদ সঃ
11 কবি বন্দে আলী মিয়ার জীবন কথা
12/ স্বৈরশাসক আইয়ুব খান
13/ দেহতত্ব ও মন
14/ ইতিহাসের গল্প
15/ মহানবীর রাজনৈতিক পত্র ও প্রজ্ঞাপন
16/ প্রেম কাব্য সর্বানী
17/ সাত হাজার বছরের বাঙালি ও পনরোশো বছরের বাংলাদেশ
18/ সিকিম ও হায়দারাবাদ যেভাবে স্বাধীনতা হারালো
19/ আরবী সাহিত্যের সেরা প্রেম কাব্য
মুয়াল্লাকাত কাব্যানুবাদ
20 /ফলের ছড়া
21/ ফুলের মেলা
22/ পাখির মেলা
23/ বৃক্ষমেলা
24 / শিশু বাঘ ও মানুষ
25/ বিড়াল ও ইদুর
26/ বিশ্বকবি নজরুল
27/ নিসর্গ ও নদী
28/ আকাশের ঠিকানা
29/ সাহিত্য পরিচয়
30/ নজরুলের পত্র সংকলন
31/ ভারত যখন স্বাধীন হচ্ছিল
32/ মুহাম্মদ আলীর জিন্নাহ
33/ ভুতের দেশ কালো পাহাড়
34/ আসমানের পৃথিবী কোয়েল মানব
35/ মন করে আনচান
36/ মেঘের শরীর
37/ নীল বেদনার কাব্য
38/ রাসুলের শত মোজেজা
39/ সাহিত্যের ক্লাস
40/ প্রাচীন মানব সভ্যতার ইতিহাস
41/ জেরুজালেমের ইতিহাস
42/জ্ঞান বিজ্ঞানের অনেক তথ্য
43/ পাশ্চাত্য সাহিত্য তথ্য ও রোমান্টিসিজম
44/ ছড়া পড়ি জীবন গড়ি
45/ মজার মজার ছড়া
46/ নজরুল ইসলামের প্রবন্ধ অন্য ভাষার
47/ ভারতের রাজ্য পরিচয়
48/ ওমর খৈয়ামের কবিতা সমগ্র
49/বাংলদেশে নজরুল স্মৃতি
50/ কবিতা সমগ্র এক
51/ ছড়া সমগ্র
52/মহানবীর রাজনৈতিক পত্র ও ভাষন
53/নারী তত্ব ও নারীর মন বিখ্যাত নারীদের বহুগামী জীবন
54/বিয়ে তত্ব ও সুখী বিবাহিত জীবন
55/প্রেমের কবিতা
56/ কিশোর কবিতা
57/শ্রেষ্ঠ কবিতা
58/ বাঙ্গালী সংস্কৃতি ও বাঙ্গালীর মন
59/শেখ সাদীর মজার মজার গল্প
60/দেও দৈত্য
61/ মহাকবি শেখ সাদীর মজার গল্প ও
কালজয়ী কারিমার কাব্যানুবাদ
62
বিশ্ব রাজনীতির চার হাজার বছর
63/ ভারতবর্ষের তুর্কি ও আরব শাসকগন
64/ সাহিত্যের অলংকার- বাংলা বানানের উৎপত্তিও কবিতার ছন্দ
65/স্বপ্নভরা মজার ছড়া
112টি বইয়ের মধ্যে বাকী বই গুলো ছাপা নেই
ভারত আসলে কাদের
ভারত আসলে কাদের?? ভারতের ইতিহাস শেষ পর্যন্ত পড়ুন!!
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
ঘৌরি সাম্রাজ্য থেকে নরেন্দ্র মোদী
পর্যন্ত ঘোরি কিংডম!!
1 = 1193 মোহাম্মদ ঘোরি
2 = 1206 কুতুবুদ্দিন আইবাক
3 = 1210 বাকি শাহ
4 = 1211
5 = 1236 রকিনউদ্দিন ফিরোজ শাহ
6 = 1236 রাজা সুলতান
7 = 1240 মোজাদ্দিন বাহরাম শাহ
8 = 1242 আল-দীন মাসউদ শাহ
9 = 1246 নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
10 = 1266 গিয়াসউদ্দিন বালবন
11 = 1286 ..........
12 = 1287 মসজিদের কাবাদন
13 = 1290 শামসুদ্দিন কামার্স
মহান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকার থেকে -97 বছর প্রায় দূরে।)
* সাম্রাজ্যের সাম্রাজ্য *
1 = 1290 জালালউদ্দিন ফিরোজ খিলজি
2 = 1292 ineশিক ধর্ম
4 = 1316 শাহাবুদ্দিন ওমর শাহ
5 = 1316 কুতুবুদ্দীন মোবারক শাহ
6 = 1320 নাসিরুদ্দিন খুসরো শাহ
খলজি সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকারী -30 বছর প্রায়)
* তুঘলক সাম্রাজ্য *
1 = 1320 গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (প্রথম)
2 = 1325 মোহাম্মদ ইবনে তুঘলক (দ্বিতীয়)
3 = 1351 ফিরোজ শাহ তুঘলক
4 = 1388 গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (দ্বিতীয়)
5 = 1389 আবু বকর শাহ
6 = 1389 মোহাম্মদ তুঘলক (সোম)
7 = 1394 .......... (আমি)
8 = 1394 নাসিরুদ্দিন শাহ (দ্বিতীয়)
9 = 1395 নুসরত শাহ
10 = 1399 নাসিরুদ্দিন মোহাম্মদ শাহ (দ্বিতীয়)
11 = 1413 সরকার
তুঘলক সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকার -94 বছর প্রায় দূরে।)
* Saeedদ রাজবংশ *
1 = 1414 খেজুর খান
2 = 1421 মুইজউদ্দিন মোবারক শাহ (দ্বিতীয়)
3 = 1434 মুহাম্মদ শাহ (চতুর্থ)
4 = 1445 আল্লাহ আলম শাহ
সা'দ রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকারী -৩ 37 বছর প্রায়)
লোদি সাম্রাজ্য
1 = 1451 বাহলোল লোধি
2 = 1489 লোধি (দ্বিতীয়)
3 = 1517 আব্রাহাম লোধি
লোধি সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকারী-75 বছর প্রায়)
মুঘল সাম্রাজ্য
1 = 1526 জহিরউদ্দিন বাবর
2 = 1530 হুমায়ুন
মুঘল সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
সুরিয়ান সাম্রাজ্য
1 = 1539 শের শাহ সুরি
2 = 1545 ইসলাম শাহ সুরি
3 = 1552 মাহমুদ শাহ সুরি
4 = 1553 আব্রাহাম সুরি
5 = 1554 পারভেজ শাহ সুরি
6 = 1554 মোবারক খান সুরি
সুররিয়ান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকারী -16 বছর প্রায়)
আবার মোগল সাম্রাজ্য
1 = 1555 হুমায়ুন (আবার)
2 = 1556 জালালউদ্দিন আকবর
3 = 1605 জাহাঙ্গীর স্লাম
4 = 1628 শাহ জাহান
5 = 1659 আওরঙ্গজেব
6 = 1707 শাহ আলম (প্রথম)
7 = 1712 বাহাদুর শাহ
8 = 1713 ফার্কুয়ারশিয়ার
9 = 1719 রিফাদ রজত
10 = 1719 ...............
11 = 1719 ...............
12 = 1719 মাহমুদ শাহ
13 = 1748 আহমেদ শাহ
14 = 1754 ...................
15 = 1759 শাহ আলম
16 = 1806 আকবর শাহ
17 = 1837 সাহসী কিং জাফর
মুঘল সাম্রাজ্যের সমাপ্তি
(সরকারী -১১৫ বছর থেকে দূরে।)
ব্রিটিশ রাজত্ব
1 = 1858 লর্ড কিং
2 = 1862 লর্ড জেমস ব্রুস এলগিন
3 = 1864 লর্ড জে লরেন্স
4 = 1869 লর্ড রিচার্ড মায়ো
5 = 1872 লর্ড নর্থবাক
6 = 1876 লর্ড এডওয়ার্ড ল্যাটিন
7 = 1880 লর্ড জর্জ রিপন
8 = 1884 লর্ড ডাফারিন
9 = 1888 লর্ড হ্যানি লেসডন
10 = 1894 লর্ড ভিক্টর ব্রুস এলগিন
11 = 1899 লর্ড জর্জ করজিয়ান
12 = 1905 লর্ড গিলবার্ট মিন্টো
13 = 1910 লর্ড চার্লস হার্ড্জ
14 = 1916 লর্ড ফ্রেডেরিক থেকে এক্সিকিউয়ারে
15 = 1921 লর্ড রাক্স আজাক রিদিগ
16 = 1926 লর্ড এডওয়ার্ড ইরউইন
17 = 1931 লর্ড ফারম্যান ওয়েলডন
18 = 1936 লর্ড আলেজান্দ্রা লিনলিথগো
19 = 1943 লর্ড অর্কিবল্ড হুইল
20 = 1947 লর্ড মাউন্ট ব্যাটন
ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সমাপ্তি
ভারত, প্রধানমন্ত্রী
1 = 1947 জওহরলাল নেহেরু
2 = 1964 গোলজারি লাল নন্দ
3 = 1964 লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
4 = 1966 গোলজারি লাল নন্দ
5 = 1966 ইন্দিরা গান্ধী
6 = 1977 মোরারজি দেশাই
7 = 1979 চরণ সিং
8 = 1980 ইন্দিরা গান্ধী
9 = 1984 রাজীব গান্ধী
10 = 1989 বিশ্বনাথ রিটার্নস
11 = 1990 চন্দ্রশেখর
12 = 1991 পি.ভি. নরসিমা রাও
13 = 1992 অটল বিহারী বাজপেয়ী
14 = 1996 চাদে গৌড়
15 = 1997 আই.কে. গুজরাল
16 = 1998 অটল বিহারী বাজপেয়ী
17 = 2004 মনমোহন সিং
18 = 2014 নরেন্দ্র মোদী
এক হাজার বছর ধরে মুসলমান রাজত্ব হওয়া সত্ত্বেও হিন্দুরা ভারতে রয়ে গেছে। মুসলিম শাসকরা তাদের সাথে কখনই অন্যায় আচরণ করেনি
এবং ....
হিন্দুরা এখনও পর্যন্ত 100 বছর হয়নি এবং তারা মুসলমানদের বিলুপ্ত করার কথা বলে !!
এই তথ্য ছাত্র এবং শিক্ষকদের দেওয়া উচিত।
জাজাক'আল্লাহাহু খাইরান
এই পোস্টটি অবশ্যই সবার সাথে শেয়ার করুন। কারণ আজকাল 90% লোকের এ সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই - * = (ভারতের ইতিহাস) = *
◉⋯⋯⋯⋯┈─◦✾◦─┈⋯⋯⋯⋯◉
Collected
বাংলা ব্যাকরন
তৎসম ও তদ্ভব নামা ও বাংলা একাডেমীর ভাষা অজ্ঞরা
--@@---@@--@@
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবী ফার্সী ধর্মীয় শব্দগুলোকে তদ্ভব বলে বানান বিকৃতি করে সাবেক মহাপরিচালক প্রমিত করন করার নামে।
কিন্তু তৎসম বা সংস্কৃতি থেকে থেকে আগত শব্দগুলোকে তার পৈত্রিক শব্দবলে কথিত প্রমিত করন করেনি ঐ জন্তুরা।
এখন প্রশ্ন হলো-তৎসম শব্দগুলোর অধিকাংশ শব্দই তো ফার্সী থেকে তদ্ভব হয়ে এসেছে। যেমন -বন্দে মাতরম দুটি শব্দই ফার্সী থেকে তদ্ভব হয়ে এসেছে। সেটা কি ঐ অজ্ঞরা জানে?
অথচ তারা রবীন্দ্র, নজরুল ,ড .শহীদুল্লাহর বানান রীতিতে ও হাত দিয়েছে। বাংলা ভাষা সংস্কারে হাত দিতে হলে অবশ্যই বাংলায় যে সব বিদেশী ভাষার শব্দ এসেছে সে ভাষার জ্ঞান থাকতে হবে।
বর্তমানে বাংলা একাডেমীতে সাবেক প্রমিত জন্তু ডিজি সহ একজন ও কি বহু ডাষাবিদ আছে?
অথচ তারা অজ্ঞতা চাপিয়ে দিয়ে পুরো জাতিকে অন্ধ বানিয়ে ফেলেছে। এ সব প্রমিত মুর্খ জন্তরা ড. শহীদুল্লাহর মত ভাষাবিজ্ঞানীর বানানে হাত দিয়ে চরম বেয়াদবি করেছে। বাংলা একাডেমী বানান অভিধানের ভুমিকাটি পড়লে সব স্পষ্ট হয়ে যাবে।
বাংলা একাডেমীর
প্রমিত বানান নামের অপকর্ম দেখুন
--------------------------
হজ্ব বানানটিকে হজ বানিয়ে বাংলা একাডেমীর প্রমিত ধারকরা আরেক অপকর্ম সম্পাদন করলো /
হজ্ব একটি আরবী ও ধর্মীয় শব্দ যে শব্দের শেষ হচ্ছে আরবী জ্বীম বর্ন; আরবী বর্ন মালায় জ্বীম;ঝাল;জোআ তিনটি কাছাকাছি সমুচ্ছারিত
বর্ন থাকায় অর্থ সঠিক রাখার জন্য জ্বীম বর্নটির
উচ্ছারনে আরবী মাখরাজ বা ব্যাকরন বিধিতে
জ্বীম বর্নের উচ্ছারনে জ্বীম বর্নটি চাপ প্রয়োগে উচ্ছারন বা জ্বীম এর বর্ন দৈত্ব উচ্ছারনে প্রকাশ করতে হবে: তাছাড়া হজ্জের জ্বিম বর্নটিতে তাশদিদ বা যু্ক্ত বর্ন, অারবী যুক্ত বর্নের উচ্চারনে বাংলায়ও যুক্ত বর্ন হতে হবে; না হয় শব্দের অর্থ সম্পুর্ন পাল্টে যাবে; এ কারনেই হজ্ব শব্দটির বাংলা উচ্ছারন লিখতে অবশ্যই জ্বীম বর্নের বাংলা প্রতি বর্ন উচ্ছারনে জ্ব বা জ্জ লিখতে হবে: নতুবা শব্দটির অর্থ সম্পুর্ন বিকৃত হয়ে যাবে: বাংলা একাডেমীর প্রমিত ধারকরা সে জ্ঞান রাখেন?
কথিত প্রমিত বানান নামে হজ্ব শব্দটিকে হজ বানান বানানোর অধিকার কি আছে প্রমিতদের?
যেটা যেখান থেকে এসেছে সেভাবেই চলতে হবে: জন্ম সূত্র না জেনে নিজস্ব বানাতে যাওয়াই মূর্খতা ও অন্ধত্ব জটিলতার কারন
বাংলা ভাষার পন্ডিত হতে হলে বাংলা ভাষায় মিশ্রিত অারবী,ফার্সী,হিন্দি, উর্দু, তার্কি ও ইংরেজী ভাষার মৌলিক জ্ঞান থাকতে হবে ;বাংলাভাষার পন্ডিত ছাড়া কেউই বাংলা ভাষা সংস্কারে হাত দেয়ার কোন অধিকার রাখেনা! বর্তমান বাংলা একাডেমীতে বহুভাষাবিদ একজনও কি দুরবীনে খুজে পাবেন?।
নামের বানান নিয়ে ও অজ্ঞতা?
বিশ্বের সকল বানান ব্যাকরনেই নামের বানান যে যেভাবে প্রচার করেছে সেটাই শুদ্ধতা।মানে কোন নামের বানান কখ্নো পরিবর্তন করা যাবেনা।অথচ কতিপয় মুর্খরা সেটাও করেছে। বাংলা এজাডেমী একটি নাম। সে নামের একাডেমীর ী কার কখনো পরিবর্তন যোগ্য নয়।তারপরও সেটাকে ি কার বানিয়ে চরম মুর্খতার পরিচয়
দিয়েছে বাংলা একাডেমী।এমনকিরবীন্দ্র নাথ ও নজরুলের নামের ীকারটিও পাল্টিয়ে দিয়েছে মুর্খরা।
-- বিস্তারিত জানতে অামার লেখা
সাহিত্যের ক্লাস বইটি পড়ুন।
লেখক, কবি গবেষক ইতিহাস বিদ ১১২ টি গ্রন্থ প্র নেতা
best poem
Erudition
- Poet Mahmudul Hasan Nizami
Erudition is the ability to express
more in less words.
His blindness in many words
and little expression of knowledge. ।
-
শ্রেষ্ঠ বাংলা কবিতা
অবোধ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অবোধ আর কি বুঝিবে
মুল্যবানের মুল্যমান
বাহিরে তার দামী পোষাক
ভিতরে তার শূন্যস্থান।
শ্রেষ্ঠ বাংলা কবিতা
প্রসংসা ও নিন্দা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
প্রশংসার পিছনে
প্রাপ্তির আশা
নিন্দার মাঝখানে
হিংসেটা ঠাসা।
শ্রেষ্ঠ বাংলা কবিতা
কোমলতায় কোন হাত
মাহমুদুল হাসান নিজামী
খরাতপ্ত দুর্ভাবনার হৃদয় ধামে
যদি কাহারো ভরসার বাদল নামে
কহিয়ো তাহাকে গোকুলপুরের ধানের মাঠে
অথবা লালবিবির গোরস্তান সমর দিঘীর ঘাটে
যেন প্রতীক্ষার প্রহর গোনে যায়
প্রিয়তমের ছন্দরেখায়
তোমাদের ইচ্ছেগুলো হেসে উঠুক নব অালপনায়
হিজলতলীর গ্রামে ঝিরিঝিরি হিমেল হাওয়ায়
নামাপাড়ার বাশ বাগানে
হাজারো শ্নেত বগ যদি মুখরিত হয় সুরাঙ্গনে
বাসনার নব নকশায় নব নব গানে
কোমল মমতায় পুবালীরা দোলা দেয় কারো প্রানে
ছুঁয়ে দেয় নিসর্গ কোমলতায় কোন হাত
নবসূর্য হাসিবে বর্নিল নব প্রভাত।
বাতায়ন খুলে রাখি
অনন্ত সেই সে প্রত্যাশায় ।।
মাহমুদুল হাসান নিজামী
তাহার কায়ার ছোঁয়া এক চিলতে
হিমেল হাওয়া যদি
কখনো অামায় ছুঁয়ে যায়
অামি বাতায়ন খুলে রাখি সদা সর্বদা
অনন্ত সেই সে প্রত্যাশায়।।
যদি কখনো কোন স্মৃতির পাতা
খুলে দেয় নব হালখাতা
অামি অধীর হয়ে চেয়ে থাকি তাই
দুর দিগন্ত নীলিমায়।
অামি মনে মনে খুজি সদা যাহারে
অামি দুরের শীতল হাওয়ায়
সর্বদা খুজে যেন পাই তাহারে
অনুভবের অনন্ত অনু ছোঁয়ায়।
নেই পরাজয়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মানুষের সাধনার
নেই কোন পরাজয়
হেরে গেলে শেখা হয়
জিতে গেলে
হয় জয়।
মন বুঝেনা সে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
উম্মাদের দেহে নেই ভালোবাসা
শুধু কামনার অাশা
কয়ফোটা ঘনজল ঢেলে দিলে
সে পরিতৃপ্তি গিলে
উম্মাদের সব চাওয়া
ইচ্ছে মতো লুপে নেওয়া।
ভালোবাসা খুঁজেনা কভু হৃদয়হীন
শুধু ভালো ঘর খুঁজে রঙিন
মন বুঝেনা সে -রঙ নেই যেই মনে
সুন্দর খুঁজে সে শুধুই অাবরনে।
মেনে নিলে সহজে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ঘটুক না যাহা কিছু
মেনে নিলে সহজে
জটিলতা থাকেনা
অাগামীর কাজে
কতকিছু ঘটে যায়
জীবনের বাঁকে
মুছে যায় স্মৃতি থেকে
কে খোঁজ রাখে।
অাফসোস করে শুধু
কি লাভ অার
অনন্ত ভেবে শুধু
মনকরে ভার।
শান্তি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
হও যদি তৃপ্ত
যা পাও তাতে
মনেতে শান্তি
পাবে সাথে সাথে।
অতি লোভ যন্ত্রণা
হিংসার মন
পরশ্রী দেখে সদা
করে জ্বালাতন।
শাদীয়ে মুবারক
মাহমুদুল হাসান নিজামী
দুই অর্ধাঙ্গ মিলে এক পূর্নতায়
হয়ে গেলো একাকার
শূন্যতায় পূর্নতার চাদ
অাকাশে এলো কার
সৃস্টি সব জোড়ায় জোড়ায়
স্রস্টার বিধান তা
দোসর মায়ায় তামিমবাগে
স্বপ্নের নব বার্তা
ডাকলো যখন শুক্রবারে
নব ভোরে নব অাজান
বিয়ের পিড়ি তাহিরপুরে
মধুর সুরে নবীন তান
পুষ্প শোভা শুভ্রতাতে
মারহাবা মারহাবা
স্বপ্নগুলো শোভিত হোক
তামিম সাদী লুবাবা
কোকিল যখন ডাক দিয়ে যায়
কেউনা কেহ শুনতে পায়
দুর মিনারের সুরের তানে
অবচেতন ভেঙ্গে যায়।
অাগামীটা স্বপ্নীল হোক
জীবন প্রহর হোক অাভা
মুফতি মহান তামিম সাদী
শাদীয়ে মুবারক ক্বারীয়া লুবাবা।
সর্বনাশ সাহিত্যে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
তেলবাজ টাকমামা
তেলবাজ চামছা
তেলবাজী দালালী
মাথাতে গামছা
পদকের বানিজ্যে
তেলমারে ভাড়াতে
সর্বনাশ এনেছে
সাহিত্যের পাড়াতে।
নকল ফাঁদে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
চোখ থাকিলেই সকল কিছু চেনা যায়না নয়নে
অন্তমিলের গন্তব্য বিবেকবোধের যাপনে
দেখলে শুধু হয়না দেখা রহস্য টা ভিতরে
অাসল নকল চিনতে গিয়ে গুলিয়ে ফেলে হিতরে
অবোধকে বোধ দেবে কে মরীচিকার বালুকায়
অাসলটাকে হারিয়ে সে কপাল পিটায় হায় হায়
চক চক করলে শুধু হয়না কভু সোনারে
মেকিসোনার ফাঁদে পরে অাফসোসে বোনারে
নকল ফাঁদে পা দিলিরে বোধের শূন্যতায়
ধন্যজীবন বন্য হয়ে গতরে পরলি হায়।
একা অযুত বচন
মাহমুদুল হাসান নিজামী
হাজারো মানুষের ভীড়েও কেহ কেহ খুব একা
ক্লান্ত বিকেল জোসনা রজনী স্মৃতির দোসর রেখা
কি হয়েছে কি ভেবেছো নদীর কিনারায়
কেহ ভাবে একা অামি হামিতো স্মৃতির দোসরতায়
মানুষের কাছে বলা যায়না কভু যে সব কথা
প্রকৃতির কাছে বিতরন করি অযুত বচন তথা।
একাাকীত্ব
মাহমুদুল হাসান নিজামী
একাকীত্ব হারাতে পারেনি কখনো কভু অামায়
তবে তখনি নিসর্গ প্রকৃতি মম দোসর হয়ে যায়
কতবার ছুয়ে ছুঁয়ে নির্জনতার কায়া
অধরা নন্দন জড়িয়ে মোরে দিয়েছে কত মায়া
ভেবেছো হামি একাকী প্রহরগুলো কেমনে করি পার
সবুজবন হিমেলী সমীরণ একাকীত্ব মুছে হামার
কতো সুখ কতো শান্তি একাকীত্ব নির্জনতায়
অপবাদ অপমান ছলনা দেবেনা কভু তোমায়।
প্রতিদান
মাহমুদুল হাসান নিজামী
একটি নির্বোধ প্রানীও
মমতার মায়া বুঝে
শুধু মানুষ মায়ার প্রতিদানে
ক্ষতি করেও স্বার্থ খুঁজে।
মায়া মমতায় বিনিময়ে
পশুরা পোষ মেনে যায়
ভালোবাসার বিনিময়ে শুধু
মানুষ মানুষে ঠকায়।
সুরের ঝর্না
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মম সৃষ্টির সুর ললিতা নব সুরঙ্গনা
নিজামীর লতাজী স্বর্না বড়ুয়া স্বর্না
হাজারো সৃস্টিতে এনেছো নব সুর মোর গানে
সুরের বাতায়ন খুলেছে অাজ নব জাগরনে
কতো সুর কতো বানী কতো ছন্দের কারুকাজ
তাহারী কন্ঠে শিল্পকলায় পেলো নব সাজ
পরম মূল্যমানে নব নব গানে মম সুরের তান
অাজি জাগিয়ে দিলো নব পুষ্পে মম গুলিস্তান
নব সুরের জলসায় হিয়াতে মোর
তাহারী কন্ঠে বাজে অাজ মম সৃষ্টি মধুর
সুরের তারায় নব ধারায় কে অানিলেগো নব প্রান
অামাকে অামায় দিয়েছো নব ঠাই ছন্দের গুলশান
স্বর্না বড়ুয়া স্বর্না
সেতো নিজামীর সুরের ঝর্না।
টাক মামা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বেল মাথায় তেল মেখে
টাকমামার ঘুরাঘুরি
চেয়ারটা কেড়ে নিেতে
মঞ্চে কাড়াকাড়ি
মাইক পেলে মঞ্চে
চাপা অার তেল
ক্রিমিনাল চোখটা
মাথাটা বেল।
চাপা তার তেজারতি
চাপা তার ধন
তেল মেরে ভিক্ষাতে
অতিথি হন।
গোধূলী বেলায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
চক্ষুলাজে মনের কারুকাজে দেখা হয়নি তখন তারে
দেখা হলে ফের মনভরে তবে দেখিব বারেবারে
প্রথম দর্শনে হৃদয় বরনে করেছি যারে ধারন
তাহারী মুখ হাসে বারেবার অপরূপ শিহরন
যদি কোন প্রহরে সম্মুখে তবে মুখোমুখি হয়ে যায়
মনভরে তারে দেখিব বারেবারে হিয়ায় হিয়ায়
প্রথম স্বরে কে যেন বারেবারে স্বপনের রঙ্গপুরে
প্রতীক্ষা প্রহর গোনিছে অাজও সেই হৈমন্তী ভোরে
হৃদয় সিতারে নিঃশব্দ বাজে কেন নববীণার সুর
গোধূলী বেলায় কে যেন অাসে যায় প্রিয় গোকুলপুর।
কর্ম সাধনায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
সকাল কাটে ঘুমের ঘোরে
দুপুরে যাদের প্রভাত হয়
জীবন কাটিবে দুর্ভোগে তার
সুখ শান্তির পরাজয়
সকাল বেলায় অর্জন করে
বিকেল বেলায় বিসর্জন
সকাল বেলায় সতেজ সবি
বিকেলেতে ক্লান্ত ক্ষন
হেলায় খেলায় অপচয় নয়
জীবনের সকাল বেলা
অাধার স্বপন কর্ম সাধনায়
বাস্তবে হয় উজালা।
স্বপ্নভরা প্রভাত
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কাত কাত কাত
রাত পোহালো প্রাত
রোজ সকালে অাড়াল ভরে
এলো মানিক তোমার ঘরে
হাজার হাঁসে ডিম পেড়েছে
অন্ড সোনায় ঘর ভরেছে
স্বপ্নভরা প্রভাত
কাটলো তিমির রাত।
ছায়া
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অধরা কালো হাত
যদি সৃজন করে নব ধারাপাত
ইচ্ছের কাছে সমর্পিত মন
অাধারে হয়ে যায় অধিগ্রহন
ছায়ায় ছায়া কায়ায় কায়া
স্পর্শের ছোয়ায় যত সুখ মায়া
অদেখা হাত
অাধারে সুখের প্রপাত।
বিস্বাদেও স্বাদ অাছে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অতৃপ্তির বিষাদ
সেতো পূর্ন প্রাপ্তির প্রত্যাশার ফাঁদ
কোন কোন পূর্নতায়
সব স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়।
অর্ধেক প্রাপ্তি অর্ধেক অসমাপ্তি
সচল রাখে পরিসমাপ্তির গতি
অতৃপ্তির বিষাদ
সদা অধীরে পরিতৃপ্তির স্বাদ
বিস্বাদেও স্বাদ অাছে
যে অতৃপ্ত তার কাছে।
ঘুষখোর মাননীয় স্যার
সব চোর মাননীয় মহাশয়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
হত্যা ও অাত্মহত্যার ব্যাবধানটা
শুধু অাত্মমর্যাদার
হত্যা করে কাপুুরুষ
অাত্মহত্যা করে বীর
মহাবীর গাদ্দাফী অার বীর সাদ্দাম কে
হত্যা করেছিলো সন্রাসী কাপুরুষ
অার বিশ্ববিজয়ী মহাবীর
মাননীয় হিটলার মহাশয়
অাত্মহত্যা করে দিযেছিলেন
অাত্মসম্মানের পরিচয়
চোর অার ডাকাতের ব্যাবধান
চোর গোপনে ডাকাত খুন করে প্রস্থান
ঘুষখোর অার চোরের ব্যাধান কোথায়
না কোনই ব্যবধান নাই
চোর চুরি করে গোপনে
ঘুষখোর অদেখা ভয়ে অাত্ম কম্পনে
ঘুষখোর কর্তাকে যদি স্যার বলা হয়
পৃথিবীর সবচোর ও মাননীয় মহাশয়।
সমব্যথা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ব্যথা না পেয়েও কারো ব্যথায়
উচ্চারনে ব্যথিত হলে
অনুভবে মহান মহৎ প্রাণ
সমব্যথা তাকে বলে
ব্যথিত হয়না মানুষের ব্যথায়
যে সব মানুষজন
মানুষ নহে অমানুষ তারা
হৃদয় বিহীন বিভীষণ।
নিজের প্রয়োজনে
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
সকল কর্ম করে মানুষ
নিজের প্রয়োজনে
নিজের মনে সুখ পেতে
ভালোবাসে অন্যজনে
মুখোশ পরে সাজে অাপন
মিঠাতে তার প্রয়োজন
স্বার্থসিদ্ধি হয়ে গেলে
কেটে পড়ে ছলেবলে
হায়রে ভবের খেলা
ঘুমের ঘোরে কতজনের
কেটে যায়রে বেলা।
বিরহী বিষাদ অশ্রু
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নির্জনতার অাকাশে
যখন কালোমেঘ ভাসে
নিরব ক্রন্দনে অধরা হৃদয়
বিরহী বিষাদ অনুপ্রাসে
কোন মন যখনি যখন
নিরবে ক্রন্দন করে যায়
কালো মেঘ তখনি প্রিয়তমের
বিরহী বিষাদ অশ্রু হয়ে উড়ে বেড়ায়।
অাবদুল হালীম বোখারী
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ইলমের জাহাজ ঈমানের সাওয়ারী
উম্মতের রাহবর অাবদুল হালীম বোখারী
নিয়মিত বনটনে খোদায়ী নেয়ামত
মরেও অমরে কিয়ামত তক
সত্যের তরবারী সত্যের রাহবর
অাল্লাহর বন্ধু নাস্তিকের ডর
অালোর ঐ জ্যোতিটা নিভে গেলো তাই
অনন্ত জনতা কাঁদে হায় হায়।
খাওয়া
মাহমুদুল হাসান নিজামী
খাওয়ার তরে বাচেনাতো
বাঁচার তরে খায়
এক প্লেট তিনে খেলে
কোন ক্ষতি নাই ।
অতি খেলে ক্ষতি হয়
ভরাপেটৈ ঝুকি রয়।
অর্ধ পেট খালি রেখে
অর্ধতে খাওয়া
অসুখের বালাই থেকে
সদা রক্ষা পাওয়া।
কৃষ্ণ গহবর -
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কৃষ্ণ গহবর -
অসীম নক্ষত্রের দেশে তিমির সরোবর
নির্জন গহীনে ভাবনার অাধার
স্মৃতির বিষাদে ডাকে বারবার
মহাশূন্যে অসীম নক্ষত্রের দেশে
সৌর মন্ডলে কেন অন্ধকার গ্রাসে
বিষন্নতায় কাঁদে মন অধরা তিমিরে
শূন্য এবং মহাশূন্যে শুধু অাধারের ভীড়ে
এক টুকরো ভরসার অালো ভাসিয়ে যায়
সীমাহীন ইচ্ছের সাগরে অনন্ত বাসনায়
কবিতা বেগম অস্ফুটে হাসে
নব ছন্দের অনুপ্রাসে।
চুনোপুটির বদনাম
মাহমুদুল হাসান নিজামী
জগত সভায় বিশ্বসেরা অশেষ যিনি মহান
কি অাসে যায় তাহার তাতে চুনোপুঁটির বদনাম
শত্রুমিত্র সবার কাছে তিনি প্রিয় প্রাণ
ন্যায়পরায়ন সততায় অাল অামীন সম্মান।
যাহার কাছে দীনধনী সকলেই সমান
প্রিয়রাসুল নবীজি অাসমানী জয়গান
বাকবচনে নিন্দাতে করলে নবীর অপমান
কমবেনারে নবীর শান নিন্দুকের যাইবে মান।
সব দোষ মনের
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
অামার কোন দোষ নেই
সব দোষ মনের
কোন পথে ছুটে যায় কোথা যায়
অধরা ঠিকানায় সম্মোহনের।
মানেনা বাঁধন উপোসী মন
যেথা মন চায়
অনন্ত ছুটে সব বাধা টুটে
ইচ্ছের নিরালায়।
অনুমতি বিহীন যদি কোন মন
চলে যায় কাহারো কাছে
ক্ষিপ্ত হলে হতেই পারো
অামার করার কিবা অাছে?
অাকর্ষন
মাহমুদুল হাসান নিজামী
থাকলে দুরে
পিছে ঘুরে
হতে অতি অাপন
কাছে ঘেষলে
অাগের মতো
থাকেনারে অাকর্ষন।
এ্যাটাক
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
নীল গোলাপের মতো তব নিরব হাসি
অামার বুকে চরম এ্যাটাক
না না -হার্ট এট্যাক নয়
লাভ এ্যাটাক লাভ এ্যাটাক
তোমার নয়নের অতল কৃষ্ণ গতরে
অামি পতিত হয়ে
অামার সপ্তগ্রহ নিরুদ্দেশ হয়ে যায়
যদি কখনো অাবার স্মৃতির কোষে
যদি কোন বসন্ত অাবার অাসে
পড়ন্ত প্রহরে গোধূলী বেলায় অথবা
চন্দ্র মাসের চোদ্দ তারিখে পূর্নিমা চাঁদ হাসে মাহজাবীনের লিচুতলায়
একদা এক বিকেলে স্বপ্নরা হাতছানি দেয়
নিরবে কেহ ডাকে কোন অধরা হাত
ঘুম ভেঙে দেয় হঠাৎ হঠাৎ মধ্য রাত
স্বপনেও মম বুকেতে তাহার হাসির এ্যাটাক
না না হার্ট এট্যাক নয় -
লাভ এ্যাটাক লাভ এ্যাটাক।
স্বর্গীয় হুর বেহেশতী ফুল
মাহমুদুল হাসান নিজামী
তব রূপের অাভায় পূর্নচন্দ্র হয়ে যায় ম্লান
দৃস্টিরা নব উল্লাসে গেয়ে যায় সৃস্টির জয়গান
হুরের অবয়বে কে করিলে গো এই মহা সৃজন
এই যেন মহা তরিৎ চুম্বক তাহারী দুই নয়ন
কপোলে জোছনা হাসে
অসীম নীলে চাঁদ ভাসে
শিল্প তুলি যেন অঙ্গুলি তার
মায়াবী কায়ায় দেখে থাকি বারবার
তাহারী অনুপম অপরূপে স্বপ্নেরা রঙ্গিন
স্বর্গীয় হুর অদূরে হাসে সেতো মেহজাবিন
অনুক্ত অারাধনায় নব ঝংকারে মধুসুর বাজে
তাহারী অপরূপ সাজে
ধন্য ধরনী তোমারী জন্য ধন্য রমনীকুল
দ্যুতিময় করিলে তিমিরে ওগো বেহেশতী ফুল।।।
মায়ারাজ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
জোসনা হাসে মধ্য রাতে চন্দ্র ঘুমায় দিবসে
তারন্য কায়ায় পুষ্পরা বসন্ত অনুচাষে
বৃস্টি ছুঁয়ে দিলে যৌবন জোয়ার মৃত্তিকায়
নিসর্গ নিতম্বে নব উচ্ছাস ইচ্ছের অারাধনায়
সূর্য অাসিলে প্রভাত অাসে চন্দ্র অাসিলে রাত
হাসি কান্নার সমরেখায় অনুভবের অনুপাত
পুষ্প নিতম্বে ফলন্ত কায়ায় কতো কারুকাজ
সুন্দর লীলায় অধরা ইশারায় ডাকে কোন মায়ারাজ
বই
বই
মাহমুদুল হাসান নিজামী
আমার কাছে অনেক সুখের
জ্ঞানের সাথে জীবন যাপন
হাজার কোটি ধনের চেয়েও
একটি বই অতি আপন।
হরেক রকম বইগুলো সব
এই নিজামীর মনের দুয়ার
সৃস্টি সুখের উৎসবে
দৃস্টি লোকে নামলো জোয়ার।
শিশুকে যেভাবে গড়বেন
শিশুর জন্য
মাহমুদুল হাসান নিজামী
উপহাসে বড় হলে
সেই শিশুটি ভীরু হয়
নিন্দার মাঝে বড় হলে
নিন্দুক হওয়ার থাকে ভয়
বেড়ে উঠলে সংশয়ে
প্রতারণা শিখে সে
শত্রুতায় বড় হলে
শত্রুতা শিখে যে
ভালোবাসায় বড় হলে
ভালোবাসা থাকে
উৎসাহে বড় হলে
আত্ম বিশ্বাস রাখে
সত্যের মাঝে বড় হলে
সুবিচারক হয়
বড় হলে প্রশংসায়-
গুনী স্বভাব রয়
ভাগ করে খেতে শিখলে
বিবেচক হয় বড় হয়ে
ধৈর্য্য নিয়ে বড় হলে-
সবি নেয় সয়ে
শৈশবে বড় হলে
সুখী পরিবেশে
ভালোবাসা সুন্দর মন
পাবে অনায়াসে
নিরব ঘাতক
নিরব ঘাতক
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ক্ষোভ রেখে মনে
চুপ থাকেে যেইজনে
নিরব ঘাতক সে
দুরে থাকুন তার থেকে।
ক্ষোভ এলে মনের ঘরে
চিল্লাইয়্যা প্রকাশ করে
ক্ষোভ থাকেনা মনে আর
সরলতায় মন তাহার।
বাংলা বর্নমালার ইতিহাস
বাংলা বানান ও বর্ণ বিতর্ক : বাংলা একাডেমী-যার একাডেমী শব্দটিও বিদেশী
এবং ীকারকে িকার বানানোর মূর্খতা
----------- মাহমুদুল হাসান নিজামী
বাংলা বানান ও বর্ণ বিতর্ক বিষয়টি ব্যাপক। অনেকে মনে করেন বাংলা বানান পদ্ধতি অত্যন্ত জটিল। দু’টি- জ, তিনটি -শ , ত- এবং- ৎ- এর প্রয়োগ, হ্রস্ব- এবং দীর্ঘ স্বরের জন্য স্বতন্ত্র চিহ্ন এবং কতেক যুক্ত ব্যাঞ্জনের অস্বচ্ছ রুপ বানান ও মুদ্রন পদ্ধতিকে আরো সমস্যা সংকুল করেছে ।
দীর্ঘকাল থেকে বাংলা বানান সংস্কৃত ভাষার দুর্বোধ্য কঠিন নিয়মও অনুশাসনে চলে আসছে বা চাপিয়ে দেয়া হয় । সুলতানী শাসন ও মোগল শাসনামলে ভারতবর্ষের রাস্ট্র ভাষা ছিল ফার্সী এবং ইংরেজ শাসনামলে ভারতবর্ষের রাস্ট্র ভাষা ছিলো ইংরেজী । যার কারনে বাংলা ভাষার আধুনিককালে অর্থাৎ আঠারো’শ শতকের মাঝামাঝিতে যখন বাংলা ভাষায় পূনর্জাগরন ঘটে বাংলা ভাষায় কালজয়ী অনেক লেখক ও কবির আবির্ভাব হয়। সে সময়ের রচনায় বা বাংলা সাহিত্যের আধুনিককরন কালে প্রচুর আরবী, ফার্সী , এবং ইংরেজী শব্দ বাংলা ভাষার নিজস্ব শব্দ হিসাবে পরিগনিত হয় । বাংলা ভাষা সে নব জাগরন বা আধুনিকীকরন কালে সংস্কৃত ভাষার চাপিয়ে দেয়া দুর্বোধ্য ব্যাকরন নীতি পরিবর্তন করে বাংলা ভাষার বানান এবং বর্ণ সংস্কার বা সহজী করনে এবং সংস্কৃত ভাষার গোলামী থেকে বাংলা ভাষা কে মুক্তু করনে ১৯২০ সালের দিকে বিশ্বভারতী চলতি ভাষার একটি নিয়ম তৈরী করে । রবীন্দ্র নাথের অনুমোদনক্রমে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, অধ্যাপক প্রশান্ত চন্দ্র বিশ্বভারতী কর্তৃক প্রকাশিত রবীন্দ্র রচনাবলী প্রকাশিত হয় ( প্রবাসী পত্রিকা ১৩৩২ বঙ্গাব্দ)।
১৯৩৫ সালে রবীন্দ্রনাথের অনুরোধে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বানান সংস্কার সমিতি ১৯৩৬ সালের মে মাসে বাংলা সংস্কার সহজীকরন বানান নীতি প্রকাশ করে । অন্ধ সংস্কৃত ভাষা প্রেমিকদের বিরোধীতার মুখে তা বাস্তবায়িত হতে পারেনি ।
১৯৪৯ সালে মাওলানা আকরাম খাঁনের নেতৃত্বে বাংলা বানান সংস্কার কমিটি গঠিত হয়। সে কমিটির রিপোর্ট ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। সেখানেও বাংলা ভাষাকে সহজী করনে সংস্কৃত ভাষা থেকে চাপিয়ে দেয়া দুর্বোধ্য বানান ও বর্ণমালা গুলো বাদ দেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয় ।
১৯৬৩ পুনরায় তখনকার বাংলা একাডেমীর পরিচালক সৈয়দ আলী আহসানের নেতেৃত্বে বাংলা বানান ও বর্ণমালা সংস্কার কমিটি গঠিত হয়। সে কমিটিতে সদস্য ছিলেন- ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, ড.মুহাম্মদ এনামুল হক, কাজী মোতাহার হোসেন, ইব্রাহিম খাঁ, মুহাম্মদ ফেরদৌস খান, মুনীর চৌধুরী এবং আবুল কাশেম সহ বাংলা ভাষার কালজয়ী ভাষাবিজ্ঞানী বৃন্দ। ১৯৬৭ সালের ২৮ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা পর্ষদ প্রচুর গবেষনা করে সংস্কৃত ভাষা থেকে চাপিয়ে দেয়া দুর্বোধ্য বর্ণ ও বানান পরিবর্তনের সুপারিশ করে । এবং বর্ণমালা থেকে ঈ, ঊ, ঔ, ঐ ,ঙ ,ঞ ,ণ ,ষ , ঊ-কার বাদ দেয়ার সুপারিশ করে ।
যুক্ত বর্ণে- ব-ফলা, ম-ফলার পরিবর্তে বর্ণদ্বিত্ব গ্রহন এবং জ-য এবং স-শ এর ব্যবহারের জন্য নতুন নিয়ম চালু করেন ।
১৯৪০ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ও প্রায় কাছাকছি বানান রীতি প্রবর্তন করে ।
বাংলা একাডেমী বাংলাভাষার বিজ্ঞানীদের মতামত উপেক্ষা করে সংস্কৃতি ভাষা প্রেমের পরিচয় দিচ্ছে ?
তৎসম ও তদ্ভব নামা ও বাংলা একাডেমীর ভাষা অজ্ঞরা
--@@---@@--@@
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবী ফার্সী ধর্মীয় শব্দগুলোকে তদ্ভব বলে বানান বিকৃতি করে সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান প্রমিত করন করার নামে।
কিন্তু তৎসম বা সংস্কৃতি থেকে থেকে আগত শব্দগুলোকে তার পৈত্রিক শব্দবলে কথিত প্রমিত করন করেনি ঐ জন্তুরা।
এখন প্রশ্ন হলো-তৎসম শব্দগুলোর অধিকাংশ শব্দই তো ফার্সী থেকে তদ্ভব হয়ে এসেছে। যেমন -বন্দে মাতরম দুটি শব্দই ফার্সী থেকে তদ্ভব হয়ে এসেছে। সেটা কি ঐ অজ্ঞরা জানে?
অথচ তারা রবীন্দ্র, নজরুল ,ড .শহীদুল্লাহর বানান রীতিতে ও হাত দিয়েছে। বাংলা ভাষা সংস্কারে হাত দিতে হলে অবশ্যই বাংলায় যে সব বিদেশী ভাষার শব্দ এসেছে সে ভাষার জ্ঞান থাকতে হবে।
বর্তমানে বাংলা একাডেমীতে সাবেক প্রমিত জন্তু ডিজি সহ একজন ও কি বহুডাষাবিদ আছে?
অথচ তারা অজ্ঞতা চাপিয়ে দিয়ে পুরো জাতিকে অন্ধ বানিয়ে ফেলেছে। এ সব প্রমিত মুর্খ জন্তরা ড. শহীদুল্লাহর মত ভাষাবিজ্ঞানীর বানানে হাত দিয়ে চরম বেয়াদবি করেছে। বাংলা একাডেমী বানান অভিধানের ভুমিকাটি পড়লে সব স্পষ্ট হয়ে যাবে।
বাংলা একাডেমীর
প্রমিত বানান নামের অপকর্ম দেখুন
--------------------------
হজ্ব বানানটিকে হজ বানিয়ে বাংলা একাডেমীর প্রমিত ধারকরা আরেক অপকর্ম সম্পাদন করলো /
হজ্ব একটি আরবী ও ধর্মীয় শব্দ যে শব্দের শেষ হচ্ছে আরবী জ্বীম বর্ন; আরবী বর্ন মালায় জ্বীম;ঝাল;জোআ তিনটি কাছাকাছি সমুচ্ছারিত
বর্ন থাকায় অর্থ সঠিক রাখার জন্য জ্বীম বর্নটির
উচ্ছারনে আরবী মাখরাজ বা ব্যাকরন বিধিতে
জ্বীম বর্নের উচ্ছারনে জ্বীম বর্নটি চাপ প্রয়োগে উচ্ছারন বা জ্বীম এর বর্ন দৈত্ব উচ্ছারনে প্রকাশ করতে হবে: তাছাড়া হজ্জের জ্বিম বর্নটিতে তাশদিদ বা যু্ক্ত বর্ন, অারবী যুক্ত বর্নের উচ্চারনে বাংলায়ও যুক্ত বর্ন হতে হবে; না হয় শব্দের অর্থ সম্পুর্ন পাল্টে যাবে; এ কারনেই হজ্ব শব্দটির বাংলা উচ্ছারন লিখতে অবশ্যই জ্বীম বর্নের বাংলা প্রতি বর্ন উচ্ছারনে জ্ব বা জ্জ লিখতে হবে: নতুবা শব্দটির অর্থ সম্পুর্ন বিকৃত হয়ে যাবে:
যেমন- যুক্তাক্ষরে হজ্জ বানান লিখলে অর্থ হবে পবিত্র স্থান ভ্রমন।অার যুক্তাক্ষর বাদ দিয়ে হজ বানান লিখলে অর্থ হবে - যৌনাঙ্গ।তেমিনিভাবে
৷৷ ী কার কে ি কার বানানোর অধিকারও কারো নেই।কারন দৈর্ঘ মাত্রার ব্যাবহার এসেছে বিদেশী শব্দর অর্থ ঠিক রাখার জন্য।ইংরেজী যে শব্দটির শেষে y বর্নটি থাকবে তার বাংলা উচ্চারনে অবশ্যই ীকার লিখতে হবে। নয়তো অর্থ বিকৃতি হবে।অনুরূপ অারবী যে শব্দে দৈর্ঘ মাত্রা বা দুই,তিন,বা চার মাত্রা টান বা মদ থাকে তার বাংলা বানান লিখতে হবে ীকার দিয়ে। নাহয় অর্থ পূ্র্ন বিকৃত হবে। যেমন -
৷৷৷শহীদ শব্দটি ীকার দিয়ে লিখলে অর্থ হবে - ধর্মের প্রয়োজনে প্রান বিসর্জন।অার িকার দিয়ে শহিদ লিখলে অর্থ হবে - মধুকর।
বাংলা একাডেমীর প্রমিত ধারকরা সে জ্ঞান রাখেন?
কথিত প্রমিত বানান নামে হজ্ব শব্দটিকে হজ বানান
ীকারকে িকার বানানোর অধিকার কি আছে প্রমিতদের?
যেটা যেখান থেকে এসেছে সেভাবেই চলতে হবে: জন্ম সূত্র না জেনে নিজস্ব বানাতে যাওয়াই মূর্খতা ও অন্ধত্ব জটিলতার কারন
বাংলা ভাষার পন্ডিত হতে হলে বাংলা ভাষায় মিশ্রিত অারবী,ফার্সী,হিন্দি, উর্দু, তার্কি ও ইংরেজী ভাষার মৌলিক জ্ঞান থাকতে হবে ;বাংলাভাষার পন্ডিত ছাড়া কেউই বাংলা ভাষা সংস্কারে হাত দেয়ার কোন অধিকার রাখেনা! বর্তমান বাংলা একাডেমীতে বহুভাষাবিদ একজনও কি দুরবীনে খুজে পাবেন?।
নামের বানান নিয়ে ও অজ্ঞতা?
বিশ্বের সকল বানান ব্যাকরনেই নামের বানান যে যেভাবে প্রচার করেছে সেটাই শুদ্ধতা।মানে কোন নামের বানান কখ্নো পরিবর্তন করা যাবেনা।অথচ কতিপয় মুর্খরা সেটাও করেছে। বাংলা এজাডেমী একটি নাম। সে নামের একাডেমীর ী কার কখনো পরিবর্তন যোগ্য নয়।তারপরও সেটাকে ি কার বানিয়ে চরম মুর্খতার পরিচয়
দিয়েছে বাংলা একাডেমী।এমনকিরবীন্দ্র নাথ ও নজরুলের নামের ীকারটিও পাল্টিয়ে দিয়েছে মুর্খরা।
লেখক, কবি গবেষক ইতিহাস বিদ ১৪০ টি গ্রন্থের লেখক
এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে আমার লেখা সাহিত্যের -ক্লাস--------বইটি পড়ুন ্ রকমারি ডট কম এ বইটি পাবেন#
কবি কাজী নজরুল ইসলাম
স্বাধীনতাও অধিকার আদায়ে কবি নজরুলের নবযুগ,ধুমকেতু,লাঙ্গল,পত্রিকার অবদান
-মাহমুদুল হাসান নিজামী
১৯২০ সালে বিশ্বযুদ্ধ শেষে বৃটিশ সেনাবাহিনী থেকে ফিরেই কবি নজরুলের সাংবাদিকতা ও কবিতার ধূমকেতুর আগমন ঘটে নজরুল জীবনে। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী । তিনি একাধারে ছিলেন কবি, গল্পকার, প্রবন্ধকার , সঙ্গীতকার , সুরকার, নির্ভীক দেশপ্রেমিক এবং একজন একনিষ্ঠ সাহসী সাংবাদিক ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে করাচী তে বাঙালি পল্টন ভেঙে যাওয়ার পরে তিনি যখন কলকাতায় ফিরে আসেন তার কিছুদিন আগে থেকেই ‘সওগাত’ ও ‘বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি ‘পত্রিকায় তাঁর ‘বাউণ্ডুলের আত্মকাহিনী, ‘হেনা’, ঘুমের ঘোর , ইত্যাদি কয়েকটি ছোট গল্প ও কবিতা প্রকাশিত হয়। এবং এখানেই মহম্মদ নাসিরুদ্দিন , কমরেড মাওলানা মুজাফফর আহমেদ প্রমুখ সম্পাদকের সঙ্গে লেখক রূপে নজরুলের পরিচিতি গড়ে ওঠে ।জীবিকা অর্জন ও স্বাধীন চিন্তা প্রকাশের জন্য তিনি সাহিত্যের পাশাপাশি সাংবাদিকতাকেও পেশা হিসেবে গ্রহণ করেন ।
বাংলা সংবাদপত্র জগতে কবি নজরুল ইসলামের সাংবাদিক হিসেবে বিশাল অবদান রয়েছে । তিনি এবং মোজাফফর আহমেদ যুগ্ম ভাবে সাংবাদিকতার সূচনা করেছিলেন ।নজরুল একদিকে যেমন শ্রমিক, কৃষক , সাধারণ মেহনতি মানুষের কথা বলেছেন অপরদিকে তেমনি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের আদর্শকে তুলে ধরেছেন কবিতা ও সাংবাদিকতায়।
নজরুল ও মোজাফফরের যৌথ সম্পাদনায় ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয় ‘নবযুগ’ পত্রিকা ।সেখান থেকেই শুরু হয় কাজী নজরুল ইসলামের সাংবাদিক জীবনের হাতেখড়ি ।মাওলানা মুহাম্মাদ আলী ও শওকত আলীর নেতৃত্বে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে খেলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে তখন দেশ ছিল টালমাটাল ।এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের ভারতের স্বাধীনতার পক্ষে চুলচেরা বিশ্লেষণ ফুটে উঠেছে নজরুল ইসলামের সম্পাদিত নবযুগ পত্রিকায় । নবযুগ পত্রিকাতেই কবি নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয় যার প্রতিটি ছত্রে ছত্রে ছিল জ্বলন্ত দেশপ্রেম, আন্তর্জাতিক চেতনা এবং বিপ্লব বাদী চিন্তা । , ‘তুরস্কের বিপ্লব , ‘আয়ারল্যান্ডের বিপ্লব নজরুল ইসলামের প্রেরণারই উৎস ছিল ।
নবযুগ পত্রিকার জনপ্রিয়তার আর একটি উল্লেখযোগ্য কারণ ছিল নজরুলের অগ্নি ঝরা লেখা, আকর্ষণীয় হেডিং , বড় সংবাদ কে সুকৌশলে সংক্ষিপ্তকরণ এবং কোনো কোনো সংবাদের শেষে কাব্য ভাষায় মন্তব্য প্রকাশ ।নবযুগ পত্রিকায় ‘দেশের খবর’ , পরদেশপঞ্জী , ‘মুসলিম জাহান’ ইত্যাদি সংবাদ বিভাগ অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল ।
নজরুল একই সঙ্গে বিপ্লবী কবি এবং বিপ্লবী সাংবাদিকতার ভূমিকা পালন করে গেছেন ।মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে’—–এই সম্পাদকীয় লেখার জন্য ব্রিটিশ সরকার নবযুগ পত্রিকার জামানত বাজেয়াপ্ত করে ।
১৯২২ সালের ১১ই আগস্ট প্রকাশিত হয় নজরুলের দ্বিতীয় অর্ধ সাপ্তাহিক পত্রিকা ‘ধূমকেতু ‘ । ইতিমধ্যে বিপ্লবী সাংবাদিক হিসেবে তিনি নন্দিত হয়েছেন ।এই পত্রিকা একই সঙ্গে বিপ্লবীদের এবং সাম্যবাদী চিন্তাধারার মানুষ জনের সমর্থন পেয়েছে ।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ধূমকেতু তে বানীপাঠিয়েছিলেন এভাবে -
আয় চলে আয়রে ধূমকেতু ……
উড়িয়ে দে তোর বিজয় কেতন।
রবীন্দ্রনাথের প্ররনাকে শিরোধার্য করে নজরুল তাঁর লেখায় আগুন ঝরালেন এভাবে —–
“আমি যুগে যুগে আসিয়াছি পুন:/মহাবিপ্লব হেতু……..
মহাকাল ধূমকেতু ।”
নজরুল ধূমকেতুর সম্পাদকীয়তেই পূর্ণ স্বাধীনতার দাবী উত্থাপন করলেন —–“সর্বপ্রথম ধূমকেতু ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতা চায় ।ভারতবর্ষের এক পরমাণু অংশ বিদেশের অধীনে থাকবে না।”
পূর্ণ স্বাধীনতা পেতে হলে আমাদের বিদ্রোহ করতে হবে ।আর বিদ্রোহ করতে হলে সকলের আগে আপনাকে চিনতে হবে, বুক ফুলিয়ে বলতে হবে —‘
নজরুল কবিতা লিখলেন নির্ভয়ে বানীতে
আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ ।’
ধূমকেতুর আর একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল সাম্প্রদায়িকতা ও সমাজবিরোধীতার বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলা । মুসলিম সমাজকে স্বাধীনতার মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার জন্য নজরুল ধূমকেতুর মাধ্যমে তাঁর কলম চালিয়েছিলেন ।
১৯২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ‘লেবার স্বরাজ পার্টি ‘গঠিত হওয়ার পর নজরুলের ‘লাঙ্গল ‘ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয় ।সেখানে নজরুল ইসলামের বিখ্যাত সাম্যবাদী কবিতাগুচ্ছ প্রকাশিত হয় ।
রাজনৈতিক কারণে ‘লাঙল ‘পত্রিকা গণবানী’ তে পরিণত হয় ১৯২৬ সালের ২২শে আগস্ট ।নজরুল গণবানীর সম্পাদক ও লেখক ছিলেন ।এই পত্রিকায় নজরুলের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার বিরুদ্ধে লেখা কবিতা ‘মন্দির মসজিদ , ‘লাল নিশান , ‘ কান্ডারী হুঁশিয়ার ‘ ইত্যাদি প্রকাশিত হয়।
১৯২৭ সালে প্রকাশিত ‘সওগাত ‘ পত্রিকার নজরুল ছিলেন সাংবাদিক ও লেখক । ১৯৪১সালে প্রকাশিত তাঁর সর্বশেষ পত্রিকা ‘দৈনিক নবযুগের ‘ তিনি প্রধান সম্পাদক ও লেখক ছিলেন ।
‘নবযুগ, ‘ধূমকেতু , ‘লাঙল ‘ ‘গনবানী’ প্রভৃতি পত্রিকায় নজরুলের সাংবাদিকতা বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে । জণজাগরণ ও শ্রমজীবী মানুষ কে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে কাজীনজরুল ইসলামের সাংবাদিকতা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে ।সাহিত্যিক প্রতিভার মত নজরুলের সাংবাদিক প্রতিভাও ছিল অনেকটাই সংগ্রামী ।রাইটিং , রিপোর্টিং , সিলেকটিং , কাটিং , এডিটিং প্রভৃতি কর্মকৌশল তিনি সাংবাদিকতার শুরু থেকেই করতেন ।কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ করে সম্পাদকীয় কলমে তিনি এক নতুন রীতির প্রবর্তন করেন ।নজরুলের সাংবাদিকতার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল সংবাদের নৈতিকতার প্রতি একনিষ্ঠতা।
‘নবযুগ’ পত্রিকাতে নজরুলের সাংবাদিক জীবনের হাতেখড়ি আর ‘দৈনিক নব যুগে ‘ তাঁর সাংবাদিক জীবনের শেষ ।দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসার অভাবে দীর্ঘ ৩৪ বছর নজরুলের নির্ঝর কন্ঠ স্তব্ধ ছিল । অভিমানে তিনি নীরব রইলেন।
কবিতা সাংবাদিকতা দিয়ে তিনি মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে গেছেন।
বাংলাদেশর কবি
কবি গবেষক ভাষাতত্ববিদ
কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী
- ড নাদিরা খানম
কবি, গবেষক, ভাষাতত্ববিদ, ইতিহাসবিদ
কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী
একজন মহা জ্ঞান সাধক, জ্ঞানের এমন শাখা নেই যেই বিষয়ে কবি নিজামী লিখেননি।তারলেখা শতাধিক বই যার প্রতিটির লেখাএকটি থেকে অারেকটি বইয়ের বিষয়বস্তু সম্পুর্ন ভিন্ন।
কবি নিজামীর লেখা ৫ হাজারের অধিক কবিতা গান যে সব কবিতা ও গানের বিষয়বস্তি একটি অারেকটি থেকে একেবার ভিন্ন।প্রতিটি লেখার স্বাদ সম্পুর্ন নতুন।রকমারি ডট কমে তার গুরুত্বপু্র্ন বইগুলো পাওয়া যায়।গুগলে মাহমুদুল হাসান নিজামী লিখে সার্চ দিলেই সামনে এসে যাবে সব।
কবি , গবেষক,একজন মহা জ্ঞান সাধক,গীতিকারও সুরকার, সম্পাদক - দৈনিক দেশজগত । ২০২৩ গ্রন্থমেলা পর্যন্ত প্রকাশিত গ্রন্থ- ১৪০ টি । কবি নিজামীর লেখা ও প্রচারিত গানের সংখ্যা এক হাজারের ও বেশি। যা গুগলে মাহমুদুল হাসান নিজামী লিখে সার্চ দিলেই পাওয়া যায় । সাহিত্য -কবিতা- ছড়া ইতিহাস ও গবেষণা সহ বিশ্ব সাহিত্যের শেখ সাদী , ফরিদ উদ্দিন আত্তার ও ইমরুল কায়েসের কবিতাগুলাের বাংলা ভাষায় সর্ব প্রথম কাব্যানুবাদ মাহমুদুল হাসান নিজামীকে পরিচয় বিস্তারে অনন্য করে তুলেছে । ড . মুহাম্মদ শহীদউল্লাহর পর আরবী , ফার্সি , উর্দু , ইংরেজিসহ
একজন জ্ঞান সাধক বহু ভাষা জানার মানুষ মাহমুদুল হাসান নিজামী ছাড়া দ্বিতীয়জন পাওয়া দুষ্কর । বহু ভাষার অলংকারে মাহমুদুল হাসান নিজামীর লেখা কবিতাগুলো বাংলা সাহিত্যে নবসংযোজন সৃষ্টি করেছে । জাতীয় কবিতা মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা- কবি মাহমুদুল হাসান নিজামী বাংলা সাহিত্য ও বানান সংস্কারের নবধারা তৈরিতে অনিবার্য প্রাণপুরুষ । ইউটিউবে Mahmud Nizami লিখে সার্চ দিলেই সামনে এসে যাবে তার সৃষ্টি সমগ্র । নিজ এলাকায় স্কুল কলেজ সহ অসংখ্য সামাজিক প্রতিষ্ঠাতা মাহমুদুল হাসান নিজামী ১৯৭১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার সন্দ্বীপ উপজেলার কালাপানিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন । বর্তমানে ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। পিতা- মরহুম মাওলানা আবদুল্লাহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা , মাতা - মরহুমা মায়মুনা খাতুন ।
শ্রেষ্ঠ বাংলাদেশর কবিতা
কেদোনা ,কাদে কাপুরুষ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কেদোনা ---- সুরুস,
কাদে কাপুরুষ
ক্ষেপে ওঠো দীপ্র তেজে
ঢেলে দাও প্রিয়ার হিংস্র কায়ায়
বারুদের বীর্য্য তাহার
অনিবার্য কাম উগ্রতায়
তাহার কামরসে
ত্রিশঘন্টা চষে
লিপসুর মন
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অর্থ লিপ্সুর মন
সদা সর্বদা নির্মম
সে যদি হয় আইন বনিক
মুখোশে বন্ধু হবে তব ক্ষনিক
অর্থ লিপ্সুর ভালোবাসা
কৃত্রিম খোলসে চিন্ময় হাসা
আকাশ কাদে নীরবতায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নিস্তব্ধতা আকাশ কাঁদে নীরবতায়
সমগ্র রজনী নিস্তব্ধতায়
বিষাদের ভার বুকে ধারণ করে
প্রতীক্ষায় প্রহর গোনে কাহার তরে আকাশ নিস্তব্ধ নীরবে কেঁদে যায়
এই পৃথিবীও একদিন থেমে যাবে হায়
এই আকাশ একদিন বৃদ্ধ হয়ে যাবে
এই নীরবতা একদিন অনন্ত হবে
কোন কোন বিষাদের সুর
শুনিবে বহুদুর
নিস্তব্ধতায় কাঁদিবে নিরব পৃথিবী
রয়ে যাবে কেবল প্রিয়ার স্মৃতি
গতকাল কথা বলিবে বিষাদের
নিস্তব্ধতা কথা বলে তবে বিরহের
কয়েক সেকেন্ড আগে ও মহা প্রলয়ের
যদি প্রিয়াকে পাই পৃথিবীতে ক্ষনিকের
এই সুন্দরের অববাহিকায়
মুক্তো হাসির মাঝেই উচ্ছাসিত ধরায়
স্মৃতি রোমাঞ্চিত করে খুজে পাই
আমার নদী প্রিয়ার স্মৃতির প্রতিস্বরে
অনন্তকালের তরে
ধন্য পৃথিবী তবে তাহারো কোমল স্বরে
হিয়ার মাঝে অনন্ত প্রহরে
চাষাবাদ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ইচ্ছের উর্বরতায় রমনী কায়ায়
যদি হয় চাষাবাদ
শুক্রানুগুলি ডিম্বানুর অনিচ্ছায়
যদি হয়ে যায় বরবাদ
নারীর দেহে প্রতিমাসে স্রাবের আবর্জনা
সেতো অতিলাজের লাঞ্ছনা
মানবীয় ফসলের ক্ষেতে অবাধ্য রমনী
এক মুঠি সুখ দিতে পারেনি
অভাব
মাহমুদুল হাসান নিজামী
প্রাপ্তির অাশায় থাকাই অভাব
সেতো অর্থনীতির ভাষায়
যেজন হাজার বর্ষকাটে অাশায় অাশায়
তাকে কি দেবে তুমি খাব
হিয়ার দুনিয়ায় বেহায়া মন
মমতার অভাবে কাঁদে সারাক্ষন
অনন্ত অভাবে পরিশূন্য দুনিয়া
দুটি কোমল স্বরে ভরে যায় অসীম হিয়া
বদমেজাজী নিজামীকে চিনিস?
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বদ মেজাজী এক কবি
নিজামীকে চিনিস?
মনটা তাহার মধুভরা
মুখে তাহার বিষ
কতো বসন্ত শ্বেত হেমন্ত
জীবনটাতে হইলো পার
শত্রু অাছে হাজার বিশেক
স্বজন কেহ নাইরে তার
হাসি পেলে বোকা কবি
শত্রু মিত্র ভুলে যায়
সাদা মনে কাদা ঢেলে
অমানুষে পালিয়ে ধায় ।
ভীড়ে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যদি কোন দিন হারিয়ে যাই আমি
তব স্বজনের ভীড়ে
অন্যকেহ যদি ঢুকে যায়
তব হৃদয়ের নীড়ে
তবে হয় যেনো গোএই পৃথিবী
আমারী তরে শেষ দিন।।
লাজ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
এতো কেন লাজ
খুলে দাও হাসির কারুকাজ
সবাই বিস্ময়ে দেখুক বারবার
এই সুন্দরী আমার
খুলে দাও মুখের পর্দাখানি
মায়াবী কোমলতায় শরত রানী
প্রণয়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
সব দিয়ে দিলেও প্রিতমের লাগি
কিছু সংরক্ষিত রেখে দেয় অনুরাগী
দুটি ঠোট অথবা কাজল নয়ন আখি কখনো চায় যদি প্রিয়তম সাকী
আসল প্রণয়ে থাকে না কোনো খুঁত অনুভবে সুন্দরম পবিত্র পূত
অধরা অনুভবে সদা হার্ষময়
ছুঁয়ে দিলে খুয়ে যায় স্বপ্নীল প্রণয়
কখনো ছুইওনাকো প্রনয় কায়া
তবে বর্ণিল রবে সদা ভাবনার ছায়া
নম্রতা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
থাকে যদি সর্বদা তবমুখে হাসি
সকলেই হয়ে যাবে তব দাসদাসী
কোমলতা অাচরনে নম্রতায় স্বর
সকলের হৃদয়ে বেধে যাবে ঘর
মাথা নিচু রাখলেই মাথা উচু হয়
হবে সদা বিজয়ী হবে সদা জয়
অভদ্র মানুষে সদা লাগে ভয়
নম্রতে ভালোবাসা সর্বদা রয়
অবাধ্য সাহস
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অবাধ্য সাহস যদি ছুয়ে দেয়
অদম্য মমতায়
কারো ইশারায়
শৈল্পিক নিতম্ব কায়
তাতে নেই কোন কবির দায়
শিহরিত করিলে কেন প্রিয়তায়।।
চোখের জলে
মাহমুদুল হাসান নিজাম
সেই ছবি তবে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যেন মরুঝড় এলোমেলো মনঘর নার্গিস বনে
কার হাতছানি চপলা মনখানি দুর বাতায়নে
তারুণ্য প্রভাতে নব উচ্ছলতায় বিনম্র অবয়বে
সুচিত্রা বনলতা বলে কত কথা সেই ছবি তবে
কোন কোন ছবি বানায় কবি স্বপ্নীল ভুবন
ইচ্ছের প্রপাত নব ঝর্না তিমিরে দ্যুতির উদগীরন
আশার প্রদীপ জেগে ওঠে নবীন কারুকাজে
প্রিয়তম মোর কবিতা নদী স্বপ্নীল কায়ার ভাঁজে
চুলের সিঁথি জাগায় প্রীতি মোর প্রিয়তমে
কে যেন ডাকে নিসর্গ অরন্যে সদা আলিঙ্গনে
কতো যে রূপ -সাজ অপরূপ তব কায়ায়
এতো সুন্দর কিভাবে ছড়ালে কবির মায়ায় ।
২৩/১১/২০২১
কবিতা আমার অবজ্ঞা
আর অবহেলর প্রতিধ্বনি
উদাসী বাতায়ন অধরা সমীরন
শূন্য হিয়ার শব্দ গাথুনী ।
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
বদনাম
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যেইজন পেয়েছিলো
তব উপকার
বদনাম করিবে
না পাইলে বারবার ।
মানুষ বড় নির্মম
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মুখোশপরা মানুষগুলো
চেনা বড়ো দায়
অাসল নকল চিনতে গেলে
মুখোশ অন্তরায়
এই দুনিয়ার হিসেব নিকেশ
সবি অন্যরকম
মানুষ গুলো এমন কেন,
কেনরে এমন ।।
মরীচিকার দুনিয়াতে
সবি অভিনয়
যা দেখা যায় বাহিরেতে
ভিতরে তা নয়
অাজকে যেজন শত্রু চরম
কালযে ছিল অাপন।।
প্রয়োজন অার স্বার্থের তরে
সাজে প্রিয়জন
বিপদ এলে কেটে পড়ে
মানুষ বড় নির্মম
সরলতার সুযোগ নিয়ে
সবি করবে হরন ।।
তারার ফুল
মাহমুদুল হাসান নিজামী
রাতের জমিনে জ্যোসনা নামে
আকাশে তারার ফুল
মধ্যরাতে বেঁকে গেলে
সাঁঝের বেলায় কবুল কবুল ।
হস্তে গয়না কন্ঠে ময়না
কতো স্বপন করলে বপন
নীরবে নিশিথে ছুঁয়ে দিলে
ইচ্ছে সোহাগ বিলিয়ে যতন ।
সাঁঝের বেলায় মেহেদী ফুল
তিমিরে রজনী গন্ধা
অধরা ঐ সুরে মাতাল
নীলের নিরব ছন্দা ।
কে তুমি গো দুরের দেশে
শোনাও সুরের বানী
তুমিগো কাহার ছন্দে নাচো
হামিগো তাহা জানি।
ভুলে ভুলে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ভুলে ভুলে পার হৈলো
জীবনের আধাবেলা
ওরে বোকা জীবন নিয়া
আজো করিস খেলা
মানুষ চেনা বড় দায়
স্বার্থের তরে বদলে যায়
সরল মানুষ সাদা মানুষ
যিনি অতি মহান
নিজের মতো ভাবেন তিনি
অন্যজনে সমান ।
স্বাক্ষর
মাহমুদুল হাসান নিজামী
স্বরের প্রতিটি প্রতীক আমার একেকটি অক্ষর
অক্ষরের মিলিত বাসরে প্রসব হয়ে যায় স্বাক্ষর
দুটো স্বাক্ষরে হয়ে যায় আমাদের নিরাপদ চুক্তি
জজ সাহেবর স্বাক্ষরে হয়তো সাজা নয়তো মুক্তি
স্মৃতির স্বাক্ষরে লেখা ছিল যেই নাম
গোকুলপু্রের ধানক্ষতে দোলা দেয় অবিরাম
যেই রং ছুঁয়েছিল অধরা অক্ষরে
হৃদয় পাতায় শর্তবিহীন চুক্তির স্বাক্ষরে
শরত অথবা হেমন্তের সাঝের বেলায়
কালের সাক্ষী একটি নদী আর নীলিমায়
কবির চুক্তির শর্তগুলো মমতার কাছে হয় সমর্পন
হৃদয় চুক্তির নেই কোন নবায়ন
কেদোনা ,কাদে কাপুরুষ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কেদোনা ---- সুরুস,
কাদে কাপুরুষ
ক্ষেপে ওঠো দীপ্র তেজে
ঢেলে দাও প্রিয়ার হিংস্র কায়ায়
বারুদের বীর্য্য তাহার
অনিবার্য কাম উগ্রতায়
তাহার কামরসে
ত্রিশঘন্টা চষে
লিপসুর মন
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অর্থ লিপ্সুর মন
সদা সর্বদা নির্মম
সে যদি হয় আইন বনিক
মুখোশে বন্ধু হবে তব ক্ষনিক
অর্থ লিপ্সুর ভালোবাসা
কৃত্রিম খোলসে চিন্ময় হাসা
আকাশ কাদে নীরবতায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নিস্তব্ধতা আকাশ কাঁদে নীরবতায়
সমগ্র রজনী নিস্তব্ধতায়
বিষাদের ভার বুকে ধারণ করে
প্রতীক্ষায় প্রহর গোনে কাহার তরে আকাশ নিস্তব্ধ নীরবে কেঁদে যায়
এই পৃথিবীও একদিন থেমে যাবে হায়
এই আকাশ একদিন বৃদ্ধ হয়ে যাবে
এই নীরবতা একদিন অনন্ত হবে
কোন কোন বিষাদের সুর
শুনিবে বহুদুর
নিস্তব্ধতায় কাঁদিবে নিরব পৃথিবী
রয়ে যাবে কেবল প্রিয়ার স্মৃতি
গতকাল কথা বলিবে বিষাদের
নিস্তব্ধতা কথা বলে তবে বিরহের
কয়েক সেকেন্ড আগে ও মহা প্রলয়ের
যদি প্রিয়াকে পাই পৃথিবীতে ক্ষনিকের
এই সুন্দরের অববাহিকায়
মুক্তো হাসির মাঝেই উচ্ছাসিত ধরায়
স্মৃতি রোমাঞ্চিত করে খুজে পাই
আমার নদী প্রিয়ার স্মৃতির প্রতিস্বরে
অনন্তকালের তরে
ধন্য পৃথিবী তবে তাহারো কোমল স্বরে
হিয়ার মাঝে অনন্ত প্রহরে
চাষাবাদ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ইচ্ছের উর্বরতায় রমনী কায়ায়
যদি হয় চাষাবাদ
শুক্রানুগুলি ডিম্বানুর অনিচ্ছায়
যদি হয়ে যায় বরবাদ
নারীর দেহে প্রতিমাসে স্রাবের আবর্জনা
সেতো অতিলাজের লাঞ্ছনা
মানবীয় ফসলের ক্ষেতে অবাধ্য রমনী
এক মুঠি সুখ দিতে পারেনি
অভাব
মাহমুদুল হাসান নিজামী
প্রাপ্তির অাশায় থাকাই অভাব
সেতো অর্থনীতির ভাষায়
যেজন হাজার বর্ষকাটে অাশায় অাশায়
তাকে কি দেবে তুমি খাব
হিয়ার দুনিয়ায় বেহায়া মন
মমতার অভাবে কাঁদে সারাক্ষন
অনন্ত অভাবে পরিশূন্য দুনিয়া
দুটি কোমল স্বরে ভরে যায় অসীম হিয়া
বদমেজাজী নিজামীকে চিনিস?
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বদ মেজাজী এক কবি
নিজামীকে চিনিস?
মনটা তাহার মধুভরা
মুখে তাহার বিষ
কতো বসন্ত শ্বেত হেমন্ত
জীবনটাতে হইলো পার
শত্রু অাছে হাজার বিশেক
স্বজন কেহ নাইরে তার
হাসি পেলে বোকা কবি
শত্রু মিত্র ভুলে যায়
সাদা মনে কাদা ঢেলে
অমানুষে পালিয়ে ধায় ।
ভীড়ে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যদি কোন দিন হারিয়ে যাই আমি
তব স্বজনের ভীড়ে
অন্যকেহ যদি ঢুকে যায়
তব হৃদয়ের নীড়ে
তবে হয় যেনো গোএই পৃথিবী
আমারী তরে শেষ দিন।।
লাজ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
এতো কেন লাজ
খুলে দাও হাসির কারুকাজ
সবাই বিস্ময়ে দেখুক বারবার
এই সুন্দরী আমার
খুলে দাও মুখের পর্দাখানি
মায়াবী কোমলতায় শরত রানী
প্রণয়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
সব দিয়ে দিলেও প্রিতমের লাগি
কিছু সংরক্ষিত রেখে দেয় অনুরাগী
দুটি ঠোট অথবা কাজল নয়ন আখি কখনো চায় যদি প্রিয়তম সাকী
আসল প্রণয়ে থাকে না কোনো খুঁত অনুভবে সুন্দরম পবিত্র পূত
অধরা অনুভবে সদা হার্ষময়
ছুঁয়ে দিলে খুয়ে যায় স্বপ্নীল প্রণয়
কখনো ছুইওনাকো প্রনয় কায়া
তবে বর্ণিল রবে সদা ভাবনার ছায়া
নম্রতা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
থাকে যদি সর্বদা তবমুখে হাসি
সকলেই হয়ে যাবে তব দাসদাসী
কোমলতা অাচরনে নম্রতায় স্বর
সকলের হৃদয়ে বেধে যাবে ঘর
মাথা নিচু রাখলেই মাথা উচু হয়
হবে সদা বিজয়ী হবে সদা জয়
অভদ্র মানুষে সদা লাগে ভয়
নম্রতে ভালোবাসা সর্বদা রয়
অবাধ্য সাহস
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অবাধ্য সাহস যদি ছুয়ে দেয়
অদম্য মমতায়
কারো ইশারায়
শৈল্পিক নিতম্ব কায়
তাতে নেই কোন কবির দায়
শিহরিত করিলে কেন প্রিয়তায়।।
চোখের জলে
মাহমুদুল হাসান নিজাম
সেই ছবি তবে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যেন মরুঝড় এলোমেলো মনঘর নার্গিস বনে
কার হাতছানি চপলা মনখানি দুর বাতায়নে
তারুণ্য প্রভাতে নব উচ্ছলতায় বিনম্র অবয়বে
সুচিত্রা বনলতা বলে কত কথা সেই ছবি তবে
কোন কোন ছবি বানায় কবি স্বপ্নীল ভুবন
ইচ্ছের প্রপাত নব ঝর্না তিমিরে দ্যুতির উদগীরন
আশার প্রদীপ জেগে ওঠে নবীন কারুকাজে
প্রিয়তম মোর কবিতা নদী স্বপ্নীল কায়ার ভাঁজে
চুলের সিঁথি জাগায় প্রীতি মোর প্রিয়তমে
কে যেন ডাকে নিসর্গ অরন্যে সদা আলিঙ্গনে
কতো যে রূপ -সাজ অপরূপ তব কায়ায়
এতো সুন্দর কিভাবে ছড়ালে কবির মায়ায় ।
২৩/১১/২০২১
কবিতা আমার অবজ্ঞা
আর অবহেলর প্রতিধ্বনি
উদাসী বাতায়ন অধরা সমীরন
শূন্য হিয়ার শব্দ গাথুনী ।
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
বদনাম
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যেইজন পেয়েছিলো
তব উপকার
বদনাম করিবে
না পাইলে বারবার ।
মানুষ বড় নির্মম
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মুখোশপরা মানুষগুলো
চেনা বড়ো দায়
অাসল নকল চিনতে গেলে
মুখোশ অন্তরায়
এই দুনিয়ার হিসেব নিকেশ
সবি অন্যরকম
মানুষ গুলো এমন কেন,
কেনরে এমন ।।
মরীচিকার দুনিয়াতে
সবি অভিনয়
যা দেখা যায় বাহিরেতে
ভিতরে তা নয়
অাজকে যেজন শত্রু চরম
কালযে ছিল অাপন।।
প্রয়োজন অার স্বার্থের তরে
সাজে প্রিয়জন
বিপদ এলে কেটে পড়ে
মানুষ বড় নির্মম
সরলতার সুযোগ নিয়ে
সবি করবে হরন ।।
তারার ফুল
মাহমুদুল হাসান নিজামী
রাতের জমিনে জ্যোসনা নামে
আকাশে তারার ফুল
মধ্যরাতে বেঁকে গেলে
সাঁঝের বেলায় কবুল কবুল ।
হস্তে গয়না কন্ঠে ময়না
কতো স্বপন করলে বপন
নীরবে নিশিথে ছুঁয়ে দিলে
ইচ্ছে সোহাগ বিলিয়ে যতন ।
সাঁঝের বেলায় মেহেদী ফুল
তিমিরে রজনী গন্ধা
অধরা ঐ সুরে মাতাল
নীলের নিরব ছন্দা ।
কে তুমি গো দুরের দেশে
শোনাও সুরের বানী
তুমিগো কাহার ছন্দে নাচো
হামিগো তাহা জানি।
ভুলে ভুলে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ভুলে ভুলে পার হৈলো
জীবনের আধাবেলা
ওরে বোকা জীবন নিয়া
আজো করিস খেলা
মানুষ চেনা বড় দায়
স্বার্থের তরে বদলে যায়
সরল মানুষ সাদা মানুষ
যিনি অতি মহান
নিজের মতো ভাবেন তিনি
অন্যজনে সমান ।
স্বাক্ষর
মাহমুদুল হাসান নিজামী
স্বরের প্রতিটি প্রতীক আমার একেকটি অক্ষর
অক্ষরের মিলিত বাসরে প্রসব হয়ে যায় স্বাক্ষর
দুটো স্বাক্ষরে হয়ে যায় আমাদের
শ্রেষ্ঠ বাংলাদেশর কবিতা
সুন্দর মানে ২০২৪ /৩
মনের ধর্ষণ গুরুতর
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মনে সবে বহুগামী মনটা ঘুরে সবার
উপরেতে সাদা খো
ভালো বউ ভালো বই
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ভালো বউ ভালো বই
পাল্টে দেবে জীবন
অন্য রকম সুখেতে
আপন হবে ভুবন ।
ঘুম
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিলো
দিবসে যাহারা অর্ধদিন
কেমনে দেখিবে স্বপ্ন তাহারা
দুখেতে জীবন হয় মলিন।
হ্যাপি বার্থডে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
হ্যাপি বার্থডে মে লং লাইফ ব্লুমিং
শুভ হোক শুভ হোক তব জন্মদিন
আনন্দ উচ্ছাস সারা জীবনে
থাকুক থাকুক তব অমলিন
হ্যাপি বার্থডে মে লং লাইফ ব্লুমিং
শুভ হোক শুভ হোক তব জন্মদিন ।।
অতীতের যত আছে ক্লান্তি
মুছে যাক মুছে যাক সব শ্রান্তি
আগামীর স্বপ্নটা বর্ণিল হোক
সারাটি জীবন হোক রঙিন।।
আজকের স্মৃতিটা অনন্ত হোক
আগামীটা হোক তবে ক্লান্তিহীন
সুখ আর শান্তিতে ভরে যাক
জীবনের প্রতিটি দিন ।।
তেল
মাহমুদুল হাসান নিজামী
তেল দিলে তেল পায়
ফাঁকা মাথায় তেল
তেলটা কোথা দেব
চাচাজীর মাথাতো
পুরাটাই বেল ।
বুদ্ধিজীবী
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বুদ্ধির প্রেশারে বেল হলো মাথাটা
তেলবাজী করে তিনি পেয়ে যান ভাতাটা
একটু ঢলঢলে পান্জাবীর হাতাটা
ব্রোকারী করে পান অন্যের ছাতাটা।
পাচকে সাত করেন ,সাতকে নয়
তেলবাজী করে নেন যতসব জয়
বুদ্ধিজীবী তিনি হামারী দেশটায়
তিলকে তাল করে মেতে থাকেন বেশটায়।
ভাব বাজী
মাহমুদুল হাসান নিজামী
সস্তারা সস্তা ভাবে
দামী ভাবে দামী
ভাববাজী জানেনা
কবি নিজামী
বাংলাদেশ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
লঙ্কা ছিল না ভারত ছিল না ছিলো না পাকিস্তান তখনো আমার দেশটা ছিল ইতিহাসে অম্লান
বঙ্গদেশ আমার বাংলাদেশ ।।
হাজার বছর সাত হাজারে ইতিহাসের পাতা
গৌরবের বাংলাদেশের সেই সে কত কথা
গৌর ছিল রাজধানী শত বছর ধরে
ইতিহাসের সেই কাহিনী ভুলবো কেমন করে যশোধর্মনের বঙ্গদেশ প্রথম স্বাধীনতা
গৌরবের কত কথা
রাজধানী সোনারগাঁ
ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
দুইশো বছর স্বাধীন ছিল
দ্বিতীয় বাংলাদেশ সুবর্ণ অশেষ ।।
জাহান জাহাঙ্গীরনগর মুর্শিদাবাদ
আমার রাজধানী
সুভাষ বসু শহীদ তিতু
শরীয়ত উল্লাহ শওকত আলী
শেরেবাংলা সরওয়ার্দী প্রিয় ভাসানী
মোদের যত গৌরব সব তোমাদেরী
নতুন করে জাগালে গো ঘুমন্ত মোর হিয়া
ইতিহাসের নব নায়ক মুজিব এবংজিয়া
এনেছিলে স্বাধীনতা তোমরা সর্বশেষ ।।
অবিশ্বাসী মন
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যখন যার কাছে যায়
রমনী হয়ে যায় তার
সুন্দর স্বপ্ন গুলো
করে দেয় ছারখার।
তেল পেলে তৈলায়িত
বোধের শূন্যতায়
অবিশ্বাসী মন কায়ায় কায়ায়
নয়নে নয়ন দোল খায়।
শত্রুতার জবাবে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যেইসব সফলতায়
শত্রুরা বেশী জ্বলে
সেই সব বেশী করো
মুখে কথা না বলে।
শত্রুতা জবাবে
শত্রুতা কভু নয়
মূল্যবান সময়টা
অযথা হবে ক্ষয়।
সেরা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
সেরা চিনতে লাগে সদা
সেরা একটি জন
জ্ঞানে আর গুনে ভরা
বোধের দুই নয়ন।
বই ও বউ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বই সদা খোলা রাখো
বউ রাখো ঢেকে
অন্যথা পালাবে
তোমাকে রেখে।
বোকা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যাহার কাছে আসল নকল
চেনার নাহি বোধোদয়
তাহার কাছে চকচকে সব
আসল বলে মনে হয় ।
এদের বলে বোকা
পথে পথে খায়রে ধোকা।
দুই টি ভাষার দিন
মাহমুদুল হাসান নিজামী
উনিশ মে ভাষা দিবস
বরাক বরাক বরাক
শিলচরের রক্ত আগুন
ভারতবর্ষে ছড়াক ।
আসামের শিলচরে
বাংলা ভাষা খুনকরে
ভারতীয় মিশিনগান
ঝরলো আমার বর্নমালা
এগারোটি তাজা প্রান।
আটই ফাগুন ভাষা দিবস
ফেব্রুয়ারী একুশে
রক্তনদী সৃজন করে
পাক হানাদার পুলিশে।
পাক -ভারত দুই হানাদার
দুই দুশমন বাংলা ভাষার
আটই ফাগুন উনিশে মে
দুই টি ভাষার দিন
বজ্র মিছিল শোধ করিবে
আমার ভাইয়ের রক্ত ঋণ।
আত্মসাত
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ডাইনী আমার সব একাই আত্মসাত করতে চায়
আমার শরীর আমার ইচ্ছে আমার শুক্রাণু
সব সে একাই আত্মসাত করতে চায়
একজন কবি গনমাল অবোধ জানেনা সে কথা
কবির দশ হাজার কোটি তন্তীকোষে
দশ হাজার কোটি ভালোবাসার বসবাস
একজন কবি দশহাজার কোটি ডিম্বাণুর খোরাক।
কবির শুক্রাণু কোটি ডিম্বাণু খোঁজে সদা সর্বদায়
অতৃপ্ত আত্মায়।
রাত আসে রাত ফুরিয়ে যায়
দিন আসে,দিন ফুরিয়ে যায়
চরিত্রহীন শুক্রাণু নিত্য নতুন ডিম্বাণু খোঁজে
অবোধ অন্ধ চোখ বুজে।
সঞ্চয়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
সাশ্রয়ী না হলে
হইবেনা সঞ্চয়
দুঃখটা বয়ে আনে
অযথা অপচয়।
দুশমনি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
থাকে যদি সুন্দরী
আর মেধা-ধন
তার পিছে লেগে থাকে
সদা দুশমন ।
সন্দ্বীপ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
আমার সকল আবেগ -প্রীতি হৃদয়ে অন্তরীপ
সাগর কন্যা তাহার কোলে দুলছে গো সন্দ্বীপ হুদ্রাখালির উদীচী বহে মেঝো ফুফির বাড়ি
অচিন পুরের দূর সমীরণ দেয়গো আমায় নাড়ি কাজিরখিলের কাজি বাড়ি এখন কোথায় ভাই বুকের ভিতর ঝড় বহেছে স্মৃতির মিনারায় বাটাজোড়া-তেলিরহাট
সাহেবানী মসজিদ ঘাট
বুকের অনল স্মৃতি
সেইতো মম জন্মভূমি লক্ষ হাজার প্রীতি
কাঁদায় শুধু স্মৃতি মমে
সাগর ডাকে জন্ম ভূমে
সতাল খালের বাঁশের সেতু কোথা পাবে ভাই
আগের কিছু এখনতো আর আগের মতো নাই।
অভিমান
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অতি বেশী ভালোবাসা
যার কাছে চায়
তার সাথে অভিমান
কথায় কথায়।
সব মান অভিমান
যত আবদার
যার কাছে ভালবাসা
তার কাছে তার।
স্পর্শের অনুভবে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
স্পর্শের অনুভবে যদি ধরে কম্পন
ইচ্ছের আরাধনায় হাসিবে নব স্বপন
যদি বসন্তের ধূসর গোধূলি বেলায়
রক্ত আকাশ বর্ণিল প্রহর ছুঁয়ে যায়
হালের ছবি শিহরিত করে দুই নয়ন
আঁধারে জোনাক ভাবনার অনু চিত্রন
হিয়ায় পুলকিত ক্ষন কে যেন আসে
মায়াবী ছোঁয়ায় নব কবিতা নব অনুপ্রাসে
ছুঁয়ে দিও প্রিয়তম মমতার হাত
কেটে যাবে রাত হাসিবে নব প্রভাত।
নদীর চিৎকার
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কষ্টগুলো অন্যগ্রহে জমা রাখবো
বিষাদের অলংকারগুলো
যেন কেউ ছিনিয়ে নিতে না পারে
নস্টগুলো ইচ্ছের ডাস্টবিনে
যেন সৃষ্টির জমিনে উর্বরতা আনে
যদি কোন তিমিরে শংকিত মন
দিয়ে যায় প্রলাপের স্বকথন
নস্টপ্রহরগুলো একাকীত্বের গ্রহে
আধারের দোসর হয়ে যায়
রাতের শেষে নদীর চিৎকার
তনিমা সুন্দরে অন্যরকম চমৎকার
কোন কোন চিৎকার শিল্পীর উপকরন
সৃষ্টির উর্বরতা এনে দেয়
কোন কোন ক্রন্দন।
কোন কোন হাসি
খুব সর্বনাশী।
চুপ চুপ চুপ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
চুপ চুপ চুপ
তালা মারো মুখ
কথা কম কাজ বেশী
পাইবে সুখ ।।
কথা থেকে কথা আসে
আজেবাজে কথা
কথা থেকে সুখ আসে
কথা থেকে ব্যথা
কোনো কথা বয়ে আনে
যত সব দুখ।।
বেশী কথা বলিলে
ভুল কথা বের হয়
এক কথা ভুলেতে
ইজ্জত হয় ক্ষয়
সংযত থাকে সদা
জ্ঞানীদের মুখ।।
সেরা চিনতে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
সেরা বোধটা থাকা চাই
সেরাটা চিনতে
রুচিবোধটা থাকা চাই
ভালোটা কিনতে।
করিলে চকচক
সোনা কভু হয়না
মেকি আর আসলে
মিশে যায় গয়না।
মুখোশটা খুলিলে
আয়নায় দেখা যায়
আসল আর নকলের
ব্যবধানটা কোথায়।
রমজান
মাহমুদুল হাসান নিজামী
আসসালামু আসসালাম
মানে রমজান।
যেই মাসেতে নাজিল হলো
মানবতার ত্রান
নবধারার জাগলো ধরা
এলোরে কুরআন।
সাধনারী শুদ্ধতায়
আসমানী ফরমান
হেরার মাঝে নব হেরা
রাসুলে আকরাম।
হাজার রাতের সেরা
এই লাইলাতুল ক্বদর
বেহেশতেরী সওগাতে
আলোকিত প্রহর।
রাস্ট্র আমি তোমাকে ট্যাক্স দেব না
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
রাষ্ট্র আমি তোমাকে ট্যাক্স দেব না
তুমি আমায় রক্ষা করতে পারছ না
সকাল ছয়টায় আগুন লাগে বঙ্গ বাজারে
আর রাত আটটা পর্যন্ত রাস্ট্র তুমি আগুন
নিভাতে পারছ না
আমার জান মাল রক্ষা করতে পারছ না
রাষ্ট্রের ব্যর্থ কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করলাম
আমি জনতা আর এই ভারগুলোকে
পালন করতে পারবনা
রানা প্লাজায় আঠারো দিন ইট পাথরের নিচে
আমি বাঁচার জন্য চিৎকার করে মরি
রাষ্ট্র তুমি আমায় রক্ষা করতে পারনি
আমি তোমাকে ট্যাক্স দিবো না ।
তুমি রক্ষা করে চলেছ তোমার কর্মকর্তা-
কর্ম কর্মচারীদের অথচ তোমাকে লালনের
সব অর্থ আমি দিয়ে থাকি আমি জনতা
আমাকে তুমি রক্ষা করতে পারছ না
অথবা করছ না
কারণ আমার হাতে বন্দুক নেই
ফাইল আটকাবার ক্ষমতা আমার কাছে নেই
ফাঁসি দেওয়ার ক্ষমতা আমার কাছে নেই
সাজা দেওয়ার ক্ষমতা আমার কাছে নেই
কারণ আমি জনতা আমি ক্ষমতাহীন
রাষ্ট্রের প্রজা আমার প্রজাতন্ত্রে তুমি কর্মচারী
তুমি আমায় শোষণ করে চলেছ
তুমি আমায় রক্ষা করতে পারছ না
রাস্ট্র আমি তোমাকে ট্যাক্স দেব না ।
বিশ ত্রিশ বছর ধর্ষিত হয় জনতার ফাইল
কোন সমাধান হয়না
আমি এমন কোন রাষ্ট্র মানি না
আমি কোন হাতের শিকল মানি না
কলমের খোঁচায় তুমি আমাকে শোষণ করবে
আমি তা হতে দেব না
আমি জুলুমের যবনিকার মৃত্যু চাই
শোষক রাষ্ট্রের পতন চাই
আমি জনতা আমি রাষ্ট্রের মালিক
অথচ তোমাকে আমার স্যার বলতে হবে
আমি এই রাষ্ট্র এই রাষ্ট্রের কর্তা কাউকে
লালন করতে আর ট্যাক্স দেব না।
গোলাম যখন প্রভু হতে চায়
তখন ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিতে হয়
স্যার দাবিদার কর্তাদের অফিস
থেকে ঘাড় ধাক্কা মেরে বের কর
অন্যথায় তোমাকে আমি ট্যাক্স দেব না ।
রাস্ট্র তুমি ফাইলের অত্যাচার বন্ধ কর
প্রজাতন্ত্রের মালিক জনতায়
তুমি রক্ষা করতে পারছ না
আমি জনতা রাষ্ট্রের মালিক
ঘুষখোর ব্যর্থ সব কর্মকর্তা কর্মচারীদের
আমি জনতা বেতন বন্ধ করলাম।
জয় হোক জনতার
রাষ্ট্র তুমি আমার রাষ্ট্র তুমি জনতার।
নব আলপনায় ভরে যাক
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
ধুয়ে যাক সব পঙ্কিলতা তপ্ত রৌদ্র ঘামে
যদি ক্লান্ত বদনে বৈশাখী বৃষ্টি নামে
নব সুন্দরে সাজুক নব প্রান
উড়ুক ঐ নতুনের নব নিশান
ওগো ও বৈশাখ
অনন্ত শুভ্রতায় তব অনুরাগ
সুশীল সুন্দরে নব আলপনায়
স্বপ্নটা ভরে যাক কানায় কানায় ।
কাল বোশেখী
মাহমুদুল হাসান নিজামী
গুড়ুম গুড়ুম আসমানী
কালবৈশাখীর ঝড় তুফান
কখন জানি কি ঘটে যায়
থরথরে কাঁপছে প্রাণ ।
বাত্তিগুলো নিভু নিভু
আসমানীর ঐ বিজলীতে
উড়ছে ডাল ঘরের চাল
কাল বোশেখীর ঘূর্নিতে।
আম্মাজানে তসবি হাতে
আব্বাজানে মচল্লায়
প্রলয় শিখায় হঠাৎ করে
জানটা যেন নিয়া যায়।
তেলবাজ অতিথি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
তেলবাজ টাক সাহেব
তেল মেরে চলে
অপাত্রে তেল মারে
ফাও যারে তারে।
তেল মারা অতিথি
পুজি তার তেল
কাধে এক থাকে ব্যাগ
মাথাটা বেল।
অযোগ্য অবোধে
তেল চায় ফাও
যোগ্যতা নাই যাহা
হতে চায় তাও।
তৈলবাজ চামচা
ভিতরে খালি
তেলমেরে বোকাদের
কুড়ে নেয় তালি।
পাপের পরিনতি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
পাপের প্রথম পরিনতি
অস্থিরতা অশান্তি
ছটফট মন
করে সারাক্ষণ।
মৌলবাদ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
ধর্মের নামে মানুষে মানুষে
বিভেদ যাহারা ছড়ায়
রাজনীতির ভিন্ন মতে
ঘৃনা বিদ্বেষ পড়ায়
মানুষের মঙ্গল চায়না তাহারা
উভয় দলই নরাধম
উন্মাদনার বাক্যবানে
ছড়ায় বিদ্বেষ চরম।
রাজনীতির হিংস্রবাদী
ধর্মীয় মৌলবাদ
আমি বলিবো মানুষ বাঁচুক
হিংসুকেরা নিপাত যাক।
প্রিয়তম এই ছবিটা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
হৃদয় সুরে বাশি ওরে অন্তপুরে মারে টান
কোন বিরহী ডাকে মোরে সুপ্ত হিয়া জায়গায় প্রাণ ইচ্ছে গুলো আকর্ষনে অন্যরকম অনুচাষ
জোয়াল কাধে স্বপ্নগুলো নিসর্গের ঐ অনুপ্রাস
জল থইথই শিং কৈ উজান স্রোতে উজানে
বৃষ্টি গুলো ওহীপুরে মূষলধারায় নামে
নদীর নাম ইলুরিয়া যমুনার ঐ পাশে
রাঙা গোলাপ অবয়বে ইচ্ছে গুলো হাসে
প্রিয়তম এই ছবিটা আমার বাংলাদেশ
বৃক্ষ রাশি অবিনাশী রঙ্গের অতিবেশ ।
মিছিল
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অন্য রকম শুদ্ধচাষে
রক্তকনা পিছিল
বজ্র নিনাদ ক্ষুদ্ধ স্বরে
মিছিল এলো মিছিল।
আমজনতার নামলো জোয়ার
অধিকারের স্লোগান
তিতুমীরের বাশের লাঠি
করলো আমায় ত্রান।
অধিকারের দাবী আমার
জাগলো মতিঝিল
মানিনা মানবোনা
মিছিল এলো মিছিল।
মিছিল মানে সমস্বরে
জাগলো হাজার মুখ
মিছিল মানে ভয়ে কাপে
অপরাধীর বুক।
মিছিল এলো মিছিল
মিছিল এলো মিছিল।
যদি খাঁটি হয় প্রণয়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যদি খাঁটি হয় প্রণয়
প্রিয়তমের সকল দোষ লুকিয়ে রয়
যদি ভালোবাসা হয় খাঁটি মমতাময়
তাহার কাছে অন্য সবি তুচ্ছ মনে হয়
মমতার অর্থ বুঝেনা হৃদয়হীন
কি বুঝিবে আহা! বেঅফা ভাবনার দীন
জ্ঞানের গহীনতা নাহি যাহার
তাহাকে ঘিরিয়া ধরিবে শুধু অহংকার ।
অহংকারের অন্ধকারে ভুল ও মনে হয় ঠিক
অবোধ বুঝেনা কিছুই আপন ভাবনার বিপরীত।
বেয়াদব
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অভদ্র বেয়াদব
হারাবে সেসব
বেয়াদবের দুর্গতি
হবে না উন্নতি
থাকে যদি বিনয়
সবকিছু হবে জয়।
শ্রেষ্ঠ বাংলা কবিতা
সুন্দর মানে ২০২৪/ ২
হিসাব
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যখন নীরবতায় রাত্রি নামে অন্ধকার অমানিশায় কখনো আমি তখন হেসে উঠি অনন্ত ভরসায়
রাত্রি মানে শুধু অন্ধকার নয়
দিবালোকেও কখনো আঁধার হয়
প্রাপ্তির হিসেবে যখন গরমিল হয়ে যায়
তখনই অন্ধকারে সমগ্র জীবন ছেয়ে যায়
জীবন মানে দুহস্তে লেখা অদৃশ্য কেতাব
জীবন মানে প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির অনন্ত হিসাব
আমলনামায় হিসাব যদি অমিল হয়ে যায়
আমাতেই বর্তাবে সব অ
যদি হঢ আপন
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যদি থাকে মন
মানুষের বিপদে বুকে ধরে কাঁপন।
যদি হয় আপন
স্বজনের বিপদে অস্থির সারাক্ষণ
নাশোকর
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নাশোকর মানুষের
শোকরটা নাইরে
তত পায় তত লাগে
আরো আরো চায়রে।
রোদ হলে বৃষ্টি
বৃষ্টিতে রোদ চায়
অন্তহীন অভিযোগ
স্রষ্টাকে করে দায়।
কবিতা হৃদয়ের ভস্ম ছাই
মাহমুদুল হাসান নিজামী
একটি হৃদয় হাজারোবার জ্বলে
যেই ভস্ম ছাই ভাসে
অতপর সেই ভস্ম থেকে
একটি কবিতা আসে ।
কবিতা সেতো বিষাদের ফসল
অনুভবের নব উৎপল
কবিতা সেতো সাকিরার ক্লান্ত হাসি
সুঠাম আঠারো উর্বশী ।
নব নব বিষাদ ছন্দ অনুপ্রাসে
নব কবিতা হাসে।
যদি কোন মাধুরী সুর
ইথারে ভাসে বহুদুর
অন্য এক সুন্দর অনুভবে
তিমিরে জোনাক পিদিম আমার ও কবিতা হবে।
যামিনীতে কামিনী অনুভবের ছোয়ায়
সেও এক কবিতা হয়ে যায়।
প্রসব বেদনা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নারীরা শুধু দশমাস থাকে প্রসব বেদনায়
আর কবিরা সারাজীবন কাতরায়
একেকটি কবিতার প্রসব ব্যথায়
ছন্দের বীর্য কবিতার পাতায়।
অতপর গর্ভপাত যদি হয় কোন কবিতার
সূরার নেশায় নেমে আসে অন্য আঁধার।
কবির সব সুখ কবিতার জন্মের পর
হাজারো স্বপন কোলাহল করে অতপর।
কে যেন নাইরে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
স্মৃতির জল করে টলমল
হৃদয়ের হাওরে
আপন বুঝি আহা
নাহি কেউরে।।
কতো কথা মনে পড়ে
কতো ব্যথা মন ঘরে
কালো মেঘ আকাশে
বিষাদের বারি ঝরে
কে যেন ডাকে আজি আয়রে।।
কে ডাকে অধরায়
মনটা কেঁদে যায়
ভরপুর আছে সব
নাই নাই অনুভব
কে যেন অাজি নাইরে।।
তব সুন্দর,
মাহমুদুল হাসান নিজামী
তব সুন্দর ওগো সকলের তরে
তব সুরভী ওগো সবার
প্রিয়তম পুষ্প গোলাপ
ওগো প্রিয়জনের উপহার
ঝরে যাওয়ার পর কোমল হাতে
ছুয়ে দেখেনা কেহ আর।।
কত সুন্দর ছিঁড়ে যায় মমতার বন্ধন
কত ইতিহাস মুছে যায় স্মৃতির কথন
স্মৃতি হয়ে বেঁচে থাকে কত মুখ
কত কিছু ঢেকে দেয় কালের আধার।।
ঝরে যাওয়ার কয় দিন পর
পুরানো সমাধিতে কেউ নেয়না খবর
গোলাপ ঝরে সাত দিন পরে
আবর্জনা হয়ে যায় এই ধরার ।।
অজ্ঞতার অন্ধকারে
নিজেকে ভাবে মহান
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
বিবেক অার বোধহীন
অহংকারের অন্ধকারে
হারিয়ে ফেলে বিচার শক্তি
সত্য বুঝার তরে।
করতে পারেনা বোধহীন
ভালো মন্দের ব্যবধান
অজ্ঞতার অন্ধকারে
নিজেকে ভাবে মহান।
আকাশ দিগন্ত মস্তক লুকায়
আমার অনন্ত বাংলায়
- মাহমুদুল হাসান নিজামী
হিমালয় থেকে মেঘালয়
সুন্দরবন থেকে বান্দরবান
সোনারগাঁও ফকরুদ্দিন মুবারক শাহ
তুমি আমার বাংলাদেশ।
গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ
শহীদ তিতুমীর বাঁশের কেল্লা
আমার বাংলাদেশ।
কর্ণফুলীর মোহনায় যেখানে
হাজার জাহাজের ভিড়ে
দূরদেশী বার্তা বহন করে যায়
যেখানে অনন্ত স্বপ্নরা
কক্সবাজারের উদাসী হাওয়ায়
ছড়িয়ে দূর সীমানায়
সেটাই আমার স্বদেশ আমার বাংলাদেশ।
তুমি কি কভু দেখেছ মানচিত্রের ঠিকানা
তুমি কি দেখেছ কভু
আমার মাতৃভূমির মুখ
শালবনের গুহার মাঝেই
ময়নামতির গল্পগুলো
অথবা অভিমানী নদী ভাঙতে ভাঙতে
সুদূর সীমা ছাড়িয়ে যায় যেথায়
উদাসী সমীরণে সোনালী স্বপ্ন
ধানের শীষে দোল খাই
প্রকৃতির দোলনায়
সেই আমার বাংলাদেশ আমার স্বদেশ।
তুমি কি দেখেছো শুভলং পাহাড় থেকে
কাচালং পাহাড় কত দূর
কাপ্তাই নদী কত মহান স্মৃতির সাজ
আমাকে বিমোহিত করে চলেছে অনন্ত
সেই আমার স্বদেশ আমার বাংলাদেশ
যদি কোনদিন পদ্মার তীরে দাঁড়িয়ে
আরিয়ালখা আলিঙ্গন করে যায়
নব যুবতী পদ্মায়
আমার বাংলাদেশ
আমার মানচিত্র তাকেই বলা যায়
আকাশ দিগন্ত মস্তক লুকায়
আমার অনন্ত বাংলায় ।
সমুদ্রের ভাঙ্গনে বৃষ্টিরা হাসে।
মাহমুদুল হাসান নিজামী।
আমার পৈথানে লাল গোলাপের পাপড়ি গুলো হয়তো শোভিত হবে।
মধ্যরাতে হয়তো কখনো জ্যোৎস্নারা হাসবে
অথবা কাঁদবে।
নীল প্রজাপতি কখনোবা জানালার ফাঁকে
ডানা ঝাপ দিয়ে এদিক ওদিক করবে।
হয়তো বা নীলের শূন্যতায়
শুধু মেঘের ঘন ঘটায়
বিষন্ন সময় অন্যরকম অনুভবে বিবর্ণ হয়ে যাবে।
রোদের তীব্রতায় জমিন ফেটে চৌচির হয়ে যাবে।
সমুদ্রের বিশালতায় এক ফোটা অশ্রুজল
হয়তো কেহ দেখিবে না।
কিন্তু আমার হৃদয়ের চিৎকার বস্ত্রপাতের মত তোমাদের আকাশেই অনন্তকাল
ঝিলিক মেরেই যাবে।
কিছু বুঝবে তাহা হয়তো কেহ বিন্দু ও
অনুভব করিবে না।
তবুও আমি বিষাদের বজ্রপাত হয়ে
তোমাদের আকাশে ভাসবো।
অাকাশ ভাংলে প্রলয় হয়ে যাবে
আর সমুদ্রের ভাঙ্গনে বৃষ্টিরা হাসে।
অামি যাচ্ছি সবাইকে বলে গেলাম
মাহমুদুল হাসান নিজামী।
সবাই না বলেই চলে যায়
অবশ্যই বলার ফুরসতই কেউ পায়না।
অামি যাচ্ছি সবাইকে বলে গেলাম।
যেদিন সব শেষ হয়ে যায়
শুধু অন্ধকার অার অন্ধকার।
সূর্য যখন উদিত হবে না
তখন অন্ধকারই পৃথিবীর পরিচয়
কখনো দিবসেই অন্ধকার নেমে আসে
তখনতো দিবসকে আমরা রাত্রি বলি না।
একদিন যখন সব শেষ হয়ে যায়
তখন আর কিছুই করার থাকে না।
কতবার বলে গেলে আবার ফিরে এলে
শেষবার যখন চলে গেলে আর কখনো
ফিরে আসোনি একটু বলেও যাওনি।
শেষ সময়ে সবাই এভাবে না বলেই চলে যায়।
না বলে চলে যাওয়ার পর
আর যখন ফিরে আসে না তখন
আমরা তাকে মৃত্যু বলে ডাকি।
না বলে চলে যাবার পর যখন স্বপ্নে তুমি উদিত হও -তখন আমি তাকে বেদনা বলে ডাকি।
চির চলে যাওয়ার পর যখন তুমি স্মৃতিতে ভাসো তখন তোমাকে কবিতার পাতায় আলিঙ্গন করি।
প্রিয় স্বপ্নগুলো একদা তোমার নয়ন ভাজে
এলোকেশর হলে ছন্দে ছন্দে কবিতা হয়ে যেতেে।
শেষবার চলে গেলে সবাই না বলেই যায় ।
স্মৃতির পাতাগুলো বিষাদের সুর হয়ে নীরবে কাদে।
সবাই চলে যায় কেউ একটু বলে যায় না।
আমার চলে যাবার সময় আমি বলে গেলাম -
একটা কবিতার পুষ্পাঞ্জলিতে তবপেশানিতে
ছুঁয়ে নিও স্মৃতির পাতায়।
অকৃতজ্ঞ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অকৃতজ্ঞ অমানুষের
করলে উপকার
প্রতিদানে পেয়ে যাবেন
ক্ষতি সমাহার
বিবেকহীন হিংসুক
অবোধ অনাচারে
উচ্চস্বরে কথা বলে
জাহির করতে অাপনারে।
ভিতরটা খালি তার
নিজকে ভাবে মহান
মানুষ নামের অমানুষ
গায়রে শুধু নিজের গান।
বেয়াদব
মাহমুদুল হাডান নিজামী
বেয়াদবের স্বর উচু
নিম্নমানের অাচরন
সবখানে বঞ্চিত হয়
পায়না কারো রহম।
রমনী কি চায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
পুরুষ তুমি কি জানো রমনী কি কি চায়
বিলগেটস এর সম্পদ তাকে তৃপ্ত করিতে পারে নাই
জাস্টিন টুডো স্বনামধর্ম বিশ্ব মহারাজ
রমনী তাহারো উপর হয়েছে নারাজ
স্বামীর খ্যাতি এতো ধন সুখী করিতে পারেনি তারে
অামি অক্ষি পানে তাহার তাকিয়ে দেখেছি বারেবারে
অর্থতে সুখ কেনা যায় খ্যাতিতে সম্মান
সবকিছু ম্লান হয়ে যায় শুধু ক্ষনিকের অপমান
সব কিছু পায় তবু কি চায় অতৃপ্ত নয়ন
চপলা অধীর স্বপনের ভীড় চায় শুধু মন।
জানোয়ার
মাহমুদুল হাসান নিজামী
মরা খায় শকুনে
মেরে খায় বাঘে
মারিতে না পারিলে
ক্ষেপে যায় রাগে।
মানুষের মরনে
যেইজন খুশী হয়
অমানুষ জানোয়ার
শকুনী তারে কয়।
অতি লোভী অমানুষ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
আতি লোভী মানুষগুলো
অমানবিক হয়
অন্যকনের ক্ষতি করে
নিজের করে জয়।
অতি লোভী অমানুষ
বন্ধু কারো নয়
কিছু লোভ থাকা চাই
অতিলোভী ভয়।
কবির মন
মাহমুদুলহাসান নিজামী
একখানে স্থির হতে চায়না কভু কবির মন
এইখানে ওইখানে চপলা অধীর ঘুরে সারাক্ষন
সদা শৃন্যতায় সদা অপৃর্নতায় সদা অস্থির
এইখানে এই ঐখানে ফের অনন্ত অধীর
কোথাও নেই স্থায়ী ঠিকানা কোথাও নেই নীড়
মমতার ছায়া আদর মায়া চিরন্তনী সখা কবির
শতভাগে ঘাটতি হলে বিন্দুমাত্র মমতায়
হঠাৎ কবি বদলে যায়
কবির মন আকাশের মতন অশেষ বিশালতায়
কোন হেলায় কবির মন একেবারে ক্ষীণ হয়ে যায়
কবিতা সুন্দর কবিতা নিখুত অনন্ত আরাধনায়
কলমের কবিতা কবির ছবিটা একেবারে ভিন্নতায়।
নিজেই তবে হারিয়ে গেলি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
লক্ষ হাজার পত্র থেকে
ঝরে গেলে কটি পাতা
বটবৃক্ষের ক্ষতি নাইরে
হারাবেনা ছায়া ছাতা
ঝরে গেলি তুইযে স্বয়ং
ওরে বোকা অবুঝ
নিজেই তবে হারিয়ে গেলি
পাবিনারে নিজের খোজ।
শরতের বিকেলে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কি যেন ছুঁয়ে দিল কাশফুলের মমতায়
শরতের বিকেলে অনন্ত নীরবতায়
কে যেন আমায় ডাকে
হরিশপুরের বাঁকে
শরতের উদাসী উদাসী সাঝে
শব্দের শৈল্পিক কারো কাজে
কে যেন নদীর ভাঙ্গনের গল্প শোনায়
অধরা দূর কোন জানালায়।
মমতাময়ী কোন হাত
হাজারো স্বপ্ন এনেছিল নব প্রভাত
যদি হয় কোন স্বপ্নময় রমণী
হয়ে যাক সে কবির অর্ধাঙ্গিনী
যামিনী কাদে আধারে কামিনী এলেনা বলে
শূন্য হিয়া অনন্ত শূন্যতায় ধড়ফরে জ্বলে
শরতের অবেলায় বৃষ্টি পড়ে
ভিজে যায় কবির ভাঙ্গা ঘরে।
আবার যদি সেই শরৎ ফিরে আসে মমতায়
একটি সাদা ফুলে ভরে দিও আমায়
কবিতা হাসে পুষ্প মমতায়
সে টুকরো হাসি দিতে পারেনি কোন প্রহরে হামায়।
নদী আর রমণী যদি শরতের অঙ্গনে
আমায় ডাকে মমতার আলিঙ্গনে
যদি ভুল হয়ে যায় ব্যথার প্রহরগুলো
কখনো কখনো স্বপ্নগুলো হয়ে যায় এলোমেলো।
জান্নাতের মেহমান কাজী কারীমা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
জান্নাতি গুল ওগো জান্নাতি ফুল
সুরভিত সৌগতে থাকো মশগুল
মা ওগো মা
কাজি কারিমা
হেসে হেসে কত ফুল অতঃপর ঝড়ে
স্মৃতিরা কথা কয় বিষাদের ভারে
কেউ যায় আগেতে কেউ যায় পরে
যেতে হবে সকলে চিরন্ত ঘরে
আগে যায় যেই জন ভালো থাকে সে
দুনিয়ার কালিমা কম তার যে
আল্লাহর মেহমান নিস্পাপ শিশু মা
স্বজনের জান্নাত কাজী কারীমা।
ভালো থেকো পরপারে ভালো থেকো মা
জান্নাতের মেহমান কাজী কারীমা।
হায়রে বোকা মানবজাত
মাহমুদুল হাসান নিজামী
বাবার সবি সন্তানের
সন্তানেরটা বাবার নয়
সন্তানের দশতলাতে
পিতার হয়না আশ্রয় ।
বাবা মরেন একা ঘরে
সন্তানেরা আমেরিকায়
জানাজাতে শরীক হয়না
বন্টননামায় দেরি নাই।
এই সন্তানের জন্য তুমি
কেড়ে অন্যের পাতের ভাত
ধনের পাহাড় বানিয়ে গেলে
হায়রে বোকা মানবজাত।
শাহ সফিনুর
মাহমুদুল হাসান নিজামী
যদি কোন জন্ম হয় অনন্য
স্মৃতির পাতায় প্রীতির মমতায় বরন্য
তবে চন্দ্রিমা হাসিবে নিবিড় নিরবতায়
নিশিগন্ধা পুষ্প কায়ায়
সৌরভে মুখরিত কোন কোন জীবন
হৃদয় অলিন্দে অনন্ত অালিঙ্গন
শুভ বরনের প্রহরগুলো
প্রদীপ্ত জ্যোতিতে ঝমকালো
কাহারো প্রতীক্ষায় সময় বয়ে যায়
কোন শুভ জন্মতিথির প্রতীক্ষায়
সেই লগনে স্বপ্নগুলো যখন মধুর
ধন্য শুভ জন্ম শাহ সফিনুর।
অধরা স্পর্শে
মাহমুদুল হাসান নিজামী
অধরা স্পর্শে কতবার ছুঁয়ে দিয়েছো হামায়
সোনা রোদে শুভ্র প্রভাতে শিশিরের কোমলতায়
ভাঙতে ভাঙতে ছুঁয়ে দিয়েছো বিষাদের অনুভবে
রাত্রি অন্ধকারে কালো মেঘের বৈভবে
শতবার ছুঁয়েছ দিয়েছিলে বিসর্গ নীলিমায়
কবিতার শরীরে ছন্দ হয়ে শূন্যতার তীব্র খরায়
অধরা স্পর্শে ধরে দিয়েছিলে কষ্টের প্রহরগুলো
নব ছন্দে হেসে উঠেছিল অনুভবে এলোমেলো
কত নদী আর নীলিমা বিষন্ন অনুভবের তীব্রতায়
একদা বৃষ্টি হয়ে ছুঁয়ে দিয়েছিলে সমগ্র কায়ায়
মন আষাঢ়ে বৃষ্টিতে তৃষিত জলধী
কত সুন্দর ছুয়ে দিয়েছিল অধরায় নিরবধি।
নারীরা
মাহমুদুল হাসান নিজামী
নারীরা সরলা নারীরা বোকা
রূপকথার রঙ্গে খেয়ে যায় ধোকা
স্তর বুঝেনা কোথা কার স্থান
কথাতেই ভুলে যায় নিজেরী মান
সবটা দিয়ে দেবে সবকিছু ধন
তেলটা পেলে তবে দিয়ে দেবে মন
কাজের মানুষ
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কাজের মানুষ কাজ করে
অকর্মারা দোষ ধরে
কাজ করলে ভুল হবে
প্রয়োজনে শুধরাবে।
আমি কেন ভাবি
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কার কথা কে রাখে মনে
আমি কেন ভাবি তাহারি লাগি প্রতিক্ষনে।।
ও নদী তুই কোথায় যাস ছল ছল করে
অঝর ধারায় কেন আজি এতো বারি ঝরে
পুবাল হাওয়া কেন দোলা দেয় ব্যাথিত গুঞ্জরনে।।
কালঘড়ি ধীরে ধীরে ধেয়ে বয়ে যায়
ফিরে আসে ঘুরে ফের বারোটায়
কালের প্রহর দ্রুত চলে যায়
শুধু কিছু স্মৃতি থাকে স্মরণে।।
স্মৃতির পাতায়
মাহমুদুল হাসান নিজামী
কত কিছু রেখে গেলে স্মৃতির পাতায়
সব কিছু আছে আজো শুধু তুমি নাই।।
কে যেন ডাকিছে উতালায় এ মন
কার লাগি মনটা কাদে সারাক্ষন
কতো স্মৃতি কথা বলে
আকাশের নীলিমায়।।
এই দিন কাল হবে
কেউ যাবে কেউ রবে
কতো স্মৃতি কথা কয়
সুখহারা বেদনায়।।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)